হাদিস নং: ১৩২৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى الصنعاني، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت عبد الملك، يحدث عن عبد الله بن موهب، ان عثمان، قال لابن عمر اذهب فاقض بين الناس . قال اوتعافيني يا امير المومنين . قال وما تكره من ذلك وقد كان ابوك يقضي قال اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من كان قاضيا فقضى بالعدل فبالحري ان ينقلب منه كفافا " . فما ارجو بعد ذلك وفي الحديث قصة . وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث غريب وليس اسناده عندي بمتصل . وعبد الملك الذي روى عنه المعتمر هذا هو عبد الملك بن ابي جميلة .
১৩২৫. মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু মাওহিব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু -কে বললেন, যাও, মানুষের মাঝে বিচার কার্য সম্পাদন কর। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন, আপনি আমাকে এই বিষয়ে ক্ষমা করবেন? উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তুমি এটা না পছন্দ করছ কেন? অথচ তোমার পিতা (উমার) তো বিচার করতেন। ইবনু উমার বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- কে বলতে শুনেছি যে, কেউ যদি বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হয় আর সে যদি ন্যায় ভাবেও বিচার কার্য সম্পাদন করে তবে সে বরাবর আমল নিয়ে ফিরে আসবে এটা তার জন্য একটি কঠিন ব্যাপার। সুতরাং এরপর আমি কি আশা করতে পারি? - মিশকাত - তাহকিক ছানী ৩৭৪৩, তা’লীকুর রাগীব ২/১৩২, তা’লীক আলা আহাদিস মুখতারাহ ৩৪৮, ৩৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসে একটি কাহিনীও রয়েছে। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। সনদটি আমার মতে মুত্তাসিল নয়। কেননা যে আবূল মালিক (রহঃ) থেকে এখানে মু’তামির (রহঃ) রিওয়ায়েত করেছেন তিনি হলেন, আবদুল মালিক ইবনু আবূ জামীলা।
এই হাদীসে একটি কাহিনীও রয়েছে। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। সনদটি আমার মতে মুত্তাসিল নয়। কেননা যে আবূল মালিক (রহঃ) থেকে এখানে মু’তামির (রহঃ) রিওয়ায়েত করেছেন তিনি হলেন, আবদুল মালিক ইবনু আবূ জামীলা।
হাদিস নং: ১৩২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثني الحسن بن بشر، حدثنا شريك، عن الاعمش، عن سعد بن عبيدة، عن ابن بريدة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " القضاة ثلاثة قاضيان في النار وقاض في الجنة رجل قضى بغير الحق فعلم ذاك فذاك في النار وقاض لا يعلم فاهلك حقوق الناس فهو في النار وقاض قضى بالحق فذلك في الجنة " .
১৩২৬. মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ..... বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কাযীগণ তিন ধরনের। দুই ধরণের কাযী জাহান্নামে যবে। আর যে কাযী না জেনে মানুষের হক নষ্ট করে ফেলে সেও জাহান্নামী হবে। আর এক ধরণের কাযী হল, যে ন্যায়ভাবে ফয়সালা করে সে জান্নাতে যাবে। - ইরওয়া ২৬১৪, মিশকাত ৩৭৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২২/২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৩২৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن اسراىيل، عن عبد الاعلى، عن بلال بن ابي موسى، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سال القضاء وكل الى نفسه ومن اجبر عليه ينزل الله عليه ملكا فيسدده " .
১৩২৭. হাননাদ (রহঃ) ....... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বিচারকের পদ চেয়ে নেয় এতে এর দায়ভার তার নিজের উপরই ন্যাস্ত করে দেওয়া হয় আর যাকে এই কাজে বাধ্য করা হয় তার প্রতি আল্লাহ একজন ফিরিশতা নাযিল করেন যিনি তাকে সঠিক পথে অনুপ্রাণিত রাখেন। - ইবনু মাজাহ ২৩০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৩২৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا يحيى بن حماد، عن ابي عوانة، عن عبد الاعلى الثعلبي، عن بلال بن مرداس الفزاري، عن خيثمة، وهو البصري عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ابتغى القضاء وسال فيه شفعاء وكل الى نفسه ومن اكره عليه انزل الله عليه ملكا يسدده " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب وهو اصح من حديث اسراىيل عن عبد الاعلى .
