হাদিস নং: ৯৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن ثابت البناني، عن انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الصبر عند الصدمة الاولى " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৯৮৮. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ধৈর্য হলো কষ্টের প্রথমাবস্থায়ই। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৯৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن عاصم بن عبيد الله، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قبل عثمان بن مظعون وهو ميت وهو يبكي . او قال عيناه تذرفان . وفي الباب عن ابن عباس وجابر وعاىشة قالوا ان ابا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح .
৯৮৯. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উছমান ইবনু মাযউন (রাঃ) কে মৃতাবস্থায় চুম্বন করেছিলেন। আর তিনি তখন কাঁদছিলেন। বর্ণনান্তরে, তাঁর চোখ দিয়ে তখন অশ্রু ঝরছিল। - ইবনু মাজাহ ১৪৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, জাবির ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। তাঁরা বলেন, আবূ বকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মৃতাবস্থায় চুম্বন করেছিলেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, জাবির ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। তাঁরা বলেন, আবূ বকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মৃতাবস্থায় চুম্বন করেছিলেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
হাদিস নং: ৯৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا خالد، ومنصور، وهشام، فاما خالد وهشام فقالا عن محمد وحفصة وقال منصور عن محمد عن ام عطية قالت توفيت احدى بنات النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اغسلنها وترا ثلاثا او خمسا او اكثر من ذلك ان رايتن واغسلنها بماء وسدر واجعلن في الاخرة كافورا او شيىا من كافور فاذا فرغتن فاذنني " . فلما فرغنا اذناه فالقى الينا حقوه فقال " اشعرنها به " . قال هشيم وفي حديث غير هولاء ولا ادري ولعل هشاما منهم قالت وضفرنا شعرها ثلاثة قرون . قال هشيم اظنه قال فالقيناه خلفها . قال هشيم فحدثنا خالد من بين القوم عن حفصة ومحمد عن ام عطية قالت وقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " وابدان بميامنها ومواضع الوضوء " . وفي الباب عن ام سليم . قال ابو عيسى حديث ام عطية حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم . وقد روي عن ابراهيم النخعي انه قال غسل الميت كالغسل من الجنابة . وقال مالك بن انس ليس لغسل الميت عندنا حد موقت وليس لذلك صفة معلومة ولكن يطهر . وقال الشافعي انما قال مالك قولا مجملا يغسل وينقى واذا انقي الميت بماء قراح او ماء غيره اجزا ذلك من غسله ولكن احب الى ان يغسل ثلاثا فصاعدا لا ينقص عن ثلاث لما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اغسلنها ثلاثا او خمسا " . وان انقوا في اقل من ثلاث مرات اجزا ولا يرى ان قول النبي صلى الله عليه وسلم انما هو على معنى الانقاء ثلاثا او خمسا ولم يوقت . وكذلك قال الفقهاء وهم اعلم بمعاني الحديث . وقال احمد واسحاق وتكون الغسلات بماء وسدر ويكون في الاخرة شيء من كافور .
৯৯০. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জনৈকা কন্যার ইন্তেকাল হয়। তখন তিনি বললেন, তোমরা তাকে বেজোড়ভাবে গোসল দাও- তিনবার বা পাঁচবার বা প্রয়োজন মনে করলে ততোধিকবারও দিতে পার। বরই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিবে। আর শেষে কিছু কর্পূর এতে দিও। গোসল শেষ হওয়ার পর আমাকে জানিও। অনন্তর আমরা তাকে গোসল করিয়ে যখন শেষ করলাম তখন তাঁকে তার অবহিত করলাম। তিনি আমাদের দিকে একটা ইযার ছুড়ে দিলেন এবং বললেন, এটি তার গায়ে লেপটে দাও। হুশায়ম বলেন, এদের (খালিদ, মনসুর) ছাড়া অন্যদের হয়ত হিশামও তাদের অন্যতম রিওয়ায়াতে আছে যে, উম্মু আতিয়্যা বলেন, তার (নবীজীর মৃত কন্যার) চুলগুলোকে আমরা তিন ভাগে বিন্যাস্ত করে দিয়েছিলাম। হুশায়ম বলেন, আমার ধারনায় তিনি এ- ও বলেছেন যে, এগুলো পিঠের পিছন দিকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। হুশায়ম বলেন, এদের মধ্যে খালিদ (রহঃ) আমাকে হাফসা ও মুহাম্মাদ উম্মু অতিয়্যা (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মু আতিয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, মৃতের ডান পাশ দিয়ে তার উযুর স্থানসমূহ থেকে গোসল শুরু করবে। - ইবনু মাজাহ ১৪৫৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, উম্মু আতিয়্যা বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। ইবরাহীম আন-নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মুর্দাকে গোসল প্রদান জানাবতের গোসলের মত। ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেন, মায়্যিতের গোসলের ক্ষেত্রে আমাদের কাছে কোন নির্ধারিত নিয়ম ও পদ্ধতি নেই। বরং মূল কথা হলো তাকে পাক করা। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ)-এর বক্তব্যটি সুস্পষ্ট নয়। মুর্দাকে গোসল করান হবে এবং তাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে। নিরেট পানি বা অন্য কোন পানি দ্বারা যদি তাকে পরিস্কার করা হয় তবে গোসলের বিষয়টি যথেষ্ট হয়ে যাবে। তবে আমার নিকট প্রিয় হলো তিন বা ততোধিকবার বেজোড় সংখ্যাং গোসল করান। কিন্তু তিন থেকে যেন কম না হয়। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা তাকে তিনবার বা পাঁচবার গোসল করাও। তিনবারের কমেও যদি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যায় তবে তা যথেষ্ট হনে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই বক্তব্যের আসল মর্ম হলো পাক-সাফ করা। তিন বারেই হোক বা পাঁচ বারেই হোক। তিনি এই বিষয়ে নিদির্ষ্ট কোন পরিমাণ করে দেননি। ফকীহগণও এরূপ কথা বলেছেন, আর তাঁরাই হাদীছের মর্ম সম্পর্কে অধিক অবহিত হয়ে থাকেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, পানি ও বরই পাতা সহযোগে গোসল দিতে হবে এবং শেষ করে এতে কিছু কর্পূর মিশ্রিত করে দিতে হবে।
এই বিষয়ে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, উম্মু আতিয়্যা বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। ইবরাহীম আন-নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মুর্দাকে গোসল প্রদান জানাবতের গোসলের মত। ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেন, মায়্যিতের গোসলের ক্ষেত্রে আমাদের কাছে কোন নির্ধারিত নিয়ম ও পদ্ধতি নেই। বরং মূল কথা হলো তাকে পাক করা। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ)-এর বক্তব্যটি সুস্পষ্ট নয়। মুর্দাকে গোসল করান হবে এবং তাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে। নিরেট পানি বা অন্য কোন পানি দ্বারা যদি তাকে পরিস্কার করা হয় তবে গোসলের বিষয়টি যথেষ্ট হয়ে যাবে। তবে আমার নিকট প্রিয় হলো তিন বা ততোধিকবার বেজোড় সংখ্যাং গোসল করান। কিন্তু তিন থেকে যেন কম না হয়। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা তাকে তিনবার বা পাঁচবার গোসল করাও। তিনবারের কমেও যদি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যায় তবে তা যথেষ্ট হনে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই বক্তব্যের আসল মর্ম হলো পাক-সাফ করা। তিন বারেই হোক বা পাঁচ বারেই হোক। তিনি এই বিষয়ে নিদির্ষ্ট কোন পরিমাণ করে দেননি। ফকীহগণও এরূপ কথা বলেছেন, আর তাঁরাই হাদীছের মর্ম সম্পর্কে অধিক অবহিত হয়ে থাকেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, পানি ও বরই পাতা সহযোগে গোসল দিতে হবে এবং শেষ করে এতে কিছু কর্পূর মিশ্রিত করে দিতে হবে।
হাদিস নং: ৯৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، وشبابة، قالا حدثنا شعبة، عن خليد بن جعفر، سمع ابا نضرة، يحدث عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اطيب الطيب المسك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৯৯১. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সর্বোত্তম সুগন্ধি হল মিশক আম্বর। - মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহী্হ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহী্হ্।
হাদিস নং: ৯৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابي، عن شعبة، عن خليد بن جعفر، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم سىل عن المسك فقال " هو اطيب طيبكم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وهو قول احمد واسحاق وقد كره بعض اهل العلم المسك للميت . قال وقد رواه المستمر بن الريان ايضا عن ابي نضرة عن ابي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال علي قال يحيى بن سعيد المستمر بن الريان ثقة . قال يحيى خليد بن جعفر ثقة .
