হাদিস নং: ১২২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، واحمد بن منيع، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال قتيبة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يبيع حاضر لباد " . قال وفي الباب عن طلحة وجابر وانس وابن عباس وحكيم بن ابي يزيد عن ابيه وعمرو بن عوف المزني جد كثير بن عبد الله ورجل من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم .
১২২৫. কুতায়বা ও আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শহরবাসী কোন গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে বিক্রি করবে না। - ইবনু মাজাহ ২১৭৫, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে তালহা, আনাস, জাবির, ইবনু আব্বাস, হাকীম ইবনু আবূ ইয়াযীদ তৎপিতা আবূ ইয়াযীদ, কাছীর ইবনু আবদুল্লাহর পিতামহ আমার ইবনু আওফ মুযানী এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী (রাঃ) থেকেও এই বিষয়ে হাদীস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে তালহা, আনাস, জাবির, ইবনু আব্বাস, হাকীম ইবনু আবূ ইয়াযীদ তৎপিতা আবূ ইয়াযীদ, কাছীর ইবনু আবদুল্লাহর পিতামহ আমার ইবনু আওফ মুযানী এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী (রাঃ) থেকেও এই বিষয়ে হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১২২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، واحمد بن منيع، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يبيع حاضر لباد دعوا الناس يرزق الله بعضهم من بعض " . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وحديث جابر في هذا هو حديث حسن صحيح ايضا . والعمل على هذا الحديث عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم كرهوا ان يبيع حاضر لباد . ورخص بعضهم في ان يشتري حاضر لباد . وقال الشافعي يكره ان يبيع حاضر لباد وان باع فالبيع جاىز .
১২২৬. নাসর ইবনু আলী ও আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন শহরবাসী কোন গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে বিক্রয় করবে না। মানুষকে তাদের স্বাভাবিকতার উপরই ছেড়ে দাও, যেন আল্লাহ্ তা’আলা তাদের একের দ্বারা অন্যের রিযিকের ব্যবস্থা করেন। - ইবনু মাজাহ ২১৭৬, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি (১২২৫ নং) হাসান- সাহীহ। এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি (১২২৬ নং) ও হাসান-সাহীহ। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এই হাদীসের মর্মানুসারে আমল রয়েছে। তাঁরা কোন গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে শহরবাসীর বিক্রয় করা না-জায়েয বলেন। আবার তাঁদের কেউ কেউ গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে কোন শহরবাসীর কিছু ক্রয় করে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে শহরবাসীর বিক্রয় করা মাকরূহ। তবে যদি বিক্রয় করে দেয় তবে বিক্রয় কার্যকরী হবে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি (১২২৫ নং) হাসান- সাহীহ। এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি (১২২৬ নং) ও হাসান-সাহীহ। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এই হাদীসের মর্মানুসারে আমল রয়েছে। তাঁরা কোন গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে শহরবাসীর বিক্রয় করা না-জায়েয বলেন। আবার তাঁদের কেউ কেউ গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে কোন শহরবাসীর কিছু ক্রয় করে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে শহরবাসীর বিক্রয় করা মাকরূহ। তবে যদি বিক্রয় করে দেয় তবে বিক্রয় কার্যকরী হবে।
হাদিস নং: ১২২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن الاسكندراني، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المحاقلة والمزابنة . قال وفي الباب عن ابن عمر وابن عباس وزيد بن ثابت وسعد وجابر ورافع بن خديج وابي سعيد . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والمحاقلة بيع الزرع بالحنطة . والمزابنة بيع الثمر على رءوس النخل بالتمر . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم كرهوا بيع المحاقلة والمزابنة .
১২২৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালা এবং মুযাবানা থেকে নিষেধ করেছেন। - ইরওয়া ২৩৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস, যায়দ ইবনু ছাবিত, সা’দ, জাবির, রাফি, ইবনু খাদীজ ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। মুহাকালা হল, হস্তস্থিত গমের বিনিময়ে ক্ষেত্রস্থিত শস্য বিক্রয় করা। মুযাবানা হল, শুকনা খেজুরের বিনিময়ে গাছের খেজুর বিক্রি করা। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তাঁরা মুহাকালা ও মুযাবানা জাতীয় বিক্রয় না-জাইয বলে মতে প্রকাশ করেছেন।
এই বিষয়ে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস, যায়দ ইবনু ছাবিত, সা’দ, জাবির, রাফি, ইবনু খাদীজ ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। মুহাকালা হল, হস্তস্থিত গমের বিনিময়ে ক্ষেত্রস্থিত শস্য বিক্রয় করা। মুযাবানা হল, শুকনা খেজুরের বিনিময়ে গাছের খেজুর বিক্রি করা। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তাঁরা মুহাকালা ও মুযাবানা জাতীয় বিক্রয় না-জাইয বলে মতে প্রকাশ করেছেন।
হাদিস নং: ১২২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا مالك بن انس، عن عبد الله بن يزيد، ان زيدا ابا عياش، سال سعدا عن البيضاء، بالسلت فقال ايهما افضل قال البيضاء . فنهى عن ذلك . وقال سعد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسال عن اشتراء التمر بالرطب فقال لمن حوله " اينقص الرطب اذا يبس " . قالوا نعم . فنهى عن ذلك .
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن مالك، عن عبد الله بن يزيد، عن زيد ابي عياش، قال سالنا سعدا فذكر نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وهو قول الشافعي واصحابنا .
