অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সুনান আত তিরমিজী
নসব সূত্রে যারা হারাম রাযাআতে (দুগ্ধপান) সূত্রেও তারা হারাম।
মোট ২৯ টি হাদিস
হাদিস নং: ১১৬৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، وغير، واحد، قالوا حدثنا وكيع، عن عبد الملك بن مسلم، وهو ابن سلام عن ابيه، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا فسا احدكم فليتوضا ولا تاتوا النساء في اعجازهن " . قال ابو عيسى وعلي هذا هو علي بن طلق .
১১৬৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... প্রমুখ ওয়াকী (রহঃ) সূত্রে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো বায়ূ নিঃসরন হলে সে যেন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে নেয় আর তোমরা পশ্চাৎদ্বার দিয়ে স্ত্রীগমন করবে না। - যইফ আবু দাউদ ২৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন আলী ইবনু তালক রাদিয়াল্লাহু আনহু।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন আলী ইবনু তালক রাদিয়াল্লাহু আনহু।
হাদিস নং: ১১৬৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عيسى بن يونس، عن موسى بن عبيدة، عن ايوب بن خالد، عن ميمونة بنت سعد، وكانت، خادما للنبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل الرافلة في الزينة في غير اهلها كمثل ظلمة يوم القيامة لا نور لها " . قال ابو عيسى هذا حديث لا نعرفه الا من حديث موسى بن عبيدة . وموسى بن عبيدة يضعف في الحديث من قبل حفظه وهو صدوق . وقد رواه بعضهم عن موسى بن عبيدة ولم يرفعه .
১১৬৮. আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাদিমা মায়মূনা বিনত সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে নারী তার পরিবারের লোকদের বাইরে সুসজ্জিতা হয়ে ঠাঠ-ঠমকে চলে, তার উদাহরণ হলো কিয়ামত দিবসের আঁধারের মত। সে দিন তার জন্য কোন আলো থাকবে না। - যইফা ১৮০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৬৭[আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মূসা ইবনু উবায়দা (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এই হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। আর মূসা ইবনু উবায়দা তাঁর স্মরণ শক্তির (দুর্বলতার) কারণে হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ, যদিও তিনি খুবই সত্যবাদী। ইমাম শু’বা ও ছাওরী (রহঃ) ও তাঁর বরাতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটি কেউ কেউ মূসা ইবনু উবায়দা থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁরা তা মারফু’রূপে করেননি।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মূসা ইবনু উবায়দা (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এই হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। আর মূসা ইবনু উবায়দা তাঁর স্মরণ শক্তির (দুর্বলতার) কারণে হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ, যদিও তিনি খুবই সত্যবাদী। ইমাম শু’বা ও ছাওরী (রহঃ) ও তাঁর বরাতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটি কেউ কেউ মূসা ইবনু উবায়দা থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁরা তা মারফু’রূপে করেননি।
হাদিস নং: ১১৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا سفيان بن حبيب، عن الحجاج الصواف، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله يغار والمومن يغار وغيرة الله ان ياتي المومن ما حرم عليه " . قال وفي الباب عن عاىشة وعبد الله بن عمر . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن غريب . وقد روي عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن عروة عن اسماء بنت ابي بكر عن النبي صلى الله عليه وسلم هذا الحديث وكلا الحديثين صحيح . والحجاج الصواف هو الحجاج بن ابي عثمان وابو عثمان اسمه ميسرة والحجاج يكنى ابا الصلت وثقه يحيى بن سعيد القطان . حدثنا ابو بكر العطار عن علي بن المديني قال سالت يحيى بن سعيد القطان عن حجاج الصواف فقال ثقة فطن كيس .