৯৯২. সুফইয়ান ইবনু ওয়াকী (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিশক আম্বর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন, এ হলো তোমাদের সুগন্ধিগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম। - মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হলো আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কোন কোন আলিম মুর্দার জন্য মিশক আম্বর ব্যবহার করা মাকরূহ বলে মনে করেন। আল-মুসতামির ইবনুল রায়্যানও এই হাদিসটি আবূ নাযরা- আবূ সাঈদ -সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আলী (রহঃ) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) বলেছেন, আল-মুসতামির ইবনুুর রায়্যান ছিকা ও নির্ভরযোগ্য এবং খুলায়দ ইবনু জা’ফারও নির্ভরযোগ্য রাবী।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হলো আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কোন কোন আলিম মুর্দার জন্য মিশক আম্বর ব্যবহার করা মাকরূহ বলে মনে করেন। আল-মুসতামির ইবনুল রায়্যানও এই হাদিসটি আবূ নাযরা- আবূ সাঈদ -সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আলী (রহঃ) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) বলেছেন, আল-মুসতামির ইবনুুর রায়্যান ছিকা ও নির্ভরযোগ্য এবং খুলায়দ ইবনু জা’ফারও নির্ভরযোগ্য রাবী।
হাদিস নং: ৯৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا عبد العزيز بن المختار، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من غسله الغسل ومن حمله الوضوء " . يعني الميت . قال وفي الباب عن علي وعاىشة . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن وقد روي عن ابي هريرة موقوفا . وقد اختلف اهل العلم في الذي يغسل الميت فقال بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم اذا غسل ميتا فعليه الغسل . وقال بعضهم عليه الوضوء . وقال مالك بن انس استحب الغسل من غسل الميت ولا ارى ذلك واجبا . وهكذا قال الشافعي . وقال احمد من غسل ميتا ارجو ان لا يجب عليه الغسل واما الوضوء فاقل ما قيل فيه . وقال اسحاق لا بد من الوضوء . قال وقد روي عن عبد الله بن المبارك انه قال لا باس ان لا يغتسل ولا يتوضا من غسل الميت .
৯৯৩. মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল মালিক ইবনু আবিশ শাওয়ারির (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মায়্যিতের গোসল দানের পর গোসল করবে আর তাকে বহনের পর উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে। - ইবনু মাজাহ ১৪৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। এটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মাওকুফরূপেও বর্ণিত আছে। মুর্দাকে গোসল প্রদানকারী গোসলের বিষয়ে আলিমদের মতবিরোধ রয়েছে। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম বলেন, যে ব্যক্তি মায়্যিতকে গোসল করাবে তাকেও পরে গোসল করতে হবে। কেউ কেউ বলেন, তাকে উযূ করতে হবে। মালিক ইবনু আনাস (রাঃ) বলেন, মায়্যিত গোসল করানোর পর নিজে গোসল করা মুস্তাহাব। একে আমি ওয়াজিব বলে মনে করি না। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) ও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি মায়্যিতকে গোসল দিবে আমি আশা করি তার উপর গোসল ওয়াজিব নয়। আর ঊযূর বিষয়ে যা বলা হয়েছে তা-ই ধর্তব্য, ইসহাক (রহঃ) বলেন, উযূ অবশ্যই করতে হবে। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মায়্যিতকে গোসল করানোর কারণে গোসলও করতে হবে না, ঊযুও করতে হবে না।
এই বিষয়ে আলী ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। এটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মাওকুফরূপেও বর্ণিত আছে। মুর্দাকে গোসল প্রদানকারী গোসলের বিষয়ে আলিমদের মতবিরোধ রয়েছে। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম বলেন, যে ব্যক্তি মায়্যিতকে গোসল করাবে তাকেও পরে গোসল করতে হবে। কেউ কেউ বলেন, তাকে উযূ করতে হবে। মালিক ইবনু আনাস (রাঃ) বলেন, মায়্যিত গোসল করানোর পর নিজে গোসল করা মুস্তাহাব। একে আমি ওয়াজিব বলে মনে করি না। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) ও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি মায়্যিতকে গোসল দিবে আমি আশা করি তার উপর গোসল ওয়াজিব নয়। আর ঊযূর বিষয়ে যা বলা হয়েছে তা-ই ধর্তব্য, ইসহাক (রহঃ) বলেন, উযূ অবশ্যই করতে হবে। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মায়্যিতকে গোসল করানোর কারণে গোসলও করতে হবে না, ঊযুও করতে হবে না।
হাদিস নং: ৯৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا بشر بن المفضل، عن عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " البسوا من ثيابكم البياض فانها من خير ثيابكم وكفنوا فيها موتاكم " . وفي الباب عن سمرة وابن عمر وعاىشة . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . وهو الذي يستحبه اهل العلم . وقال ابن المبارك احب الى ان يكفن في ثيابه التي كان يصلي فيها . وقال احمد واسحاق احب الثياب الينا ان يكفن فيها البياض ويستحب حسن الكفن .
