হাদিস নং: ১০৬০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، عن مالك بن انس، ح وحدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن انس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يموت لاحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار الا تحلة القسم " . قال وفي الباب عن عمر ومعاذ وكعب بن مالك وعتبة بن عبد وام سليم وجابر وانس وابي ذر وابن مسعود وابي ثعلبة الاشجعي وابن عباس وعقبة بن عامر وابي سعيد وقرة بن اياس المزني . قال وابو ثعلبة الاشجعي له عن النبي صلى الله عليه وسلم حديث واحد هو هذا الحديث وليس هو الخشني . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح .
১০৬০. কুতায়বা ও আনসারী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলিমের যদি তিনটি সন্তান মারা যায় তবে তাকে অগ্নি স্পর্শ করতে পারে না। তবে শপথ পূরণ মাত্র। - ইবনু মাজাহ ১৬০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, মুআয, কা’ব ইবনু মালিক, উতবা ইবনু আবদ, উম্মু সুলায়ম, জাবির, আনাস আবূ যারর, ইবনু মাসউদ, আবূ ছালাবা আল-আশজাঈ, ইবনু আব্বাস, উকবা ইবনু আমির, আবূ সাঈদ ও কুররা ইবনু ইয়াস মুযানী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ছালাবা (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই একটি হাদীসই বর্ণিত আছে। ইনি খুশানী নন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহম বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে উমার, মুআয, কা’ব ইবনু মালিক, উতবা ইবনু আবদ, উম্মু সুলায়ম, জাবির, আনাস আবূ যারর, ইবনু মাসউদ, আবূ ছালাবা আল-আশজাঈ, ইবনু আব্বাস, উকবা ইবনু আমির, আবূ সাঈদ ও কুররা ইবনু ইয়াস মুযানী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ছালাবা (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই একটি হাদীসই বর্ণিত আছে। ইনি খুশানী নন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহম বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১০৬১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا اسحاق بن يوسف، حدثنا العوام بن حوشب، عن ابي محمد، مولى عمر بن الخطاب عن ابي عبيدة بن عبد الله بن مسعود، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قدم ثلاثة لم يبلغوا الحلم كانوا له حصنا حصينا من النار " . قال ابو ذر قدمت اثنين . قال " واثنين " . فقال ابى بن كعب سيد القراء قدمت واحدا قال " وواحدا ولكن انما ذاك عند الصدمة الاولى " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وابو عبيدة لم يسمع من ابيه .
১০৬১. নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ...... আবূদুল্লাহ্ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি তিনটি না বালেগ সন্তান অগ্রে পাঠায় তবে তারা তার জন্য সুরক্ষিত দুর্গ হবে। আবূ যারর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমার দুটো সন্তানকে অগ্রে পাঠিয়েছি। তিনি বললেন, দুটো পাঠালেও। সায়্যিদুল কুররা (ক্বারীগণের সর্দার) উবাই ইবনু কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি তো একটি অগ্রে পাঠিয়েছি? তিনি বললেন, একটিকে পাঠালেও। তবে তা হবে, সন্তান-বিয়োগ ব্যথায় ধৈর্য ধারণ করলে। - ইবনু মাজাহ ১৬০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। রাবী আবূ উবায়দা (রহঃ) তাঁর পিতা ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস শোনেন নি।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। রাবী আবূ উবায়দা (রহঃ) তাঁর পিতা ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস শোনেন নি।
হাদিস নং: ১০৬২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، وابو الخطاب، زياد بن يحيى البصري قالا حدثنا عبد ربه بن بارق الحنفي، قال سمعت جدي ابا امي، سماك بن الوليد الحنفي يحدث انه سمع ابن عباس، يحدث انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من كان له فرطان من امتي ادخله الله بهما الجنة " . فقالت له عاىشة فمن كان له فرط من امتك قال " ومن كان له فرط يا موفقة " . قالت فمن لم يكن له فرط من امتك قال " فانا فرط امتي لن يصابوا بمثلي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث عبد ربه بن بارق وقد روى عنه غير واحد من الاىمة .