১৩২৮. আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি সুপারিস ধরে বিচারকের পদ চেয়ে নেয় এর দায়ভার তার নিজের উপরই ন্যস্ত করা হয়। আর যাকে এ কাজে বাধ্য করা হয় তার প্রতি আল্লাহ তা’আলা একজন ফিরিশতা নাযিল করেন। যিনি তাকে সঠিক পথে অনুপ্রাণিত রাখেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-গারীব। এটি ইসরাঈল-আবদুল আ’লা সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি (১৩২৭ নং) থেকে অধিকতর সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-গারীব। এটি ইসরাঈল-আবদুল আ’লা সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি (১৩২৭ নং) থেকে অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ১৩২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا الفضيل بن سليمان، عن عمرو بن ابي عمرو، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من ولي القضاء او جعل قاضيا بين الناس فقد ذبح بغير سكين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . وقد روي ايضا من غير هذا الوجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
১৩২৯. নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাকে লোকদের মাঝে বিচারক নিযুক্ত করা হল তাকে চুরি ছাড়াই যবাই করে দেওয়া হল। - ইবনু মাজাহ ২৩০৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব। অন্য সনদে ও এটি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব। অন্য সনদে ও এটি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১৩৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسين بن مهدي البصري، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن سفيان الثوري، عن يحيى بن سعيد، عن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا حكم الحاكم فاجتهد فاصاب فله اجران واذا حكم فاخطا فله اجر واحد " . قال وفي الباب عن عمرو بن العاصي وعقبة بن عامر . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن غريب من هذا الوجه . لا نعرفه من حديث سفيان الثوري عن يحيى بن سعيد الا من حديث عبد الرزاق عن معمر عن سفيان الثوري .
১৩৩০. হুসাইন ইবনু মাহদী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন বিচারক যখন বিচার কার্য করে এবং এই বিষয়ে সে চুড়ান্ত প্রয়াস পায় আর এতে যদি তার রায় সঠিক হয় তবে তার জন্য হল দুইটি সওয়াব। আর যদি সে বিচারে ভুল করে তবে তার জন্য হল একটি সওয়াব। - ইবনু মাজাহ ২৩১৪, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আমর ইবনুল আস, উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব। আবদুর রাযযাক মা’মার (রহঃ) সূত্র ছাড়া সুফইয়ান ছাওরী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ)- এর রিওয়ায়েত হিসাবে আমরা এটি সম্পর্কে পরিচিত নই।
এই বিষয়ে আমর ইবনুল আস, উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব। আবদুর রাযযাক মা’মার (রহঃ) সূত্র ছাড়া সুফইয়ান ছাওরী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ)- এর রিওয়ায়েত হিসাবে আমরা এটি সম্পর্কে পরিচিত নই।
হাদিস নং: ১৩৩১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن ابي عون الثقفي، عن الحارث بن عمرو، عن رجال، من اصحاب معاذ عن معاذ، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث معاذا الى اليمن فقال " كيف تقضي " . فقال اقضي بما في كتاب الله . قال " فان لم يكن في كتاب الله " . قال فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال " فان لم يكن في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم " . قال اجتهد رايي . قال " الحمد لله الذي وفق رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم " .
১৩৩১. হাননাদ (রহঃ) ...... মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআযকে প্রশাসক হিসাবে ইয়ামানে পাঠিয়েছিলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, তুমি কিভাবে ফায়সালা দিবে। মুআয বললেন, আল্লাহর কিতাব অনুসারে ফায়সালা দিব। তিনি বললেন, আল্লাহর কিতাবে (সংশ্লিষ্ট বিষয়ে) যদি কিছু না থাকে? মুআয বললেন, রাসূলুল্লাহর সুন্নাহ অনুসারে ফয়সালা করব। তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূলের সুন্নাহও এও- যদি কিছু না থাকে? মুআয বললেন, আমি আমার বিবেক খাটিয়ে ইজতিহাদ করব। তিনি বললেন, ঐ আল্লাহর সমস্ত প্রশংসা যিনি তাঁর রাসূলের দূতকে এই ধরণের তওফীক দিয়েছেন। - যইফা ৮৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৩৩২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا شعبة، عن ابي عون، عن الحارث بن عمرو ابن اخ، للمغيرة بن شعبة عن اناس، من اهل حمص عن معاذ، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث لا نعرفه الا من هذا الوجه وليس اسناده عندي بمتصل . وابو عون الثقفي اسمه محمد بن عبيد الله .
১৩৩২. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই সুত্র ছাড়া হাদীসটি সম্পর্কে আমরা পরিচিত নই। আমার মতে এর সনদ মুত্তাসিল নয়। আবূ আওন সাকাফীর নাম হল মুহামমদ ইবনু উবায়দুল্লাহ। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৩৩৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن المنذر الكوفي، حدثنا محمد بن فضيل، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن ابي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان احب الناس الى الله يوم القيامة وادناهم منه مجلسا امام عادل وابغض الناس الى الله وابعدهم منه مجلسا امام جاىر " . قال وفي الباب عن عبد الله بن ابي اوفى . قال ابو عيسى حديث ابي سعيد حديث حسن غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه .
১৩৩৩. আলী ইবনু মুনযির কূফী (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় এবং সবচে নিকটে উপবেশনকারী মানূষ হল ন্যায়নিষ্ঠ শাসক। আর সবচে ঘৃণ্য ও দুরের হল অত্যাচারী শাসক। - রাওয ২/৩৫৬,-৩৫৭, যইফা ১১৫৬, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৭০৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আবূ আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা জানিনা।
এই বিষয়ে ইবনু আবূ আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা জানিনা।
হাদিস নং: ১৩৩৪
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد القدوس بن محمد ابو بكر العطار، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا عمران القطان، عن ابي اسحاق الشيباني، عن عبد الله بن ابي اوفى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله مع القاضي ما لم يجر فاذا جار تخلى عنه ولزمه الشيطان " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث عمران القطان .
১৩৩৪. আবদুল কুদ্দুস ইবনু মুহাম্মদ আবূ বকর আত্তার (রহঃ) ....... ইবনু আবূ আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যতক্ষণ যুলুমে লিপ্ত না হবে ততক্ষণ আল্লাহ তা’আলা বিচারকের সঙ্গে থাকেন। যখন সে যুলুমে লিপ্ত হয় তখন তিনি তাকে ছেড়ে চলে যান আর শয়তান তাকে চিমটে ধরে। - ইবনু মাজাহ ২৩১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। ইমরান কাত্তান (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা জানিনা।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। ইমরান কাত্তান (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা জানিনা।
হাদিস নং: ১৩৩৫
হাসান (Hasan)
حدثنا هناد، حدثنا حسين الجعفي، عن زاىدة، عن سماك بن حرب، عن حنش، عن علي، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا تقاضى اليك رجلان فلا تقض للاول حتى تسمع كلام الاخر فسوف تدري كيف تقضي " . قال علي فما زلت قاضيا بعد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
১৩৩৫. হাননাদ (রহঃ) ..... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমার কাছে যখন দুই ব্যক্তি বিচার প্রার্থনা করে তখন অপর জনের কথা না শোনা পর্যন্ত প্রথম জনের কথার উপর ফায়সালা দিবে না। তাহলে অচিরেই তুমি জানতে পারবে তুমি কিভাবে বিচার করবে। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এরপর থেকে আমি কাযী হিসাবে থেকেছি। - ইরওয়া ২৬০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই হাদীসটি হাসান।
(আবু ঈসা বলেন) এই হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ১৩৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، حدثني علي بن الحكم، حدثني ابو الحسن، قال قال عمرو بن مرة لمعاوية اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من امام يغلق بابه دون ذوي الحاجة والخلة والمسكنة الا اغلق الله ابواب السماء دون خلته وحاجته ومسكنته " . فجعل معاوية رجلا على حواىج الناس . قال وفي الباب عن ابن عمر . قال ابو عيسى حديث عمرو بن مرة حديث غريب وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه . وعمرو بن مرة الجهني يكنى ابا مريم .