৯৯৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সাদা রঙ্গের পোষাক পরিধান করবে। কেননা তা তোমাদের জন্য সর্বোত্তম পোষাক আর এতে তোমরা তোমদের মৃতব্যক্তিদের কাফন দিও। - ইবনু মাজাহ ১৪৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সামুরা, ইবনু উমার ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণও এটি মুস্তাহাব মনে করেন। ইবনুল মুবারক বলেন, যে পোষাক পরে মায়্যিত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করত তা দিয়ে তাকে কাফন প্রদান করা আমার কাছে অধিক প্রিয়। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, আমাদের কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো সাদা কাপড়ে কাফন প্রদান করা। সুন্দর কাফন দেওয়া মুস্তাহাব।
এই বিষয়ে সামুরা, ইবনু উমার ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণও এটি মুস্তাহাব মনে করেন। ইবনুল মুবারক বলেন, যে পোষাক পরে মায়্যিত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করত তা দিয়ে তাকে কাফন প্রদান করা আমার কাছে অধিক প্রিয়। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, আমাদের কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো সাদা কাপড়ে কাফন প্রদান করা। সুন্দর কাফন দেওয়া মুস্তাহাব।
হাদিস নং: ৯৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، عن هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن ابي قتادة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا ولي احدكم اخاه فليحسن كفنه " . وفيه عن جابر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقال ابن المبارك قال سلام بن ابي مطيع في قوله " وليحسن احدكم كفن اخيه " قال هو الصفاق ليس بالمرتفع .
৯৯৫ মুহাম্মাদ ইবনু বশশার (রহঃ) ...... আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি তার কোন ভ্রাতার ওলী ও কর্ম সম্পাদনের ভারপ্রাপ্ত হয় তবে সে যেন তার ভ্রাতার জন্য সুন্দর কাফনের ব্যবস্থা করে। - সহিহাহ ১৪২৫, আহকামুল জানাইয ৫৮, মুসলিম জাবির হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান গারীব। ইবনু মুবারক বলেন, সে যেন তার ভ্রাতার জন্য সুন্দর কাফনের ব্যবস্থ করে-এর মর্ম ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে সাল্লাম ইবনু মুতী বলেছেন, এই সৌন্দর্য হল পরিষ্কার-পচ্ছিন্নতার ক্ষেত্রে, উচ্চমূল্যের কাফন হতে হবে সে অর্থে নয়।
এই বিষয়ে জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান গারীব। ইবনু মুবারক বলেন, সে যেন তার ভ্রাতার জন্য সুন্দর কাফনের ব্যবস্থ করে-এর মর্ম ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে সাল্লাম ইবনু মুতী বলেছেন, এই সৌন্দর্য হল পরিষ্কার-পচ্ছিন্নতার ক্ষেত্রে, উচ্চমূল্যের কাফন হতে হবে সে অর্থে নয়।
হাদিস নং: ৯৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت كفن النبي صلى الله عليه وسلم في ثلاثة اثواب بيض يمانية ليس فيها قميص ولا عمامة . قال فذكروا لعاىشة قولهم في ثوبين وبرد حبرة . فقالت قد اتي بالبرد ولكنهم ردوه ولم يكفنوه فيه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৯৯৬. কুতায়বা (রাঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, তিনটি সাদা ইয়ামানী কাপড়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কাফন দেওয়া হয়েছিল। এতে কামীস ও পাগড়ী অন্তর্ভুক্ত ছিল না। রাবী বলেন, তখন লোকেরা আয়িশা (রাঃ) কে বলল, অন্যরা বলেন, তাঁকে দু’টো কাপড় এবং একটি লম্বা লম্বা রেখাযুক্ত চাঁদরে কাফন দেওয়া হয়েছিল। আয়িশা (রাঃ) বললেন, একটি চাঁদর আনা হয়েছিল কিন্তু তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাতে কাফন দেওয়া হয়নি। - ইবনু মাজাহ ১৪৬৯, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
হাদিস নং: ৯৯৭
হাসান (Hasan)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا بشر بن السري، عن زاىدة، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كفن حمزة بن عبد المطلب في نمرة في ثوب واحد . قال وفي الباب عن علي وابن عباس وعبد الله بن مغفل وابن عمر . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح . وقد روي في كفن النبي صلى الله عليه وسلم روايات مختلفة وحديث عاىشة اصح الاحاديث التي رويت في كفن النبي صلى الله عليه وسلم . والعمل على حديث عاىشة عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم . قال سفيان الثوري يكفن الرجل في ثلاث اثواب ان شىت في قميص ولفافتين وان شىت في ثلاث لفاىف ويجزى ثوب واحد ان لم يجدوا ثوبين والثوبان يجزيان والثلاثة لمن وجدها احب اليهم . وهو قول الشافعي واحمد واسحاق . قالوا تكفن المراة في خمسة اثواب .