حدثنا احمد بن سعيد المرابطي، حدثنا حبان بن هلال، انبانا عبد ربه بن بارق، فذكر نحوه . وسماك بن الوليد هو ابو زميل الحنفي .
حدثنا احمد بن سعيد المرابطي، حدثنا حبان بن هلال، انبانا عبد ربه بن بارق، فذكر نحوه . وسماك بن الوليد هو ابو زميل الحنفي .
১০৬২. নাসর ইবনু আলী জাহযামী ও আবূল খাত্তাব যিয়াদ ইবনু ইয়াহইয়া বাসরী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে যার দু’জন অগ্রগামী (সন্তান) থাকবে এদের ওয়াসীলায় আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে দাখিল করাবেন। তখন আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার উম্মতের যদি কারো একজন অগ্রগামী থাকবে তার জন্যও। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, তবে আপনার উম্মতের মধ্যে যার কোন অগ্রগামী নেই? তিনি বললেন, আমি নিজেই আমার উম্মতের জন্য অগ্রগামী। আমার বিয়োগ ব্যথার মত তাদের জন্য কোন ব্যথা নেই। - তা’লীকুর রাগীব ৩/৯৩, মিশকাত ১৭৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। শুধু আবদে রাব্বিহী ইবনু বারিক (রহঃ) এর সূত্রেই এ হাদীস আমরা জানতে পেরেছি এবং তাঁর থেকে একাধিক মুহাদ্দিছ এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আহমদ ইবনু সাঈদ মুরাবিতী- হাববান ইবনু হিলাল (রহঃ)-আবদে রাব্বিহী ইবনু রারিক (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী সিমাক ইবনু ওয়ালীদ হানাফী (রহঃ) হলেন আবূ যুমায়ল হানাফী।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। শুধু আবদে রাব্বিহী ইবনু বারিক (রহঃ) এর সূত্রেই এ হাদীস আমরা জানতে পেরেছি এবং তাঁর থেকে একাধিক মুহাদ্দিছ এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আহমদ ইবনু সাঈদ মুরাবিতী- হাববান ইবনু হিলাল (রহঃ)-আবদে রাব্বিহী ইবনু রারিক (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী সিমাক ইবনু ওয়ালীদ হানাফী (রহঃ) হলেন আবূ যুমায়ল হানাফী।
হাদিস নং: ১০৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، ح وحدثنا قتيبة، عن مالك، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الشهداء خمس المطعون والمبطون والغرق وصاحب الهدم والشهيد في سبيل الله " . قال وفي الباب عن انس وصفوان بن امية وجابر بن عتيك وخالد بن عرفطة وسليمان بن صرد وابي موسى وعاىشة . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح .
১০৬৩. আনসারী ও কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শহীদ হলো পাঁচ প্রকারঃ প্লেগে মৃত, কলেরায় মৃত, ডুবে মৃত, ধ্বসে মৃত, আর হলো আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাত বরণকারী। - আল আহকাম ৩৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস, সাফওয়ান ইবনু উমায়্যা, জাবির ইবনু আতীক, খালিদ ইবনু উরফুতা, সুলায়মান ইবনু সুরাদ, আবূ মূসা ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
এই বিষয়ে আনাস, সাফওয়ান ইবনু উমায়্যা, জাবির ইবনু আতীক, খালিদ ইবনু উরফুতা, সুলায়মান ইবনু সুরাদ, আবূ মূসা ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبيد بن اسباط بن محمد القرشي الكوفي، حدثنا ابي، حدثنا ابو سنان الشيباني، عن ابي اسحاق السبيعي، قال قال سليمان بن صرد لخالد بن عرفطة او خالد لسليمان اما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قتله بطنه لم يعذب في قبره " . فقال احدهما لصاحبه نعم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب في هذا الباب وقد روي من غير هذا الوجه .