১৩৩৬. আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ...... আবূল হাসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমর ইবনু মুররা রাদিয়াল্লাহু আনহু মুআয়িা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলেছিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ইমাম ও শাসক অভাবী, প্রার্থী ও দরিদ্রদের থেকে দ্বার রুদ্ধ করে রেখে আল্লাহ তার প্রয়োজন, অভাবও দারিদ্রের সময় আকাশের দ্বার রুদ্ধ করে রাখবেন। অনন্তর মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক ব্যাক্তিকে মানুষের অভাব - অভিযোগ শোনার দায়িত্বে নিযুক্ত করেন। - মিশকাত - তাহকিক ছানী ৩৭২৮, সহিহাহ ৬২৯, সহিহ আবু দাউদ ২৬১৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবন উমার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমর ইবনু মুররা জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কুনিয়াত বা উপনাম হল আবূ মারয়াম।
এই বিষয়ে ইবন উমার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমর ইবনু মুররা জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কুনিয়াত বা উপনাম হল আবূ মারয়াম।
হাদিস নং: ১৩৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا يحيى بن حمزة، عن يزيد بن ابي مريم، عن القاسم بن مخيمرة، عن ابي مريم، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث بمعناه . ويزيد بن ابي مريم شامي وبريد بن ابي مريم كوفي وابو مريم هو عمرو بن مرة الجهني .
১৩৩৭. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আবূ মারয়াম থেকে উক্ত মর্মের অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইয়াযীদ ইবনু আবূ মারয়াম হলেন সিরিয়ার অধিবাসী, বুরায়দ ইবন আবূ মারয়াম হলেন কূফার অধিবাসী, আর আবূ মারয়াম-এর নাম হল, আমর ইবনু মুররা আল জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৩৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، قال كتب ابي الى عبيد الله بن ابي بكرة وهو قاض ان لا، تحكم بين اثنين وانت غضبان . فاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحكم الحاكم بين اثنين وهو غضبان " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو بكرة اسمه نفيع .
১৩৩৮. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা বিচার পতি উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ বকরাকে লিখেছিলেন, দুই ব্যক্তির মাঝে ক্রোধান্বিত অবস্থায় ফায়সালা করবে না। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, ক্রোধান্বিত অবস্থায় কোন বিচারক যেন দুই ব্যক্তির মাঝে বিচার না করে। - ইবনু মাজাহ ২৩১৬, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ বকরা (রাঃ) -এর নাম হল নুফায়।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ বকরা (রাঃ) -এর নাম হল নুফায়।
হাদিস নং: ১৩৩৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن داود بن يزيد الاودي، عن المغيرة بن شبيل، عن قيس بن ابي حازم، عن معاذ بن جبل، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم الى اليمن فلما سرت ارسل في اثري فرددت فقال " اتدري لم بعثت اليك لا تصيبن شيىا بغير اذني فانه غلول ومن يغلل يات بما غل يوم القيامة لهذا دعوتك فامض لعملك " . قال وفي الباب عن عدي بن عميرة وبريدة والمستورد بن شداد وابي حميد وابن عمر . قال ابو عيسى حديث معاذ حديث حسن غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث ابي اسامة عن داود الاودي .