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن مالك، عن عبد الله بن يزيد، عن زيد ابي عياش، قال سالنا سعدا فذكر نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وهو قول الشافعي واصحابنا .
১২২৮. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, যায়দ আবূ আয়্যাশ একবার সা’দকে খোসাহীন যবের বিনিময়ে গম বিক্রয় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বললেন, এই দুটির মাঝে উত্তম কোনটি? আবূ আয়্যাশ বললেন, গমই তো উত্তম। তারপর তিনি তা নিষিদ্ধ করে দিলেন এবং বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাজা খেজুরের বিনিয়ে শুকনা খেজুর বিক্রি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি পার্শ্ববর্তী লোকদের জিজ্ঞাসা করলেন, তাজা খেজুর শুকালে কি কমে যায়। তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি তখন তা নিষেধ করে দিলেন। - ইবনু মাজাহ ২২৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হান্নাদ (রহঃ) সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এতদনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। এ হলো ইমাম শাফিঈ ও তাঁর অনুসারীদের অভিমত।
হান্নাদ (রহঃ) সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এতদনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। এ হলো ইমাম শাফিঈ ও তাঁর অনুসারীদের অভিমত।
হাদিস নং: ১২২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع النخل حتى يزهو .
১২২৯. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাছের খেজুর লাল বা হলদে না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি নিষেধ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১২৩০
সহিহ (Sahih)
وبهذا الاسناد ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع السنبل حتى يبيض ويامن العاهة نهى الباىع والمشتري . قال وفي الباب عن انس وعاىشة وابي هريرة وابن عباس وجابر وابي سعيد وزيد بن ثابت . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم كرهوا بيع الثمار قبل ان يبدو صلاحها . وهو قول الشافعي واحمد واسحاق .
১২৩০. উক্ত সনদে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শস্যদানা সাদা ও নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত শীশের শস্য বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই তিনি তা করতে নিষেধ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস, আয়িশা, আবূ হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, জাবির, আবূ সাঈদ ও যায়দ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এই হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। তারা ফল উপযুক্ত না হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করা জায়েয নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
এই বিষয়ে আনাস, আয়িশা, আবূ হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, জাবির, আবূ সাঈদ ও যায়দ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এই হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। তারা ফল উপযুক্ত না হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করা জায়েয নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ১২৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا ابو الوليد، وعفان، وسليمان بن حرب، قالوا حدثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع العنب حتى يسود وعن بيع الحب حتى يشتد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه مرفوعا الا من حديث حماد بن سلمة .
১২৩১. হাসান ইবনু আলী খাললাল (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুর কালচে না হওয়া পর্যন্ত এবং শস্যদানা শক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২২১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি মারফূ’রূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নাই।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি মারফূ’রূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নাই।
হাদিস নং: ১২৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع حبل الحبلة . قال وفي الباب عن عبد الله بن عباس وابي سعيد الخدري . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وحبل الحبلة نتاج النتاج وهو بيع مفسوخ عند اهل العلم وهو من بيوع الغرر . وقد روى شعبة هذا الحديث عن ايوب عن سعيد بن جبير عن ابن عباس . وروى عبد الوهاب الثقفي وغيره عن ايوب عن سعيد بن جبير ونافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا اصح .
১২৩২. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থ বাচ্চার গর্ভ থেকে ভূমিষ্ট বাচ্চা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২১৯৭, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস ও আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। ’হাবালুল হাবালা’-এর অর্থ হলো বাচ্চার বাচ্চা। আলিমগণের মতে এই ধরণের বিক্রি বাতিল। এ হলো প্রবঞ্চনামূলক বিক্রির অন্তর্ভক্ত। শু’বা (রহঃ) এই হাদীসটিকে আয়্যূব-সাঈদ ইবনু জুবায়র- ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবদুল ওয়াহ্হাব ছাকাফী প্রমুখ আয়্যূব-সাঈদ ইবনু জুবায়র ও নাফি- ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এটই অধিকতর সাহীহ।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস ও আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। ’হাবালুল হাবালা’-এর অর্থ হলো বাচ্চার বাচ্চা। আলিমগণের মতে এই ধরণের বিক্রি বাতিল। এ হলো প্রবঞ্চনামূলক বিক্রির অন্তর্ভক্ত। শু’বা (রহঃ) এই হাদীসটিকে আয়্যূব-সাঈদ ইবনু জুবায়র- ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবদুল ওয়াহ্হাব ছাকাফী প্রমুখ আয়্যূব-সাঈদ ইবনু জুবায়র ও নাফি- ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এটই অধিকতর সাহীহ।
হাদিস নং: ১২৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، انبانا ابو اسامة، عن عبيد الله بن عمر، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الغرر وبيع الحصاة . قال وفي الباب عن ابن عمر وابن عباس وابي سعيد وانس . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا الحديث عند اهل العلم كرهوا بيع الغرر . قال الشافعي ومن بيوع الغرر بيع السمك في الماء وبيع العبد الابق وبيع الطير في السماء ونحو ذلك من البيوع . ومعنى بيع الحصاة ان يقول الباىع للمشتري اذا نبذت اليك بالحصاة فقد وجب البيع فيما بيني وبينك . وهذا شبيه ببيع المنابذة وكان هذا من بيوع اهل الجاهلية .