১০৬৪. উবায়দ ইবনু আসবাত ইবনু মুহাম্মাদ কুরাশী কূফী (রহঃ) ...... আবূ ইসহাক সুবায়ঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, সুলায়মান ইবনু সুরাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার খালিদ ইবনু উরফুতা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, অথবা খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সুলায়মান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেননি যে, উদরাময়ে যে মারা যায় তাকে কবরে আযাব দেওয়া হয় না? তখন একজন অপরজনকে বললেন, হ্যাঁ। - আল আহকাম ৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে হাদীসটি হাসান-গারীব। অন্য সূত্রেও এটি বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে হাদীসটি হাসান-গারীব। অন্য সূত্রেও এটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১০৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن عامر بن سعد، عن اسامة بن زيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم ذكر الطاعون فقال " بقية رجز - او عذاب ارسل على طاىفة من بني اسراىيل فاذا وقع بارض وانتم بها فلا تخرجوا منها واذا وقع بارض ولستم بها فلا تهبطوا عليها " . قال وفي الباب عن سعد وخزيمة بن ثابت وعبد الرحمن بن عوف وجابر وعاىشة . قال ابو عيسى حديث اسامة بن زيد حديث حسن صحيح .
১০৬৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... উসামা ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্লেগের আলোচনা প্রসঙ্গে বলেছেন, এতো আল্লাহর এক আযাবের অবশিষ্টাংশ যা আল্লাহ্ তা’আলা বানু ইসরাইলের এক দলের প্রতি পাঠিয়েছলেন। যখন কোন অঞ্চলে সেই মহামারী দেখা দেয় আর তুমি সেখানে থাক তবে সেখান থেকে বের হয়ে যাবেনা। আর যখন কোন অঞ্চলে তা দেখা দেয় আর সেখানে তুমি না থাক তবে সেখানে তুমি যাবেনা। - বুখারি, মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সা’দ, খুযায়মা ইবনু ছাবিত, আবদুর রহমান ইবনু আওফ, জাবির ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উসামা ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
এই বিষয়ে সা’দ, খুযায়মা ইবনু ছাবিত, আবদুর রহমান ইবনু আওফ, জাবির ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উসামা ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن مقدام ابو الاشعث العجلي، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت ابي يحدث، عن قتادة، عن انس، عن عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه " . وفي الباب عن ابي موسى وابي هريرة وعاىشة . قال ابو عيسى حديث عبادة بن الصامت حديث حسن صحيح .
১০৬৬. আহমদ ইবনু মিকদাম আবূল আশআছ ইজলী (রহঃ) ...... উবাদা ইবনুুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে মুলাকাত (সাক্ষাৎ) ভালবাসে আল্লাহও তাঁর সাক্ষাতকে ভালোবাসেন। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহর সঙ্গে মুলাকাতকে অপছন্দ করে আল্লাহও তাঁর সাক্ষাতকে অপছন্দ করেন। - বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ মূসা, আবূ হুরায়রা ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উবাদা ইবনুুস সামিত (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহিহ।
এই বিষয়ে আবূ মূসা, আবূ হুরায়রা ও আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উবাদা ইবনুুস সামিত (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহিহ।
হাদিস নং: ১০৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد بن ابي عروبة، ح قال وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن بكر، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن سعد بن هشام، عن عاىشة، انها ذكرت ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه " . قالت فقلت يا رسول الله كلنا نكره الموت . قال " ليس ذلك ولكن المومن اذا بشر برحمة الله ورضوانه وجنته احب لقاء الله واحب الله لقاءه وان الكافر اذا بشر بعذاب الله وسخطه كره لقاء الله وكره الله لقاءه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১০৬৭. হুমায়দ ইবনু মাসআদা, মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও মুহাম্মাদ ইবনু বাকর (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি উল্লেখ করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে মুলাকাত ভালবাসে আল্লাহ্ও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎকে বালবাসেন আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে মুলাকাতকে অপছন্দ করে আল্লাহ্ও তার সাক্ষাৎকে না পছন্দ করেন। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ্, আমরা সবাইতো মৃত্যুকে না পছন্দ করি! তিনি বললেন, আসল ব্যপার তা নয়। বরং কথা হচ্ছে, মু’মিনকে যখন (মৃত্যুর সময়) আল্লাহর রহমত ও তাঁর সন্তুষ্টি এবং জান্নাতের খোশ খবরী দেওয়া হয় তখন তার নিকট আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রিয় হয়ে উঠে আর আল্লাহ্ও তার সাক্ষাৎকে ভালবাসেন। পক্ষান্তরে কাফিরকে যখন (মৃত্যুর সময়) আল্লাহর আযাব ও তাঁর অসন্তুষ্টির খবর দেওয়া হয় তখন তার কাছে আল্লাহর সঙ্গে মুলাকাত অপ্রিয় হয়ে উঠে আর আল্লাহ্ও তার সাক্ষাৎকে না পছন্দ করেন। - ইবনু মাজাহ ৪২৬৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১০৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا وكيع، حدثنا اسراىيل، وشريك، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، ان رجلا، قتل نفسه فلم يصل عليه النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . واختلف اهل العلم في هذا فقال بعضهم يصلى على كل من صلى الى القبلة وعلى قاتل النفس . وهو قول سفيان الثوري واسحاق . وقال احمد لا يصلي الامام على قاتل النفس ويصلي عليه غير الامام .
১০৬৮. ইউসুফ ইবনু ঈসা (রহঃ) ...... জাবির ইবনু সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামতার সালাতুল জানাযা আদায় করেননি। - ইবনু মাজাহ ১৫২৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। কোন কোন আলিম বলেন, আত্মহত্যাকারীসহ যে কোন কিবলামুখী ব্যক্তির (অর্থাৎ মু’মিনের) সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। এ হলো সুফইয়ান ছাওরী ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। ইমাম আহমদ (রহঃ) বলেন, ইমাম আত্মাহত্যাকারীর সালাতুল জানাযা আদায় করবেন না, তবে অন্যরা তা আদায় করবে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। কোন কোন আলিম বলেন, আত্মহত্যাকারীসহ যে কোন কিবলামুখী ব্যক্তির (অর্থাৎ মু’মিনের) সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। এ হলো সুফইয়ান ছাওরী ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। ইমাম আহমদ (রহঃ) বলেন, ইমাম আত্মাহত্যাকারীর সালাতুল জানাযা আদায় করবেন না, তবে অন্যরা তা আদায় করবে।
হাদিস নং: ১০৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، اخبرنا شعبة، عن عثمان بن عبد الله بن موهب، قال سمعت عبد الله بن ابي قتادة، يحدث عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتي برجل ليصلي عليه فقال النبي صلى الله عليه وسلم " صلوا على صاحبكم فان عليه دينا " . قال ابو قتادة هو على . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بالوفاء " . قال بالوفاء . فصلى عليه . قال وفي الباب عن جابر وسلمة بن الاكوع واسماء بنت يزيد . قال ابو عيسى حديث ابي قتادة حديث حسن صحيح .
১০৬৯. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আবী কাতাদা তাঁর পিতা আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জনৈক ঋণগ্রস্থ ব্যক্তিকে সালাতুল জানাযার জন্য আনা হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তোমাদের সাথীর সালাতুল জানাযা আদায় করে নাও। (আমি এতে শরীক হচ্ছি না) কারণ, তার যিম্মায় ঋণ রয়ে গেছে। তখন আবূ কাতাদা বললেন, এর ঋণ আমার যিম্মায়। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তা আদায়ের অঙ্গীকারের সাথে তো? এরপর তিনি নিজে ঐ ব্যক্তির সালাতুল জানাযা আদায় করলেন। - ইবনু মাজাহ ২৪০৭, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির, সালামা ইবনুল আকওয়া ও আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
এই বিষয়ে জাবির, সালামা ইবনুল আকওয়া ও আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الفضل، مكتوم بن العباس الترمذي حدثنا عبد الله بن صالح، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يوتى بالرجل المتوفى عليه الدين فيقول " هل ترك لدينه من قضاء " . فان حدث انه ترك وفاء صلى عليه والا قال للمسلمين " صلوا على صاحبكم " . فلما فتح الله عليه الفتوح قام فقال " انا اولى بالمومنين من انفسهم فمن توفي من المسلمين فترك دينا على قضاوه ومن ترك مالا فهو لورثته " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد رواه يحيى بن بكير وغير واحد عن الليث بن سعد نحو حديث عبد الله بن صالح .