১৩৩৯. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামান পাঠিয়েছিলেন। আমি যখন রওয়না করলাম আমার পিছনে একজনকে [আমাকে ডেকে আনার জন্য] পাঠালেন। আমি ফিরে এলাম। তিনি বললেন, কেন একজনকে তোমার পিছনে পাঠালাম তা বুঝতে পেরেছ কি? তিনি বললেন, আমার অনুমতি ব্যতিরেকে কোন জিনিস নিবে না। কারণ এ-ও খিয়ানত। যে ব্যক্তি খিয়ানত করবে কিয়ামতের দিন তাকে অবশ্য যে বস্তু খিয়ানত করেছিল তা নিয়ে আসতে হবে। এর জন্যেই তোমাকে ডেকেছিলাম। এখন তোমার কাজে যাও। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আদী ইবনু আমীরা, বুরায়দা, মুসতাওরিদ ইবনু শদ্দার, আবূ হুমায়দ ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। আবূ উসামা - দাউদ আওদী (রহঃ) এর রিওয়ায়েত হিসাবে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা জানিনা।
এই বিষয়ে আদী ইবনু আমীরা, বুরায়দা, মুসতাওরিদ ইবনু শদ্দার, আবূ হুমায়দ ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। আবূ উসামা - দাউদ আওদী (রহঃ) এর রিওয়ায়েত হিসাবে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা জানিনা।
হাদিস নং: ১৩৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن عمر بن ابي سلمة، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي في الحكم . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وعاىشة وابن حديدة وام سلمة . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن . وقد روي هذا الحديث عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروي عن ابي سلمة عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم ولا يصح . قال وسمعت عبد الله بن عبد الرحمن يقول حديث ابي سلمة عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم احسن شيء في هذا الباب واصح .
১৩৪০. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিচার ক্ষেত্রে ঘুষখোর ও ঘুষদাতাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২৩১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আয়েশা, ইবনু হাদীদা ও উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। এই হাদীসটি আবূ সালামা ইবনু আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও বর্ণিত আছে। আবূ সালামা - তার পিতা আবদুর রহমান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও এটি বর্ণিত আছে। তবে এটি সহীহ নয়। আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি যে, আবূ সালামা - আবদুল্লাহ ইবনু আমর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি এই বিষয়ে বর্ণিত রিওয়ায়াত সমূহের মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বাধিক সহীহ।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আয়েশা, ইবনু হাদীদা ও উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। এই হাদীসটি আবূ সালামা ইবনু আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও বর্ণিত আছে। আবূ সালামা - তার পিতা আবদুর রহমান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও এটি বর্ণিত আছে। তবে এটি সহীহ নয়। আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি যে, আবূ সালামা - আবদুল্লাহ ইবনু আমর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি এই বিষয়ে বর্ণিত রিওয়ায়াত সমূহের মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বাধিক সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو موسى، محمد بن المثنى حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا ابن ابي ذىب، عن خاله الحارث بن عبد الرحمن، عن ابي سلمة، عن عبد الله بن عمرو، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৩৪১. আবূ মূসা মুহাম্মদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষখোর এবং ঘুষদাতার উপর লা’নত করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান - সহীহ
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান - সহীহ
হাদিস নং: ১৩৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو بكر، محمد بن عبد الله بن بزيع حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو اهدي الى كراع لقبلت ولو دعيت عليه لاجبت " . قال وفي الباب عن علي وعاىشة والمغيرة بن شعبة وسلمان ومعاوية بن حيدة وعبد الرحمن بن علقمة . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن صحيح .
১৩৪২. মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বাযী’ (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাকে যদি বকরীর পায়ের একটি খুরও হাদীয়া দেওয়া হয় তবুও অবশ্য তা গ্রহণ করব। তা আহারেরও যদি আমাকে দাওয়াত দেওয়া হয় তবুও তাতে আমি সাড়া দিব। - সহিহুল জা-মি’ মুখতাসার শামা-ইলুল মুহাম্মাদিয়া ২৯০, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, আয়িশা, মুগীরা ইবনু শু’বা, মুআবিয়া ইবনু হায়দা ও আবদুর রহমান ইবনু আলকামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ মূসা (রহঃ) বলেন, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান - সহীহ।
এই বিষয়ে আলী, আয়িশা, মুগীরা ইবনু শু’বা, মুআবিয়া ইবনু হায়দা ও আবদুর রহমান ইবনু আলকামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ মূসা (রহঃ) বলেন, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান - সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن زينب بنت ام سلمة، عن ام سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انكم تختصمون الى وانما انا بشر ولعل بعضكم ان يكون الحن بحجته من بعض فان قضيت لاحد منكم بشيء من حق اخيه فانما اقطع له قطعة من النار فلا ياخذ منه شيىا " . قال وفي الباب عن ابي هريرة وعاىشة . قال ابو عيسى حديث ام سلمة حديث حسن صحيح .