১২৩৩. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবঞ্চনামূলক বিক্রি এবং কংকর নিক্ষেপের* মাধ্যমে বিক্রি নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২১৯৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস আবূ সাঈদ ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তাঁরা প্রবঞ্চনামূলক বিক্রি নাজায়েয বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, পানিতে রেখে মাছ বিক্রি করা, পলাতক গোলাম বিক্রি করা, আকাশের পাখি বিক্রি করা ইত্যাদি হলো প্রবঞ্চনামূলক বিক্রির অন্তর্ভক্ত। হাসাত’ বিক্রয় হলো, বিক্রেতা ক্রেতাকে বলল, তোমার প্রতি যখন কংকর নিক্ষেপ করব তখন তোমার ও আমার মাঝে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে গণ্য হবে। এই ধরণের বিক্রয় ’মুনাবাযা’ বিক্রির সদৃশ। এগুলো ছিল জাহিলী আমলের বিক্রির প্রথা।
এই বিষয়ে ইবনু উমার, ইবনু আব্বাস আবূ সাঈদ ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তাঁরা প্রবঞ্চনামূলক বিক্রি নাজায়েয বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, পানিতে রেখে মাছ বিক্রি করা, পলাতক গোলাম বিক্রি করা, আকাশের পাখি বিক্রি করা ইত্যাদি হলো প্রবঞ্চনামূলক বিক্রির অন্তর্ভক্ত। হাসাত’ বিক্রয় হলো, বিক্রেতা ক্রেতাকে বলল, তোমার প্রতি যখন কংকর নিক্ষেপ করব তখন তোমার ও আমার মাঝে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে গণ্য হবে। এই ধরণের বিক্রয় ’মুনাবাযা’ বিক্রির সদৃশ। এগুলো ছিল জাহিলী আমলের বিক্রির প্রথা।
নোট: * জাহিলী যুগে রীতি ছিল যে, বিক্রেতা বলতঃ এই বস্তুগুলোর মধ্যে যেটিতে আমার নিক্ষিপ্ত কংকর পড়বে সেটি তোমার কাছে বিক্রি করলাম।
হাদিস নং: ১২৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيعتين في بيعة . وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وابن عمر وابن مسعود . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وقد فسر بعض اهل العلم قالوا بيعتين في بيعة . ان يقول ابيعك هذا الثوب بنقد بعشرة وبنسيىة بعشرين ولا يفارقه على احد البيعين فاذا فارقه على احدهما فلا باس اذا كانت العقدة على واحد منهما . قال الشافعي ومن معنى نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيعتين في بيعة ان يقول ابيعك داري هذه بكذا على ان تبيعني غلامك بكذا فاذا وجب لي غلامك وجب لك داري . وهذا يفارق عن بيع بغير ثمن معلوم ولا يدري كل واحد منهما على ما وقعت عليه صفقته .
১২৩৪. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-একই বিক্রিতে দুই বিক্রি নিষেধ করেছেন। - মিশকাত ২৮৬৮, ইরওয়া ৫/১৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর, ইবনু উমার ও ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। কতক আলিম এই হাদীসটির ভাষ্য করেছেন। তাঁরা বলেন, এক বিক্রিতে দুই বিক্রি শামিল কর’ কথাটির মর্ম হলো, যেমন কোন বিক্রেতা বলল, এই কাপড়টি তোমার কাছে নগদে দশ দিরহাম আর বাকীতে বিশ দিরহামে বিক্রি করলাম। এই দুটো বিক্রির মাঝে সে কিছুর ব্যবধান করল না। কিন্তু যদি একটিকেও সে আলাদা করে নেয় এবং একটি প্রস্তাবের উপর চুক্তি হয়ে যায় তবে এতে কোন দোষ নেই। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বিক্রিতে দুই বিক্রি শামিল নিষিদ্ধ করেছেন। এর উদাহরণ হল, কেউ বলল, আমি তোমার নিকট আমার এই বাড়িটি এত মূল্যে বিক্রি করলাম এই শর্তে যে, তুমি আমার নিকট তোমার গোলামটিকে এত মূল্যে বিক্রি করবে, যখন তোমার গোলাম অনিবার্যভাবে আমার হবে, আমার বাড়িটিও তোমার জন্য অনিবার্য হবে। এ হলো মূল্য নির্ধারণের পূর্বেই বিক্রি চুক্তি থেকে বিচ্চিন্ন হওয়ার শামিল। এদের কেউ জানতে পারলনা যে, কিসের উপর চুক্তি সম্পাদিত হলো। (তাই এটি জায়েয নয়)।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর, ইবনু উমার ও ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। কতক আলিম এই হাদীসটির ভাষ্য করেছেন। তাঁরা বলেন, এক বিক্রিতে দুই বিক্রি শামিল কর’ কথাটির মর্ম হলো, যেমন কোন বিক্রেতা বলল, এই কাপড়টি তোমার কাছে নগদে দশ দিরহাম আর বাকীতে বিশ দিরহামে বিক্রি করলাম। এই দুটো বিক্রির মাঝে সে কিছুর ব্যবধান করল না। কিন্তু যদি একটিকেও সে আলাদা করে নেয় এবং একটি প্রস্তাবের উপর চুক্তি হয়ে যায় তবে এতে কোন দোষ নেই। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বিক্রিতে দুই বিক্রি শামিল নিষিদ্ধ করেছেন। এর উদাহরণ হল, কেউ বলল, আমি তোমার নিকট আমার এই বাড়িটি এত মূল্যে বিক্রি করলাম এই শর্তে যে, তুমি আমার নিকট তোমার গোলামটিকে এত মূল্যে বিক্রি করবে, যখন তোমার গোলাম অনিবার্যভাবে আমার হবে, আমার বাড়িটিও তোমার জন্য অনিবার্য হবে। এ হলো মূল্য নির্ধারণের পূর্বেই বিক্রি চুক্তি থেকে বিচ্চিন্ন হওয়ার শামিল। এদের কেউ জানতে পারলনা যে, কিসের উপর চুক্তি সম্পাদিত হলো। (তাই এটি জায়েয নয়)।
হাদিস নং: ১২৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا هشيم، عن ابي بشر، عن يوسف بن ماهك، عن حكيم بن حزام، قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت ياتيني الرجل يسالني من البيع ما ليس عندي ابتاع له من السوق ثم ابيعه قال " لا تبع ما ليس عندك " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمر .
১২৩৫. কুতায়বা (রহঃ) ...... হাকীম ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম, আমার কাছে কোন কোন লোক এসে এমন জ্বীনিষও কিনতে চায় যা আমার কাছে নেই। এমতাবস্থায় আমি কি তার জন্য বাজার থেকে কিনে পরে তার নিকট বিক্রি করতে পারি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যা তোমার হাতে নেই তা বিক্রি করবে না। এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১২৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن يوسف بن ماهك، عن حكيم بن حزام، قال نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ابيع ما ليس عندي . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن . قال اسحاق بن منصور قلت لاحمد ما معنى نهى عن سلف وبيع قال ان يكون يقرضه قرضا ثم يبايعه عليه بيعا يزداد عليه ويحتمل ان يكون يسلف اليه في شيء فيقول ان لم يتهيا عندك فهو بيع عليك . قال اسحاق يعني ابن راهويه كما قال قلت لاحمد وعن بيع ما لم تضمن قال لا يكون عندي الا في الطعام ما لم تقبض . قال اسحاق كما قال في كل ما يكال او يوزن . قال احمد اذا قال ابيعك هذا الثوب وعلى خياطته وقصارته فهذا من نحو شرطين في بيع واذا قال ابيعكه وعلى خياطته فلا باس به او قال ابيعكه وعلى قصارته فلا باس به انما هو شرط واحد . قال اسحاق كما قال .
১২৩৬. কুতায়বা (রহঃ) ...... হাকীম ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যা আমার হাতে নেই তা বিক্রি করতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ)-কে বললাম, ’একই সঙ্গে ঋণ ও বিক্রয় করা তিনি নিষেধ করেছেন’’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, কাউকে ঋণ প্রদানের পর অতিরিক্ত মূল্যে তার নিকট কিছু বিক্রয় করা। কিংবা এর উদাহরণ এটিও হতে পারে যে, কোন কিছু (রেহেন) রেখে কাউকে কিছু কর্য দিল এবং বলল, যদি ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে না পার তবে ঐ জ্বীনিষটি বিক্রীত বলে গণ্য হবে।
ইসহাক (রহঃ) আরো বলেন, আমি আহমদ (রহঃ)-কে বললাম, লোকসানের দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত বিক্রয় হয় না’’-এই কথার মর্ম কি? তিনি বললেন, আমার মতে খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেই কেবল এটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ হস্তগত না করা পর্যন্ত-এর বিক্রয় জায়েয নয়। ইসহাক (রহঃ) বলেন, দাড়িপাল্লা বা পাত্র দ্বারা যে সব দ্রব্য ওজন করা হয় সেই সবই এর মধ্যে শামিল।
আহমাদ (রহঃ) বলেন, যদি কেউ বলে, এই কাপড়টি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম আর এটি সেলাই করা এবং ধুয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব। এরূপ করা একই বিক্রয়ে দুই শর্ত করার শামিল। আর যদি বলে, ’’এটি আমি তোমার নিকট বিক্রি করলাম, আমার দায়িত্ব" তবে এতে দোষ নেই। যদি বলে এটি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম, আমার দায়িত্ব হলো এটি ধৌত করে দেওয়া’’ তবুও কোন দোষ নাই। কারণ এ হলো একটি শর্ত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ)-কে বললাম, ’একই সঙ্গে ঋণ ও বিক্রয় করা তিনি নিষেধ করেছেন’’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, কাউকে ঋণ প্রদানের পর অতিরিক্ত মূল্যে তার নিকট কিছু বিক্রয় করা। কিংবা এর উদাহরণ এটিও হতে পারে যে, কোন কিছু (রেহেন) রেখে কাউকে কিছু কর্য দিল এবং বলল, যদি ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে না পার তবে ঐ জ্বীনিষটি বিক্রীত বলে গণ্য হবে।
ইসহাক (রহঃ) আরো বলেন, আমি আহমদ (রহঃ)-কে বললাম, লোকসানের দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত বিক্রয় হয় না’’-এই কথার মর্ম কি? তিনি বললেন, আমার মতে খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেই কেবল এটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ হস্তগত না করা পর্যন্ত-এর বিক্রয় জায়েয নয়। ইসহাক (রহঃ) বলেন, দাড়িপাল্লা বা পাত্র দ্বারা যে সব দ্রব্য ওজন করা হয় সেই সবই এর মধ্যে শামিল।
আহমাদ (রহঃ) বলেন, যদি কেউ বলে, এই কাপড়টি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম আর এটি সেলাই করা এবং ধুয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব। এরূপ করা একই বিক্রয়ে দুই শর্ত করার শামিল। আর যদি বলে, ’’এটি আমি তোমার নিকট বিক্রি করলাম, আমার দায়িত্ব" তবে এতে দোষ নেই। যদি বলে এটি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম, আমার দায়িত্ব হলো এটি ধৌত করে দেওয়া’’ তবুও কোন দোষ নাই। কারণ এ হলো একটি শর্ত।
হাদিস নং: ১২৩৭
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، حدثنا ايوب، حدثنا عمرو بن شعيب، قال حدثني ابي، عن ابيه، حتى ذكر عبد الله بن عمرو ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل سلف وبيع ولا شرطان في بيع ولا ربح ما لم يضمن ولا بيع ما ليس عندك " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح . قال ابو عيسى حديث حكيم بن حزام حديث حسن قد روي عنه من غير وجه . روى ايوب السختياني وابو بشر عن يوسف بن ماهك عن حكيم بن حزام . قال ابو عيسى وروى هذا الحديث عوف وهشام بن حسان عن ابن سيرين عن حكيم بن حزام عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا حديث مرسل انما رواه ابن سيرين عن ايوب السختياني عن يوسف بن ماهك عن حكيم بن حزام .