১০৭০. আবূল ফাযল মাকতুম ইবনুল আব্বাস (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (সালাতুল জানাযার জন্য) এমন কোন মৃত ব্যক্তি আনা হলে যার উপর ঋণের দায়িত্ব বিদ্যমান তিনি বলতেন, এই ব্যক্তি ঋণ আদায় হওয়ার মত কোন সম্পদ রেখে গেছে কি? যদি বল হত যে, হ্যাঁ সে তার ঋণ আদায় হওয়ার মত সম্পদ রেখে গেছে, তা হলে তিনি নিজে তার সালাতুল জানাযা আদায় করতেন। আর তা না হলে মুসলিমদেরকে বলতেন তোমরা তোমাদের সাথীর সালাতুল জানাযা আদায় করে নাও। পরে যখন আল্লাহ্ তা’আলা তাঁকে ব্যাপক বিজয় দান করলেন, তখন তিনি বললেন, আমি মু’মিনদের ব্যাপারে তাদের নিজেদের তুলনায়ও ঘনিষ্টতর। সুতরাং মু’মিনদের কেউ মারা গেলে সে যদি ঋণ রেখে যায় তা আদায় করা আমার দায়িত্ব। আর কেউ যদি সম্পদ রেখে মারা যায় তবে তা হবে তার উত্তরাধিকারীদের। - ইবনু মাজাহ ২৪১৫, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র প্রমুখ (রহঃ) এটিকে লায়ছ ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র প্রমুখ (রহঃ) এটিকে লায়ছ ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ১০৭১
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا بشر بن المفضل، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا قبر الميت - او قال احدكم اتاه ملكان اسودان ازرقان يقال لاحدهما المنكر والاخر النكير فيقولان ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول ما كان يقول هو عبد الله ورسوله اشهد ان لا اله الا الله وان محمدا عبده ورسوله . فيقولان قد كنا نعلم انك تقول هذا . ثم يفسح له في قبره سبعون ذراعا في سبعين ثم ينور له فيه ثم يقال له نم . فيقول ارجع الى اهلي فاخبرهم فيقولان نم كنومة العروس الذي لا يوقظه الا احب اهله اليه . حتى يبعثه الله من مضجعه ذلك . وان كان منافقا قال سمعت الناس يقولون فقلت مثله لا ادري . فيقولان قد كنا نعلم انك تقول ذلك . فيقال للارض التىمي عليه . فتلتىم عليه . فتختلف فيها اضلاعه فلا يزال فيها معذبا حتى يبعثه الله من مضجعه ذلك " . وفي الباب عن علي وزيد بن ثابت وابن عباس والبراء بن عازب وابي ايوب وانس وجابر وعاىشة وابي سعيد كلهم رووا عن النبي صلى الله عليه وسلم في عذاب القبر . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن غريب .