১৩৪৩. হারূন ইবনু ইসহাক হামদানী (রহঃ) ...... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আমার কাছে নানা বিষয়ে বিবাদ-মিমাংশার জন্যে এসে থাক। আমিওতো একজন মানুষ। হয়তো তোমার একজন প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তার প্রতি পক্ষের তুলনায় অধিক কৌশলী। সুতরাং আমি যদি তোমাদের কারো জন্য এমন কোন বিষয়ের ফায়সালা দিয়ে দেই যা (প্রকৃতপক্ষে) তার প্রতি পক্ষ ভাইয়ের হক তবে সেই বস্তু তার জন্য জাহান্নামাগ্নি টুকরা বলে গন্য হবে। অতএব সে যেন (প্রকৃত অবস্থা জানা সত্বেও) তা গ্রহণ না করে। - ইবনু মাজাহ ২৩১৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে্ ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে্ ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن واىل بن حجر، عن ابيه، قال جاء رجل من حضرموت ورجل من كندة الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال الحضرمي يا رسول الله ان هذا غلبني على ارض لي . فقال الكندي هي ارضي وفي يدي ليس له فيها حق . فقال النبي صلى الله عليه وسلم للحضرمي " الك بينة " . قال لا . قال " فلك يمينه " . قال يا رسول الله ان الرجل فاجر لا يبالي على ما حلف عليه وليس يتورع من شيء . قال " ليس لك منه الا ذلك " . قال فانطلق الرجل ليحلف له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما ادبر " لىن حلف على مالك لياكله ظلما ليلقين الله وهو عنه معرض " . قال وفي الباب عن عمر وابن عباس وعبد الله بن عمرو والاشعث بن قيس . قال ابو عيسى حديث واىل بن حجر حديث حسن صحيح .
১৩৪৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... আলকামা ইবনু ওয়াইল তৎপিতা ওয়াইল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাযরামওতের এক ব্যক্তি এবং কিনদার আর এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। হাযরা মওতের লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এই লোকটি আমার একটি যমীনের বিষয়ে আমার উপর প্রবল হয়ে গেছে (এবং তা দখল করে নিয়ে গেছে)। কিনদার লোকটি বলল, এতো আমার সম্পত্তি আমার দখলে আছে। এতে তার কোন হক নাই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন হাযরামী লোকটিকে বললেন, তোমার কি কোন সাক্ষী আছে? সে বলল, জি না। তিনি তখন বললেন, তাহলে তো তুমি তার (বিবাদীর) কসম নিতে পারবে। লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এই লোকটি তো ফাসিক। কিসের উপর কসম কাটছে তাতে সে কোন পরওয়াই করবে না। সে তো বিন্দুমাত্র পরহেযগারী অবলম্বন করবে না। তিনি বললেন এ ছাড়া তো তুমি তার থেকে আর কিছু পেতে পার না। ওয়াইল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, লোকটি তার প্রতিপক্ষের কসম নিতে অগ্রসর হল। সে যখন পিছন ফিরল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ব্যক্তি যদি অন্যায়ভাবে তোমার সম্পত্তি গ্রাস করার জন্য কসম খায় তবে সে এমতাবস্থায় আল্লাহর মূলাকাত করবে যে, তিনি তার থেকে (ক্রোধ ভরে) ফিরে থাকবেন। - ইরওয়া ২৬৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর এবং আশআছ ইবনু কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ওয়াইল ইবনু হুজুর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে উমার, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর এবং আশআছ ইবনু কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ওয়াইল ইবনু হুজুর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।