১১৬৯. হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলা গায়রত সম্পন্ন আর মুমিনও গায়রাত সম্পন্ন (আত্মমর্য্যাদায় আঘাত হলে যে মানসিক অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে গায়রত বলে।)। মুমিন যখন কোন হারাম কাজে লিপ্ত হয় তখন হয় আল্লাহর গায়রত। - বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা ও আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর-আবূ সালামা-উরওয়া-আসমা বিনত আবী বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু -নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। উভয় রিওয়ায়াতই সাহীহ। রাবী হাজ্জাজ সাওওয়াফ হলেন হাজ্জাজ ইবনু আবূ উছমান। আবূ উছমানের নাম হলো মায়সারা, হাজ্জাজের কুনিয়াত বা উপনাম হলো আবূস-সালত। ইমাম ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান তাঁকে ’ছিকাহ’ বা নির্ভরযোগ্য রাবী বলেছেন। আবূ বকর আত্তার (রহঃ) আলী ইবনু আবদিল্লাহ্ মাদানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাজ্জাজ সাওয়াফ সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ কাত্তান (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, হাজ্জাজ সাওওয়াফ বুদ্ধিমান ও সতর্ক।
এই বিষয়ে আয়িশা ও আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর-আবূ সালামা-উরওয়া-আসমা বিনত আবী বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু -নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। উভয় রিওয়ায়াতই সাহীহ। রাবী হাজ্জাজ সাওওয়াফ হলেন হাজ্জাজ ইবনু আবূ উছমান। আবূ উছমানের নাম হলো মায়সারা, হাজ্জাজের কুনিয়াত বা উপনাম হলো আবূস-সালত। ইমাম ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান তাঁকে ’ছিকাহ’ বা নির্ভরযোগ্য রাবী বলেছেন। আবূ বকর আত্তার (রহঃ) আলী ইবনু আবদিল্লাহ্ মাদানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাজ্জাজ সাওয়াফ সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ কাত্তান (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, হাজ্জাজ সাওওয়াফ বুদ্ধিমান ও সতর্ক।
হাদিস নং: ১১৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تسافر سفرا يكون ثلاثة ايام فصاعدا الا ومعها ابوها او اخوها او زوجها او ابنها او ذو محرم منها " . وفي الباب عن ابي هريرة وابن عباس وابن عمر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لا تسافر المراة مسيرة يوم وليلة الا مع ذي محرم " . والعمل على هذا عند اهل العلم يكرهون للمراة ان تسافر الا مع ذي محرم . واختلف اهل العلم في المراة اذا كانت موسرة ولم يكن لها محرم هل تحج . فقال بعض اهل العلم لا يجب عليها الحج لان المحرم من السبيل لقول الله عز وجل : ( لمن استطاع اليه سبيلا ) فقالوا اذا لم يكن لها محرم فلا تستطيع اليه سبيلا . وهو قول سفيان الثوري واهل الكوفة . وقال بعض اهل العلم اذا كان الطريق امنا فانها تخرج مع الناس في الحج . وهو قول مالك بن انس والشافعي .
১১৭০. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে নারী আল্লাহ্ এবং শেষ দিনে ঈমান রাখে তার জন্য পিতা, ভ্রাতা, স্বামী, পুত্র বা যাকে বিয়ে করা হারাম এমন ব্যক্তির সঙ্গে ছাড়া তিন দিন বা ততোধিক দিনের সফর করা বিধেয় নয়। - ইবনু মাজাহ ২৮৯৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে তিনি বলেন, মুহাররাম (যার সঙ্গে বিবাহ হারাম) ছাড়া কারো সঙ্গে কোন মহিলা একদিন একরাত সফর করবে না। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তারা মুহাররাম পুরুষ সঙ্গী ছাড়া মহিলাদের সফর না জায়িয মনে করেন। কোন মহিলা যদি সম্পদশালীনী হন আর তার কোন মুহাররাম পুরুষ আত্মীয় না থাকে তবে তার হজ্জ করতে হবে কি-না এই বিষয়ে আলিমদের মতভেদ রয়েছে।
কোন কোন আলিম বলেন, তার উপর হজ্জ ফরয নয়। মুহাররাম পাওয়াও কুরআনে উল্লেখিত ’পথের সামর্থ’ পাওয়ার শামিল। কারণ, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, (হাজ্জ তার উপর ফরয) যে পাথের সামর্থ্য রাখে। সুতরাং যদি মুহাররাম সঙ্গী না পায় তবে তার পথের সামর্থও হলো না। এ হলো, ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের অভিমত। কতক আলিম বলেন, পথ যদি নিরাপদ হয় তবে ঐ মহিলা অন্যান্য লোকদের সাথে হজ্জ করতে বের হবে। এ হলো, ইমাম মালিক ইবনু আনাস ও শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে তিনি বলেন, মুহাররাম (যার সঙ্গে বিবাহ হারাম) ছাড়া কারো সঙ্গে কোন মহিলা একদিন একরাত সফর করবে না। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তারা মুহাররাম পুরুষ সঙ্গী ছাড়া মহিলাদের সফর না জায়িয মনে করেন। কোন মহিলা যদি সম্পদশালীনী হন আর তার কোন মুহাররাম পুরুষ আত্মীয় না থাকে তবে তার হজ্জ করতে হবে কি-না এই বিষয়ে আলিমদের মতভেদ রয়েছে।