৯৯৭. ইবনু আবূ ইমার (রহঃ) ....... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযা ইবনু আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) কে কেবল একটি সাদা-কাল রেখাযুক্ত চাঁদরে কাফন দিয়েছিল। - আল আহকাম ৫৯, ৬০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল ও ইবনু উমার (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফনের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের রিওয়ায়াত রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাফন সম্পর্কে যতগুলি রিওয়ায়াত পাওয়া যায় তন্মধ্যে আয়িশা (রাঃ) এর রিওয়ায়াতটি সর্বাপেক্ষা সহীহ্। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদানুসারে আমল করেছেন। সুফইয়ান ছাওরী বলেন, পুরুষদের তিনটি কাফন দেওয়া হবে। ইচ্ছা করলে দুটো চাঁদর ও একটি কামীস দিয়ে, বা ইচ্ছা করলে তিনটি চাঁদরেই কাফন দেওয়া যায়। দুটো কাপড় পাওয়া না গেলে তা একটিতেই যথেষ্ট হবে। আর তিনটি না পাওয়া না গেলে দুটোতেই যথেষ্ট হবে। তিনটি পাওয়া গেলে তা হবে অধিকতর পছন্দনীয়। এই হলো ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) বলেন, ইযার, কামীস, চাদর এই তিনটি কাপড়ে কাফন দেওয়া হবে। তারা বলেন, মহিলাদেরকে পাঁচটি কাপড়ে কাফন দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে আলী ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল ও ইবনু উমার (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফনের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের রিওয়ায়াত রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাফন সম্পর্কে যতগুলি রিওয়ায়াত পাওয়া যায় তন্মধ্যে আয়িশা (রাঃ) এর রিওয়ায়াতটি সর্বাপেক্ষা সহীহ্। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদানুসারে আমল করেছেন। সুফইয়ান ছাওরী বলেন, পুরুষদের তিনটি কাফন দেওয়া হবে। ইচ্ছা করলে দুটো চাঁদর ও একটি কামীস দিয়ে, বা ইচ্ছা করলে তিনটি চাঁদরেই কাফন দেওয়া যায়। দুটো কাপড় পাওয়া না গেলে তা একটিতেই যথেষ্ট হবে। আর তিনটি না পাওয়া না গেলে দুটোতেই যথেষ্ট হবে। তিনটি পাওয়া গেলে তা হবে অধিকতর পছন্দনীয়। এই হলো ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) বলেন, ইযার, কামীস, চাদর এই তিনটি কাপড়ে কাফন দেওয়া হবে। তারা বলেন, মহিলাদেরকে পাঁচটি কাপড়ে কাফন দেওয়া হবে।
হাদিস নং: ৯৯৮
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، وعلي بن حجر، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن جعفر بن خالد، عن ابيه، عن عبد الله بن جعفر، قال لما جاء نعى جعفر قال النبي صلى الله عليه وسلم " اصنعوا لاهل جعفر طعاما فانه قد جاءهم ما يشغلهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد كان بعض اهل العلم يستحب ان يوجه الى اهل الميت شيء لشغلهم بالمصيبة . وهو قول الشافعي . قال ابو عيسى وجعفر بن خالد هو ابن سارة وهو ثقة روى عنه ابن جريج .