১২৩৭. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক সঙ্গে ঋণ ও বিক্রি হালাল নয়। এক বিক্রিতে দুই ধরণের শর্ত করা এবং যিমান’ বা লোকসানের দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত লাভ জাইয নয়। আর তোমার হাতে যা নেই তা বিক্রি করাও বৈধ নয়। - ইবনু মাজাহ ২১৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ), বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাকীম ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। আয়্যূব আস-সাখতিয়ানী ও হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ) এটিকে ইবনু সীরীন- হাকীম ইবনু হিযাম সূত্রে - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, এই সনদটি মুরসাল। আসলে সনদটি হলো ইবনু সীরীন (রহঃ) এটিকে আয়্যূব আস সাখতিয়ানী-ইউসূফ ইবনু মাহাক-হামীক ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনূরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ), বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাকীম ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। আয়্যূব আস-সাখতিয়ানী ও হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ) এটিকে ইবনু সীরীন- হাকীম ইবনু হিযাম সূত্রে - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, এই সনদটি মুরসাল। আসলে সনদটি হলো ইবনু সীরীন (রহঃ) এটিকে আয়্যূব আস সাখতিয়ানী-ইউসূফ ইবনু মাহাক-হামীক ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনূরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ১২৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، وعبدة بن عبد الله الخزاعي البصري ابو سهل، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، عن يزيد بن ابراهيم، عن ابن سيرين، عن ايوب، عن يوسف بن ماهك، عن حكيم بن حزام، قال نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ابيع ما ليس عندي . قال ابو عيسى وروى وكيع هذا الحديث عن يزيد بن ابراهيم عن ابن سيرين عن ايوب عن حكيم بن حزام . ولم يذكر فيه عن يوسف بن ماهك ورواية عبد الصمد اصح . وقد روى يحيى بن ابي كثير هذا الحديث عن يعلى بن حكيم عن يوسف بن ماهك عن عبد الله بن عصمة عن حكيم بن حزام عن النبي صلى الله عليه وسلم . والعمل على هذا الحديث عند اكثر اهل العلم كرهوا ان يبيع الرجل ما ليس عنده .
১২৩৮. হাসান ইবনু আলী খাল্লাল, আবদা ইবনু আবদুল্লাহ ও অন্যেরা (রহঃ) ...... হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যা আমার হাতে নেই তা বিক্রি করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ওয়াকী’ (রহঃ) এই হাদীসটিকে ইয়াযীদ ইবনু ইবরাহীম-ইবনু সীরীন-আয়্যূব-হাকীম ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে এই সনদে ইউসূফ ইবনু মাহাক-এর উল্লেখ নেই। আবদুস-সামাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াদটি (১২৩৮ নং) অধিকতর সাহীহ। ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছির এই হাদীসটি ইয়া’লা ইবনু হাকীম-ইউসূফ ইবনু মাহাক-আবদুল্লাহ ইবনু ইসমা-হাকীম ইবনু হিযাম সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। অধিকাংশ আলিমের আমল এই হাদীস অনুসারে রয়েছে। তাঁরা যে জ্বীনিষ হাতে নাই তা বিক্রি করা অপছন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।
ওয়াকী’ (রহঃ) এই হাদীসটিকে ইয়াযীদ ইবনু ইবরাহীম-ইবনু সীরীন-আয়্যূব-হাকীম ইবনু হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে এই সনদে ইউসূফ ইবনু মাহাক-এর উল্লেখ নেই। আবদুস-সামাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াদটি (১২৩৮ নং) অধিকতর সাহীহ। ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছির এই হাদীসটি ইয়া’লা ইবনু হাকীম-ইউসূফ ইবনু মাহাক-আবদুল্লাহ ইবনু ইসমা-হাকীম ইবনু হিযাম সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। অধিকাংশ আলিমের আমল এই হাদীস অনুসারে রয়েছে। তাঁরা যে জ্বীনিষ হাতে নাই তা বিক্রি করা অপছন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।
হাদিস নং: ১২৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، قال حدثنا سفيان، وشعبة، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وهبته . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه الا من حديث عبد الله بن دينار عن ابن عمر . والعمل على هذا الحديث عند اهل العلم . وقد روى يحيى بن سليم هذا الحديث عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم انه نهى عن بيع الولاء وهبته . وهو وهم وهم فيه يحيى بن سليم . وروى عبد الوهاب الثقفي وعبد الله بن نمير وغير واحد عن عبيد الله بن عمر عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا اصح من حديث يحيى بن سليم .