কোন কোন আলিম বলেন, তার উপর হজ্জ ফরয নয়। মুহাররাম পাওয়াও কুরআনে উল্লেখিত ’পথের সামর্থ’ পাওয়ার শামিল। কারণ, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, (হাজ্জ তার উপর ফরয) যে পাথের সামর্থ্য রাখে। সুতরাং যদি মুহাররাম সঙ্গী না পায় তবে তার পথের সামর্থও হলো না। এ হলো, ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের অভিমত। কতক আলিম বলেন, পথ যদি নিরাপদ হয় তবে ঐ মহিলা অন্যান্য লোকদের সাথে হজ্জ করতে বের হবে। এ হলো, ইমাম মালিক ইবনু আনাস ও শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ১১৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا بشر بن عمر، حدثنا مالك بن انس، عن سعيد بن ابي سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تسافر امراة مسيرة يوم وليلة الا ومعها ذو محرم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১১৭১. হাসান ইবনু আলী খাল্লাল (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুহাররাম ছাড়া কোন স্ত্রীলোক যেন একদিন একরাত পরিমাণ সফর না করে। - ইবনু মাজাহ ২৮৯৯, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১১৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي الخير، عن عقبة بن عامر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اياكم والدخول على النساء " . فقال رجل من الانصار يا رسول الله افرايت الحمو قال " الحمو الموت " . قال وفي الباب عن عمر وجابر وعمرو بن العاص . قال ابو عيسى حديث عقبة بن عامر حديث حسن صحيح . وانما معنى كراهية الدخول على النساء على نحو ما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يخلون رجل بامراة الا كان ثالثهما الشيطان " . ومعنى قوله " الحمو " . يقال هو اخو الزوج كانه كره له ان يخلو بها .
১১৭২. কুতায়বা (রহঃ) ..... উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন, তোমরা স্ত্রীলোকদের কাছে যাওয়া থেকে বেচে থাকবে। তখন জনৈক আনসার বললেন, দেবর সম্পর্কে কি মনে করেন? তিনি বললেন, দেবর তো মওত (মৃত্যুকে যেমন ভয় করা হয় দেবরের সম্পর্কও তেমনি ভয় পাওয়া উচিত।)। - গায়াতুল মারাম ১৮১, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, জাবির, আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। স্ত্রীলোকদের কাছে যাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ার অর্থ এই হাদীসের অনুরূপ যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, কোন পুরুষ যখন কোন স্ত্রীলোকের সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করে তখন এদের সঙ্গে অবশ্যই তৃতীয় জন থাকে শয়তান। الْحَمْوُ’ অর্থ স্বামীর ভাই, দেবর। এই বাক্যটির মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেবরের সঙ্গেও একাকী হতে নিষেধ করেছেন।
এই বিষয়ে উমার, জাবির, আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। স্ত্রীলোকদের কাছে যাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ার অর্থ এই হাদীসের অনুরূপ যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, কোন পুরুষ যখন কোন স্ত্রীলোকের সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করে তখন এদের সঙ্গে অবশ্যই তৃতীয় জন থাকে শয়তান। الْحَمْوُ’ অর্থ স্বামীর ভাই, দেবর। এই বাক্যটির মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেবরের সঙ্গেও একাকী হতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস নং: ১১৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، حدثنا عيسى بن يونس، عن مجالد، عن الشعبي، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تلجوا على المغيبات فان الشيطان يجري من احدكم مجرى الدم " . قلنا ومنك قال " ومني ولكن الله اعانني عليه فاسلم " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . وقد تكلم بعضهم في مجالد بن سعيد من قبل حفظه . وسمعت علي بن خشرم يقول قال سفيان بن عيينة في تفسير قول النبي صلى الله عليه وسلم " ولكن الله اعانني عليه فاسلم " . يعني اسلم انا منه . قال سفيان والشيطان لا يسلم . و " لا تلجوا على المغيبات " والمغيبة المراة التي يكون زوجها غاىبا والمغيبات جماعة المغيبة .