৯৯৮. আহমাদ ইবনু মানী ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জা’ফার (রাঃ)-এর মৃত্যু সংবাদ এলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, জা’ফার-এর পরিবারের জন্য তোমরা খানা প্রস্তুত কর। কেননা, তাদের এমন খবর এসেছে যে, তা নিয়ে তারা ব্যতিব্যস্ত রয়েছে। - ইবনু মাজাহ ১৬১০, মিশকাত ১৭৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান। মুর্দার পরিবারের মসীবত জনিত ব্যবস্তার কারণে তাদেরকে কিছু আহার্য হিসাবে প্রেরণ করা মুস্তাহাব বলে কোন কোন আলিম মত প্রদান করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত। রাবী জা’ফর ইবনু খালিদ হলেন ইবনু সারা। তিনি ছিকা ও নির্ভরযোগ্য। তাঁরা বরাতে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ও হাদিস বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান। মুর্দার পরিবারের মসীবত জনিত ব্যবস্তার কারণে তাদেরকে কিছু আহার্য হিসাবে প্রেরণ করা মুস্তাহাব বলে কোন কোন আলিম মত প্রদান করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত। রাবী জা’ফর ইবনু খালিদ হলেন ইবনু সারা। তিনি ছিকা ও নির্ভরযোগ্য। তাঁরা বরাতে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ও হাদিস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৯৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني زبيد الايامي، عن ابراهيم، عن مسروق، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس منا من شق الجيوب وضرب الخدود ودعا بدعوة الجاهلية " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৯৯৯. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে কাপড়ের গলা ছিলে ফেলে, গাল চাপড়ায় ও জাহিলী যুগের মত বিলাপ করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। - ইবনু মাজাহ ১৫৮৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
হাদিস নং: ১০০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا قران بن تمام الاسدي، ومروان بن معاوية، ويزيد بن هارون، عن سعيد بن عبيد الطاىي، عن علي بن ربيعة الاسدي، قال مات رجل من الانصار يقال له قرظة بن كعب فنيح عليه فجاء المغيرة بن شعبة فصعد المنبر فحمد الله واثنى عليه وقال ما بال النوح في الاسلام اما اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نيح عليه عذب بما نيح عليه " . وفي الباب عن عمر وعلي وابي موسى وقيس بن عاصم وابي هريرة وجنادة بن مالك وانس وام عطية وسمرة وابي مالك الاشعري . قال ابو عيسى حديث المغيرة حديث غريب حسن صحيح .
১০০০. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আলী ইবনু রাবীআ আল-আসা’দী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, কারাযা ইবনু কা’ব নামক জনৈক আনসারী ব্যক্তি মারা গেলে তার জন্য বিলাপ করে কান্না-কাটি শুরু হয়। তখন মুগীরা ইবনু শু’বা এসে মিম্ববে আরোহণ করলেন এবং আল্লাহর হামদ ও ছানার পর বললেন, ইসলামী যুগে এই ধরণের বিলাপের অবকাশ কোথায়? আমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যার সম্পর্কে বিলাপ করে কাঁদা হয় তাকে বিলাপ অনুসারে আযাব দেওয়া হয়। - আল আহকাম ২৮, ২৯, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, আলী, আবূ মূসা, কায়স ইবনু আসিম, আবূ হুরায়রা, জুনাদা ইবনু মালিক আনাস, উম্মু আতিয়্যা, সামুরা ও আবূ মালিক আল- আশআরী (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মুগীরা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি গারীব-হাসান-সহীহ্।
এই বিষয়ে উমার, আলী, আবূ মূসা, কায়স ইবনু আসিম, আবূ হুরায়রা, জুনাদা ইবনু মালিক আনাস, উম্মু আতিয়্যা, সামুরা ও আবূ মালিক আল- আশআরী (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মুগীরা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি গারীব-হাসান-সহীহ্।
হাদিস নং: ১০০১
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، انبانا شعبة، والمسعودي، عن علقمة بن مرثد، عن ابي الربيع، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اربع في امتي من امر الجاهلية لن يدعهن الناس النياحة والطعن في الاحساب والعدوى اجرب بعير فاجرب ماىة بعير من اجرب البعير الاول والانواء مطرنا بنوء كذا وكذا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
১০০১. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি বিষয় হলো জাহিলী বিষয়, এগুলোকে লোকেরা (পুরোপুরি ভাবে) ছাড়বে নাঃ
(ক) মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করে কাঁদা
(খ) বংশ তুলে গালি দেওয়া,
(গ) রোগ সংক্রামিত হওয়ার ধারনা, এটি উটে চর্ম রোগ হলে একশটি উটে তা সংক্রামিত হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রথমটিকে কে চর্ম রোগে আক্রান্ত করল?
(ঘ) আর নক্ষত্র ও রাশিচক্রের (প্রভাব) মান্য করা, (তারা বলে) অমুক, অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের বৃষ্টি হলো। - সহিহাহ ৭৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান।
(ক) মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করে কাঁদা
(খ) বংশ তুলে গালি দেওয়া,
(গ) রোগ সংক্রামিত হওয়ার ধারনা, এটি উটে চর্ম রোগ হলে একশটি উটে তা সংক্রামিত হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রথমটিকে কে চর্ম রোগে আক্রান্ত করল?