১২৩৯. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ালা বিক্রি করা এবং তা হেবা করা নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২৭৪৭, ২৭৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার- ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়ম এই হাদীসটিকে উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার-নাফি-ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ’ওয়ালা’ বিক্রি ও তা হেবা করা নিষেধ করেছেন। কিন্তু এই সনদটিতে বিভ্রান্তি বিদ্যমান। এতে (উবায়দুল্লাহ্ ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাঝে নাফি’-এর উল্লেখ করে) ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়মান ভূল করেছেন। আবদুল ওয়াহহাব ছাকাফী, আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র প্রমূখ এটিকে উবায়দুল্লাহ্ ইবনু উমার-আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার -ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়ম (রহঃ) এর রিওয়ায়াত থেকে অধিকতর সাহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার- ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়ম এই হাদীসটিকে উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার-নাফি-ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ’ওয়ালা’ বিক্রি ও তা হেবা করা নিষেধ করেছেন। কিন্তু এই সনদটিতে বিভ্রান্তি বিদ্যমান। এতে (উবায়দুল্লাহ্ ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাঝে নাফি’-এর উল্লেখ করে) ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়মান ভূল করেছেন। আবদুল ওয়াহহাব ছাকাফী, আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র প্রমূখ এটিকে উবায়দুল্লাহ্ ইবনু উমার-আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার -ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়ম (রহঃ) এর রিওয়ায়াত থেকে অধিকতর সাহীহ।
হাদিস নং: ১২৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو موسى، محمد بن مثنى حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن حماد بن سلمة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الحيوان بالحيوان نسيىة . قال وفي الباب عن ابن عباس وجابر وابن عمر . قال ابو عيسى حديث سمرة حديث حسن صحيح . وسماع الحسن من سمرة صحيح هكذا قال علي بن المديني وغيره . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في بيع الحيوان بالحيوان نسيىة وهو قول سفيان الثوري واهل الكوفة وبه يقول احمد . وقد رخص بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في بيع الحيوان بالحيوان نسيىة وهو قول الشافعي واسحاق .
১২৪০. আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবনু মুছাননা (রহঃ) ..... সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকীতে কোন জন্তুর বিনিময়ে জন্তু বিক্রি করা নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২২৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, জাবির, ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাসান (রহঃ) এর হাদীস শ্রবণও সত্য। আলী ইবনু মাদীনী ও অন্যান্যরাও এরূপ বলেছেন। বাকীতে জন্তুর বিনিময়ে জন্তু বিক্রি করা সম্পর্কে অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের আমল এই হাদীস অনুসারে রয়েছে। এ হলো ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ও কূফাবাসী আলিমগণের অভিমত। ইমাম আহমাদ (রহঃ) ও এরূপ বক্তব্য প্রদান করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম বাকীতে কোন জন্তুর বিনিময়ে কোন জন্তু বিক্রি করার অবকাশ রেখেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, জাবির, ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাসান (রহঃ) এর হাদীস শ্রবণও সত্য। আলী ইবনু মাদীনী ও অন্যান্যরাও এরূপ বলেছেন। বাকীতে জন্তুর বিনিময়ে জন্তু বিক্রি করা সম্পর্কে অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের আমল এই হাদীস অনুসারে রয়েছে। এ হলো ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ও কূফাবাসী আলিমগণের অভিমত। ইমাম আহমাদ (রহঃ) ও এরূপ বক্তব্য প্রদান করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম বাকীতে কোন জন্তুর বিনিময়ে কোন জন্তু বিক্রি করার অবকাশ রেখেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ১২৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث، حدثنا عبد الله بن نمير، عن الحجاج، وهو ابن ارطاة عن ابي الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الحيوان اثنان بواحد لا يصلح نسيىا ولا باس به يدا بيد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১২৪১. আবূ আম্মার হুসায়ন ইবনু হুরায়ছ (রহঃ) ...... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক জন্তুর বিনিময়ে দুটো জন্তু বিক্রি বাকীতে ঠিক নয়, তবে দস্তবদস্ত (নগদ) হলে তাতে কোন দোষ নাই। - ইবনু মাজাহ ২২৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১২৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، اخبرنا الليث، عن ابي الزبير، عن جابر، قال جاء عبد فبايع النبي صلى الله عليه وسلم على الهجرة ولا يشعر النبي صلى الله عليه وسلم انه عبد فجاء سيده يريده فقال النبي صلى الله عليه وسلم " بعنيه " . فاشتراه بعبدين اسودين ثم لم يبايع احدا بعد حتى يساله اعبد هو قال وفي الباب عن انس . قال ابو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم انه لا باس بعبد بعبدين يدا بيد . واختلفوا فيه اذا كان نسيىا .