১০৭১. আবূ সালামা ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ বাসরী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে যখন কবরে রাখা হয় তখন দুইজন কৃষ্ণবর্ণের ও নীল চক্ষু বিশিষ্ট ফিরিশতা তার কাছে আসেন, একজনকে বলা হয় ’’আল-মুনকার’’ আর অপরজনকে বলা হয় ’’আন-নাকীর’’। তাঁরা বলেন, এই ব্যক্তি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে তুমি কি বলতে? সে তখন (দুনিয়াতে) তাঁকে যা বলত ত-ই বলবে যে, ইনি হলেন আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূলঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি কোন ইলাহ নেই আল্লাহ্ ছাড়া, আর মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
তার পর তাঁরা বলবেন আমরা জানতাম যে তুমি এই কথা বলবে। এরপর তার কবর সত্তর গজ প্রশস্ত করে দেওয়া হবে এবং তার জন্যে এটি আলোকিত করে দেওয়া হবে। এরপর তাকে বলা হবে। তুমি ঘুমিয়ে পড়। ঐ ব্যক্তি বলবে, আমি আমার পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে যেতে চাই যাতে এই খবরটি তাদের দিতে পারি। তখন ফিরিশতা দুইজন বলবেন, নয়া দুলহার মত তুমি ঘুমিয়ে থাক। যাকে তার পরিবারের সবচাইতে প্রিয় ব্যক্তি ছাড়া জাগায় না। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে তার এই শয্যা থেকে উত্থিত করবেন। আর মৃত্যু ব্যক্তি যদি মুনাফিক হয় তবে সে (ফিরিশতাদের প্রশ্নের উত্তরে) বলবে, আমি তো জানিনা, তবে লোকদের যা বলতে শুনেছি আমিও তাই বলেছি। ফিরিশতারা বলবে, আমরা জানতাম তুমি এই ধরণেরই কথা বলবে। এরপর যমীনকে বলা হবে একে চাপ দাও। তখন যমীন তাকে চাপ দিবে। ফলে তার পিঞ্জরাস্থিসমূহ একটার ভিতর অন্যটা ঢুকে পড়বে। এভাবে সে আযাব ভোগ করতে থাকবে, অবশেষে তাকে আল্লাহ্ ত’আলা তার এ শয্যা থেকে উত্থিত করবেন। - মিশকাত ১৩০, সহিহাহ ১৩৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, যায়দ ইবনু ছাবিত, ইবনু আব্বাস, বারা ইবনু আযিব, আবূ আয়্যূব, আনাস, জাবির, আয়িশা ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এরা সকলেই কবরের আযাব সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব।
তার পর তাঁরা বলবেন আমরা জানতাম যে তুমি এই কথা বলবে। এরপর তার কবর সত্তর গজ প্রশস্ত করে দেওয়া হবে এবং তার জন্যে এটি আলোকিত করে দেওয়া হবে। এরপর তাকে বলা হবে। তুমি ঘুমিয়ে পড়। ঐ ব্যক্তি বলবে, আমি আমার পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে যেতে চাই যাতে এই খবরটি তাদের দিতে পারি। তখন ফিরিশতা দুইজন বলবেন, নয়া দুলহার মত তুমি ঘুমিয়ে থাক। যাকে তার পরিবারের সবচাইতে প্রিয় ব্যক্তি ছাড়া জাগায় না। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে তার এই শয্যা থেকে উত্থিত করবেন। আর মৃত্যু ব্যক্তি যদি মুনাফিক হয় তবে সে (ফিরিশতাদের প্রশ্নের উত্তরে) বলবে, আমি তো জানিনা, তবে লোকদের যা বলতে শুনেছি আমিও তাই বলেছি। ফিরিশতারা বলবে, আমরা জানতাম তুমি এই ধরণেরই কথা বলবে। এরপর যমীনকে বলা হবে একে চাপ দাও। তখন যমীন তাকে চাপ দিবে। ফলে তার পিঞ্জরাস্থিসমূহ একটার ভিতর অন্যটা ঢুকে পড়বে। এভাবে সে আযাব ভোগ করতে থাকবে, অবশেষে তাকে আল্লাহ্ ত’আলা তার এ শয্যা থেকে উত্থিত করবেন। - মিশকাত ১৩০, সহিহাহ ১৩৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, যায়দ ইবনু ছাবিত, ইবনু আব্বাস, বারা ইবনু আযিব, আবূ আয়্যূব, আনাস, জাবির, আয়িশা ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এরা সকলেই কবরের আযাব সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ১০৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا مات الميت عرض عليه مقعده بالغداة والعشي فان كان من اهل الجنة فمن اهل الجنة وان كان من اهل النار فمن اهل النار ثم يقال هذا مقعدك حتى يبعثك الله يوم القيامة " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح .
১০৭২. হান্নাদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার মূল বাসস্থানকে তুলে ধরা হবে। সে যদি জান্নাতী হয় তবে জান্নাতের বাসস্থান আর যদি সে জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নামের বাসস্থান। পরে বলা হবে, এ-ই তোমার স্থান। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা তোমাকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করবেন। - বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৭৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا علي بن عاصم، قال حدثنا والله، محمد بن سوقة عن ابراهيم، عن الاسود، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من عزى مصابا فله مثل اجره " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا الا من حديث علي بن عاصم . وروى بعضهم عن محمد بن سوقة بهذا الاسناد مثله موقوفا ولم يرفعه . ويقال اكثر ما ابتلي به علي بن عاصم بهذا الحديث نقموا عليه .
১০৭৩. ইউসূফ ইবনু ঈসা (রহঃ) .... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন বিপদগ্রস্থ লোককে সান্ত্বনা দেয় তবে সে সেই ব্যক্তির অনুরূপ প্রতিদান পাবে। - ইবনু মাজাহ ১৬০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। আলী ইবনু আসিম (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি মারফু হিসেবে বর্ণিত বলে আমরা জানিনা। কেউ কেউ এ সনদে মুহাম্মাদ ইবনু সূকা (রহঃ) থেকে মাওকূফরূপে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এটিকে মারফূ, হিসাবে রিওয়ায়াত করেননি। বলা হয় এই হাদীছের কারনেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলী ইবনু আসিম সমালোচনার পরীক্ষায় পড়েছেন; হাদীসবিদগণ তাঁকে দোষী করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। আলী ইবনু আসিম (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি মারফু হিসেবে বর্ণিত বলে আমরা জানিনা। কেউ কেউ এ সনদে মুহাম্মাদ ইবনু সূকা (রহঃ) থেকে মাওকূফরূপে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এটিকে মারফূ, হিসাবে রিওয়ায়াত করেননি। বলা হয় এই হাদীছের কারনেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলী ইবনু আসিম সমালোচনার পরীক্ষায় পড়েছেন; হাদীসবিদগণ তাঁকে দোষী করেছেন।
হাদিস নং: ১০৭৪
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، وابو عامر العقدي قالا حدثنا هشام بن سعد، عن سعيد بن ابي هلال، عن ربيعة بن سيف، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من مسلم يموت يوم الجمعة او ليلة الجمعة الا وقاه الله فتنة القبر " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب وليس اسناده بمتصل . ربيعة بن سيف انما يروي عن ابي عبد الرحمن الحبلي عن عبد الله بن عمرو ولا نعرف لربيعة بن سيف سماعا من عبد الله بن عمرو .
১০৭৪. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আবূ আমির আকাদী (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন মুসলিম ব্যক্তি জুমআ বারে বা জুমআর রাতে ইন্তেকাল করবে তাকে আল্লাহ্ তা’আলা কবরের ফিতনা থেকে হিফাযত করবেন। - মিশকাত ১৩৬৭, আল আহকাম ৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদীসটি গারীব। এর সনদ মুত্তাসিল নয়। রাবীআ ইবনু সায়ফ এই হাদীসটিকে আসলে আবূ আবদূর রহমান হুবুল্লী- আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বণানা করেছেন। কারণ, আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রাবীআ ইবনু সায়ফ সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমরা জানিনা।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদীসটি গারীব। এর সনদ মুত্তাসিল নয়। রাবীআ ইবনু সায়ফ এই হাদীসটিকে আসলে আবূ আবদূর রহমান হুবুল্লী- আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বণানা করেছেন। কারণ, আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রাবীআ ইবনু সায়ফ সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমরা জানিনা।
হাদিস নং: ১০৭৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الله بن وهب، عن سعيد بن عبد الله الجهني، عن محمد بن عمر بن علي بن ابي طالب، عن ابيه، عن علي بن ابي طالب، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له " يا علي ثلاث لا توخرها الصلاة اذا انت والجنازة اذا حضرت والايم اذا وجدت لها كفوا " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب وما ارى اسناده بمتصل .