(ঘ) আর নক্ষত্র ও রাশিচক্রের (প্রভাব) মান্য করা, (তারা বলে) অমুক, অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের বৃষ্টি হলো। - সহিহাহ ৭৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান।
হাদিস নং: ১০০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن ابي زياد، حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثنا ابي، عن صالح بن كيسان، عن الزهري، عن سالم بن عبد الله، عن ابيه، قال قال عمر بن الخطاب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الميت يعذب ببكاء اهله عليه " . وفي الباب عن ابن عمر وعمران بن حصين . قال ابو عيسى حديث عمر حديث حسن صحيح . وقد كره قوم من اهل العلم البكاء على الميت قالوا الميت يعذب ببكاء اهله عليه . وذهبوا الى هذا الحديث . وقال ابن المبارك ارجو ان كان ينهاهم في حياته ان لا يكون عليه من ذلك شيء .
১০০২. আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যিয়াদ (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য পরিবারের লোকদের কান্নাকাটি করার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হয়। - ইবনু মাজাহ ১৫৯৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমার ও ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। মৃত ব্যক্তির জন্য কান্না-কাটি করা একদল আলিম দোষণীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, মৃত ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের লোকদের কান্না-কাটি করার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হয়ে থাকে। তারা এই হাদিসকে গ্রহণ করেছেন। ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন, জীবদ্দশায় এই ব্যক্তি যদি তার পরিবারের লোকদের এই বিষয়ে নিষেধ করে যায় তবে আশা করি তার উপর এই কারণে কিছু হবে না।
এই বিষয়ে ইবনু উমার ও ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। মৃত ব্যক্তির জন্য কান্না-কাটি করা একদল আলিম দোষণীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, মৃত ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের লোকদের কান্না-কাটি করার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হয়ে থাকে। তারা এই হাদিসকে গ্রহণ করেছেন। ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন, জীবদ্দশায় এই ব্যক্তি যদি তার পরিবারের লোকদের এই বিষয়ে নিষেধ করে যায় তবে আশা করি তার উপর এই কারণে কিছু হবে না।
হাদিস নং: ১০০৩
হাসান (Hasan)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا محمد بن عمار، حدثني اسيد بن ابي اسيد، ان موسى بن ابي موسى الاشعري، اخبره عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما من ميت يموت فيقوم باكيه فيقول واجبلاه واسيداه او نحو ذلك الا وكل به ملكان يلهزانه اهكذا كنت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
১০০৩. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ মারা গেলে তার জন্য ক্রন্দনকারীরা যখন বলে, ওয়া জাবালাহ (হায় মসীবতের পাহাড়) বা ওয়া সায়্যিদাহ (হে আমাদের নেতা) বা এই ধরনের আরো কিছু তখন ঐ মৃত ব্যক্তির উপর দুটি জন ফিরিশতা নিযুক্ত করে দেওয়া হয় তারা তাকে পিটাতে থাকে। আর বলতে থাকে তুই কি এ ধরনের ছিলি? - ইবনু মাজাহ ১৫৯৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান- গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান- গারীব।
হাদিস নং: ১০০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، عن مالك، قال وحدثنا اسحاق بن موسى، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن ابيه، عن عمرة، انها اخبرته انها، سمعت عاىشة، وذكر، لها ان ابن عمر، يقول ان الميت ليعذب ببكاء الحى عليه . فقالت عاىشة غفر الله لابي عبد الرحمن اما انه لم يكذب ولكنه نسي او اخطا انما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على يهودية يبكى عليها فقال " انهم ليبكون عليها وانها لتعذب في قبرها " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
১০০৪. কুতায়বা (রহঃ) ....... আ’মরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আয়িশা (রাঃ) এর কাছে উল্লেখ করা হলো যে, ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, মৃত ব্যক্তির জন্য জীবিতদের কান্নাকাটি করার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হয়। তখন আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা’আলা আবূ আব্দুর রহমান (ইবনু উমার) কে মাফ করুন। তিনি তো মিথ্যা বলেন নি তবে হয়ত ভুলে গেছেন বা সঠিকভাবে বলতে পারেন নি। একাবর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈকা ইয়াহুদী মহিলার (লাশের) পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তার জন্য কান্নাকাটি হচ্ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরা তো তার জন্য কান্নাকাটি করছে অথচ (এ সময়) কবরে তাকে আযাব দেওয়া হচ্ছে। - আল আহকাম ২৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
হাদিস নং: ১০০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عباد بن عباد المهلبي، عن محمد بن عمرو، عن يحيى بن عبد الرحمن، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الميت يعذب ببكاء اهله عليه " . فقالت عاىشة يرحمه الله لم يكذب ولكنه وهم انما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل مات يهوديا " ان الميت ليعذب وان اهله ليبكون عليه " . قال وفي الباب عن ابن عباس وقرظة بن كعب وابي هريرة وابن مسعود واسامة بن زيد . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن عاىشة . وقد ذهب اهل العلم الى هذا وتاولوا هذه الاية (الا تزر وازرة وزر اخرى ) وهو قول الشافعي .