১২৪২. কুতায়বা (রহঃ) ...... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একটি দাস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তাঁর কাছে হিজরতের উপর বায়আত হয়। সে যে একজন দাস এই কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুঝতে পারেন নি। অনন্তর এই দাসটির মালিক এসে এটিকে নিয়ে যেতে চাইলে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, এটি আমার কাছে বিক্রি করে দাও। অনন্তর তিনি এটিকে দুজন কাল গোলামের বিনিময়ে কিনে নেন। এরপর থেকে তিনি, গোলাম কি-না এই কথা জিজ্ঞাসা না করে কাউকে বায়আত করতেন না। - মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এতদনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে যে দস্ত বদস্ত (নগদ) হলে দুজন দাসের বিনিময়ে একজন দাস ক্রয়ে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু বাকীতে হলে তাদের মতবিরোধ রয়েছে।
এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এতদনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে যে দস্ত বদস্ত (নগদ) হলে দুজন দাসের বিনিময়ে একজন দাস ক্রয়ে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু বাকীতে হলে তাদের মতবিরোধ রয়েছে।
হাদিস নং: ১২৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، حدثنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا سفيان، عن خالد الحذاء، عن ابي قلابة، عن ابي الاشعث، عن عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الذهب بالذهب مثلا بمثل والفضة بالفضة مثلا بمثل والتمر بالتمر مثلا بمثل والبر بالبر مثلا بمثل والملح بالملح مثلا بمثل والشعير بالشعير مثلا بمثل فمن زاد او ازداد فقد اربى بيعوا الذهب بالفضة كيف شىتم يدا بيد وبيعوا البر بالتمر كيف شىتم يدا بيد وبيعوا الشعير بالتمر كيف شىتم يدا بيد " . قال وفي الباب عن ابي سعيد وابي هريرة وبلال وانس . قال ابو عيسى حديث عبادة حديث حسن صحيح . وقد روى بعضهم هذا الحديث عن خالد بهذا الاسناد وقال " بيعوا البر بالشعير كيف شىتم يدا بيد " . وروى بعضهم هذا الحديث عن خالد عن ابي قلابة عن ابي الاشعث عن عبادة عن النبي صلى الله عليه وسلم الحديث وزاد فيه قال خالد قال ابو قلابة " بيعوا البر بالشعير كيف شىتم " فذكر الحديث . والعمل على هذا عند اهل العلم لا يرون ان يباع البر بالبر الا مثلا بمثل والشعير بالشعير الا مثلا بمثل فاذا اختلف الاصناف فلا باس ان يباع متفاضلا اذا كان يدا بيد . وهذا قول اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول سفيان الثوري والشافعي واحمد واسحاق . قال الشافعي والحجة في ذلك قول النبي صلى الله عليه وسلم " بيعوا الشعير بالبر كيف شىتم يدا بيد " . قال ابو عيسى وقد كره قوم من اهل العلم ان تباع الحنطة بالشعير الا مثلا بمثل . وهو قول مالك بن انس والقول الاول اصح .
১২৪৩. সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ..... উবাদা ইবনুুস সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ হলে সমপরিমাণ হতে হবে, রূপা হলে সমপরিমাণ হতে হবে, খেজুরের বিনিময়ে খেজুর হলে সমপরিমাণ হতে হবে, গমের বিনিময়ে গম হলে সমপরিমাণ হতে হবে, নিমকের বিনিময়ে নিমক হলে সমপরিমাণ হতে হবে, যবের বিনিময়ে যব হলে সমপরিমাণ হতে হবে। এইসব ক্ষেত্রে কেউ অতিরিক্ত দিলে বা অতিরিক্ত চাইলে তা হবে সূদ। তোমার দস্ত বদস্ত (নগদ) হলে রূপার বিনিময়ে স্বর্ণ যেভাবে ইচ্ছা বিক্রয় করতে পারে; দস্ত বদস্ত হলে খেজুরের বিনিময়ে গম যদৃচ্ছা বিক্রি করতে পার; দস্ত বদস্ত হলে খেজুরের বিনিময়ে যব যেভাবে ইচ্ছা বিক্রি করতে পার। - ইবনু মাজাহ ২২৫৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা, বিলাল ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবু ঈসা (রহঃ) বলেন উবাদা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে খালিদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। এতে আছে, তোমরা দস্ত বদস্ত হলে যবের বিনিময়ে গম যেভাবে ইচ্ছা বিক্রি করতে পার। কেউ কেউ এই হাদীসটিকে খালিদ- আবূ কিলারা- আবূল আশআছ- উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে অতিরিক্ত আছে যে, খালিদ বলেন, আবূ কিলাবা বলেছেন, যবের বিনিময়ে গম হলে যেভাবে ইচ্ছা বিক্রি করতে পার......।
এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তারা উভয় দিকে সমপরিমাণ না হওয়া ছাড়া গমের বিনিময়ে গম, যবের বিনিময়ে যব বিক্রি জায়েয বলে মনে করেন না। কিন্তু যদি জাত বিভিন্ন হয় তবে দস্ত বদস্ত হলে অতিরিক্ত প্রদান করায় কোন অসুবিধা আছে বলে মনে করেন না। এ হলো অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের অভিমত। সুফইয়ান ছাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-ও এইমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শফিঈ (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে দলীল হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী, দস্তবদস্ত হলে গমের বিনিময়ে যব যদৃচ্ছ বিক্রি করতে পার। কতক আলিম, যবের বিনিময়ে গমের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করা হারাম বলে মনে করেন। এ হলো ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর অভিমত। কিন্তু প্রথমোক্ত অভিমতটি অধিকতর সাহীহ।