১১৭৩. নাসর ইবনু আলী (রহঃ) .... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বামী অনুপস্থিত স্ত্রীর কাছে তোমরা প্রবেশ করোনা। কেননা, শয়তান তোমাদের রক্ত স্রোতে চলমান রয়েছে। আমরা বললাম, আপনার মধ্যেও? তিনি বললেন, আমার মাঝেও। তবে আল্লাহ তা’আলা আমাকে তার বিরুদ্ধে সাহায্য করেছেন। ফলে সে অনুগত হয়ে গেছে। - সহিহ আবু দাউদ ১১৩৩-২১৩৪, তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ ৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বললেন, এই সুত্রে বর্ণিত হাদীসটি গারীব। কেউ কেউ এই হাদীসটির রাবী মুজালিদ ইবনু সাঈদের স্মরণ শক্তির সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন। আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সুফইয়ান ইবনু উয়ায়না (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণীوَلَكِنَّ اللَّهَ أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمُ এর ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ তবে আল্লাহ্ আমাকে শয়তানের বিরুদ্ধে সাহায্য করেছেন ফলে আমি তার থেকে নিরাপত্তা লাভ করেছি। সুফইয়ান (রহঃ) বলেনঃ কেননা, শয়তান তো ইসলাম গ্রহণ করতে পারেনা। (সুতরাং শব্দটিفَأَسْلَمَ সে ইসলাম গ্রহণ করেছে- এর স্থলে হবেفَأَسْلَمُ অর্থাৎ আমি নিরাপত্তা লাভ করেছি।)
لاَ تَلِجُوا عَلَى الْمُغِيبَاتِ - যে নারীর স্বামী অনুপস্থিত। الْمُغِيبَاتُ হল مُغِيبَةِ এর বহুবচন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বললেন, এই সুত্রে বর্ণিত হাদীসটি গারীব। কেউ কেউ এই হাদীসটির রাবী মুজালিদ ইবনু সাঈদের স্মরণ শক্তির সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন। আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সুফইয়ান ইবনু উয়ায়না (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণীوَلَكِنَّ اللَّهَ أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمُ এর ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ তবে আল্লাহ্ আমাকে শয়তানের বিরুদ্ধে সাহায্য করেছেন ফলে আমি তার থেকে নিরাপত্তা লাভ করেছি। সুফইয়ান (রহঃ) বলেনঃ কেননা, শয়তান তো ইসলাম গ্রহণ করতে পারেনা। (সুতরাং শব্দটিفَأَسْلَمَ সে ইসলাম গ্রহণ করেছে- এর স্থলে হবেفَأَسْلَمُ অর্থাৎ আমি নিরাপত্তা লাভ করেছি।)
لاَ تَلِجُوا عَلَى الْمُغِيبَاتِ - যে নারীর স্বামী অনুপস্থিত। الْمُغِيبَاتُ হল مُغِيبَةِ এর বহুবচন।
হাদিস নং: ১১৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا همام، عن قتادة، عن مورق، عن ابي الاحوص، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراة عورة فاذا خرجت استشرفها الشيطان " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
১১৭৪. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নারী হল গোপন যোগ্য। সে যখন বাইরে বের হয় তখন শয়তান তার দিকে চোখ তুলে তাকায়। - মিশকাত ৩১০৯, ইরওয়া ২৭৩, তা’লীক আলা ইবনু খুযাইমা ১৬৮৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সাহীহ-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সাহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ১১৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا اسماعيل بن عياش، عن بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، عن كثير بن مرة الحضرمي، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا توذي امراة زوجها في الدنيا الا قالت زوجته من الحور العين لا توذيه قاتلك الله فانما هو عندك دخيل يوشك ان يفارقك الينا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . ورواية اسماعيل بن عياش عن الشاميين اصلح وله عن اهل الحجاز واهل العراق مناكير .
১১৭৫. হাসান ইবনু আরাফা (রহঃ) .... মুআয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যখন কোন নারী দুনিয়ায় তার স্বামীকে কষ্ট দেয় তখন জান্নাতের আয়াতলোচনা হুরগণ (এই নারীকে লক্ষ্য করে) বলে, আল্লাহ্ তোমার ধ্বংস করুন, তুমি তাঁকে কষ্ট দিওনা। ইনি তো তোমার কাছে অতিথি। অচিরেই তিনি তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন। - ইবনু মাজাহ ২০৪১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই সূত্র ছাড়া হাদীসটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানিনা। শামবাসী হাদীসবিদগণের বরাতে রিওয়ায়াত করার ব্যাপারে ইসমাইল ইবনু আয়্যাশের রিওয়ায়াত অধিকতর সঠিক হয় কিন্তু হিজায ও ইরাকবাসী মুহাদ্দিছগণের বরাতে তার বহু মুনকার রিওয়ায়াত রয়েছে।
এই সূত্র ছাড়া হাদীসটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানিনা। শামবাসী হাদীসবিদগণের বরাতে রিওয়ায়াত করার ব্যাপারে ইসমাইল ইবনু আয়্যাশের রিওয়ায়াত অধিকতর সঠিক হয় কিন্তু হিজায ও ইরাকবাসী মুহাদ্দিছগণের বরাতে তার বহু মুনকার রিওয়ায়াত রয়েছে।