১০০৫. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের লোকদের কান্নাকাটি করার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হয়। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তাকে (ইবনু উমারকে) রহম করুন। তিনি মিথ্যা বলেন নি। তবে তাঁর বিভ্রান্তি হয়ে গেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক মৃত ইয়াহুদী ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছিলেন যে, মৃত ব্যক্তিটির তো আযাব দেওয়া হচ্ছে আর তার পরিবার-পরিজনরা তার জন্য কান্নাকাটি করছে। - আহকামুল জানাইয ২৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, কারাযা ইবন কা’ব, আবূ হুরায়রা, ইবনু মাসউদ ও উসামা ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান সহীহ্। আয়িশা (রাঃ) থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত হয়েছে। কোন কোন আলিম এতদানুসারে আমলের অভিমত প্রদান করেছেন। তারা এই আয়াতের উল্লেখ করেছেন। আয়াতটি হল ولاتَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। এ হলো ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, কারাযা ইবন কা’ব, আবূ হুরায়রা, ইবনু মাসউদ ও উসামা ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান সহীহ্। আয়িশা (রাঃ) থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত হয়েছে। কোন কোন আলিম এতদানুসারে আমলের অভিমত প্রদান করেছেন। তারা এই আয়াতের উল্লেখ করেছেন। আয়াতটি হল ولاتَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। এ হলো ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ১০০৬
হাসান (Hasan)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عيسى بن يونس، عن ابن ابي ليلى، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال اخذ النبي صلى الله عليه وسلم بيد عبد الرحمن بن عوف فانطلق به الى ابنه ابراهيم فوجده يجود بنفسه فاخذه النبي صلى الله عليه وسلم فوضعه في حجره فبكى فقال له عبد الرحمن اتبكي اولم تكن نهيت عن البكاء قال " لا ولكن نهيت عن صوتين احمقين فاجرين صوت عند مصيبة خمش وجوه وشق جيوب ورنة شيطان " . وفي الحديث كلام اكثر من هذا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
১০০৬. আলী ইবনু খারশাম (রহঃ) ....... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুর রহমান ইবনু আওফের হাত ধরে তাকে সহ (অসুস্থ) পুত্র ইবরাহীম (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। তখন ইবরাহীম (রাঃ) কে মৃত্যুমুখী অবস্থায় দেখতে পেলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ধরে স্বীয় কোলে রাখলেন। অনন্তর তিনি কেঁদে উঠলেন। আব্দুর রহমান তাঁকে বললেন, আপনিও কাঁদছেন? আপনি কি আগে কাঁদতে নিষেধ করেননি? তিনি বললেন, না, বরং আমি তা নিষেধ করেছি দুই ধরণের আহাম্মুকী ও অন্যায় চিৎকারকে। তাহলো, বিপদের সময় চিৎকার করা। মুখ খামছানো ও গলায় কাপড় ছিড়ে ফেলা আর শয়তানের গুণগুনানী। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটিতে এর চেয়েও বেশী বক্তব্য রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান।
হাদিসটিতে এর চেয়েও বেশী বক্তব্য রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান।
হাদিস নং: ১০০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، واحمد بن منيع، واسحاق بن منصور، ومحمود بن غيلان، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم وابا بكر وعمر يمشون امام الجنازة .
১০০৭. কুতায়বা ইবনু সাঈদ, আহমাদ ইবনু মানী, ইসহাক ইবনু মানসুর ও মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... সালিম তাঁর পিতা ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর ও উমার (রাঃ)-কে জানাযার আগে আগে চলতে দেখেছি। - ইবনু মাজাহ ১৪৮২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]