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা, বিলাল ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবু ঈসা (রহঃ) বলেন উবাদা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে খালিদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। এতে আছে, তোমরা দস্ত বদস্ত হলে যবের বিনিময়ে গম যেভাবে ইচ্ছা বিক্রি করতে পার। কেউ কেউ এই হাদীসটিকে খালিদ- আবূ কিলারা- আবূল আশআছ- উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে অতিরিক্ত আছে যে, খালিদ বলেন, আবূ কিলাবা বলেছেন, যবের বিনিময়ে গম হলে যেভাবে ইচ্ছা বিক্রি করতে পার......।
এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তারা উভয় দিকে সমপরিমাণ না হওয়া ছাড়া গমের বিনিময়ে গম, যবের বিনিময়ে যব বিক্রি জায়েয বলে মনে করেন না। কিন্তু যদি জাত বিভিন্ন হয় তবে দস্ত বদস্ত হলে অতিরিক্ত প্রদান করায় কোন অসুবিধা আছে বলে মনে করেন না। এ হলো অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের অভিমত। সুফইয়ান ছাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-ও এইমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শফিঈ (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে দলীল হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী, দস্তবদস্ত হলে গমের বিনিময়ে যব যদৃচ্ছ বিক্রি করতে পার। কতক আলিম, যবের বিনিময়ে গমের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করা হারাম বলে মনে করেন। এ হলো ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর অভিমত। কিন্তু প্রথমোক্ত অভিমতটি অধিকতর সাহীহ।
হাদিস নং: ১২৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، اخبرنا حسين بن محمد، اخبرنا شيبان، عن يحيى بن ابي كثير، عن نافع، قال انطلقت انا وابن، عمر الى ابي سعيد فحدثنا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سمعته اذناى هاتان يقول " لا تبيعوا الذهب بالذهب الا مثلا بمثل والفضة بالفضة الا مثلا بمثل لا يشف بعضه على بعض ولا تبيعوا منه غاىبا بناجز " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي بكر وعمر وعثمان وابي هريرة وهشام بن عامر والبراء وزيد بن ارقم وفضالة بن عبيد وابي بكرة وابن عمر وابي الدرداء وبلال . قال وحديث ابي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم في الربا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم الا ما روي عن ابن عباس انه كان لا يرى باسا ان يباع الذهب بالذهب متفاضلا والفضة بالفضة متفاضلا اذا كان يدا بيد . وقال انما الربا في النسيىة . وكذلك روي عن بعض اصحابه شيء من هذا وقد روي عن ابن عباس انه رجع عن قوله حين حدثه ابو سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم . والقول الاول اصح . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق . وروي عن ابن المبارك انه قال ليس في الصرف اختلاف .
১২৪৪. আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ...... নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের হাদীস বর্ণনা করে বলেন, আমার এই দু’কান রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, সমপরিমাণ না হওয়া ব্যতিরেকে তোমরা স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ বিক্রি করবে না, সমপরিমাণ না হওয়া ব্যতিরেকে তোমরা রূপার বিনিময়ে রূপার বিক্রি করবে না। কতকের উপর কতক যেন অতিরিক্ত না হয়। আর এর নগদের বদলে বাকী বিক্রি করবে না। - ইরওয়া ৫/১৮৯, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ বকর, উমার, উছমান, আবূ হুরায়রা হিশাম ইবনু আমির, বারা, যায়দ ইবনু আরকাম, ফাযালা ইবনু উবায়দ, আবূ বকরা, ইবনু উমার, আবূদ দারদা ও বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এই হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। তবে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি দস্তবদস্ত হলে স্বর্ণের বিনিময়ে অতিরিক্ত পরিমাণ স্বর্ণ বা রূপার বিনিময়ে অতিরিক্ত পরিমাণ রূপা বিক্রিতে কোন দোষ আছে মনে করেন না। তিনি বলেন, সূদ হয় বাকীতে বিক্রয়ে। কতক সাহাবী থেকেও এমন ধরণের কিছু বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, আবূ সাঈদ খুদরী তাঁকে এই হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালে তিনি তাঁর পূর্বমত প্রত্যাহার করেন। প্রথমোক্ত মতটই অধিকতর সাহীহ। এতদনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। এ হলো ইমাম সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসাক (রহঃ)-এর অভিমত। ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মুদ্রা বিনিময়ের ক্ষেত্রে কোন মতভেদ নাই।
এই বিষয়ে আবূ বকর, উমার, উছমান, আবূ হুরায়রা হিশাম ইবনু আমির, বারা, যায়দ ইবনু আরকাম, ফাযালা ইবনু উবায়দ, আবূ বকরা, ইবনু উমার, আবূদ দারদা ও বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এই হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। তবে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি দস্তবদস্ত হলে স্বর্ণের বিনিময়ে অতিরিক্ত পরিমাণ স্বর্ণ বা রূপার বিনিময়ে অতিরিক্ত পরিমাণ রূপা বিক্রিতে কোন দোষ আছে মনে করেন না। তিনি বলেন, সূদ হয় বাকীতে বিক্রয়ে। কতক সাহাবী থেকেও এমন ধরণের কিছু বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, আবূ সাঈদ খুদরী তাঁকে এই হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালে তিনি তাঁর পূর্বমত প্রত্যাহার করেন। প্রথমোক্ত মতটই অধিকতর সাহীহ। এতদনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। এ হলো ইমাম সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসাক (রহঃ)-এর অভিমত। ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মুদ্রা বিনিময়ের ক্ষেত্রে কোন মতভেদ নাই।