১০৭৫. কুতায়বা (রহঃ) .... আলী ইবনু আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেন, হে আলী তিনটি বিষয়ে বিলম্ব করবে না। সালাতের যখন ওয়াক্ত হয়ে যায়, জানাযা যখনই উপস্থিত হয়। স্বামীহীনা মেয়ের বিয়ের সমমানের সম্বন্ধ পাওয়া যায়। - মিশকাত ১৪৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। এটির সনদ মুত্তাসিল বলে আমি মনে করিনা।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। এটির সনদ মুত্তাসিল বলে আমি মনে করিনা।
হাদিস নং: ১০৭৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن حاتم المودب، حدثنا يونس بن محمد، قال حدثتنا ام الاسود، عن منية بنت عبيد بن ابي برزة، عن جدها ابي برزة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من عزى ثكلى كسي بردا في الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب وليس اسناده بالقوي .
১০৭৬. মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম মুআদ্দীব (রহঃ) .... আবূ বারযা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সন্তানহারা মাকে যে ব্যক্তি সান্ত্বনা দিবে তাকে জান্নাতের চাঁদর পরানো হবে। - মিশকাত ১৭৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। এটির সনদ শক্তিশালী নয়।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি গারীব। এটির সনদ শক্তিশালী নয়।
হাদিস নং: ১০৭৭
হাসান (Hasan)
حدثنا القاسم بن دينار الكوفي، حدثنا اسماعيل بن ابان الوراق، عن يحيى بن يعلى الاسلمي، عن ابي فروة، يزيد بن سنان عن زيد، وهو ابن ابي انيسة عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر على جنازة فرفع يديه في اول تكبيرة ووضع اليمنى على اليسرى . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . واختلف اهل العلم في هذا فراى اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ان يرفع الرجل يديه في كل تكبيرة على الجنازة . وهو قول ابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق . وقال بعض اهل العلم لا يرفع يديه الا في اول مرة . وهو قول الثوري واهل الكوفة . وذكر عن ابن المبارك انه قال في الصلاة على الجنازة لا يقبض يمينه على شماله . وراى بعض اهل العلم ان يقبض بيمينه على شماله كما يفعل في الصلاة . قال ابو عيسى يقبض احب الى .
১০৭৭. কাসিম ইবনু দ্বীনার আল-কূফী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযায়া তকবীর দেন। তিনি এর প্রথম তকবীরে হাত উঠিয়েছিলেন এবং ডান হত বাম হাতের উপর রেখেছিলেন। - আল আহকাম ১১৫,১১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। এই বিষয়ে আলিমদের মতবিরোধ রয়েছে। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম মনে করেন যে, সালাতুল জানাযার প্রত্যেক তাকবীরেই হাত উঠাতে হবে। এ হলো ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, কেবল প্রথম তাকবীরেই হাত উঠাবে। এ হলো ইমাম ছাওরী ও কুফাবাসী আলিমদের অভিমত। ইবনু মুবারক (রহঃ) এর বরাতে উল্লেখ করা হয় যে, তিনি বলেন, সালাতুল জানাযায় ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরবে না। কতক আলিম বলেন, সালাতের মধ্যে যেমন ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরা হয় তেমনি সালাতুল জানাযায়ও ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরা হবে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সালাতুল জানাযায়ও (ডান হাত দিয়ে বাম হাত) ধরা আমার নিকট অধিক প্রিয়।
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। এই বিষয়ে আলিমদের মতবিরোধ রয়েছে। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম মনে করেন যে, সালাতুল জানাযার প্রত্যেক তাকবীরেই হাত উঠাতে হবে। এ হলো ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, কেবল প্রথম তাকবীরেই হাত উঠাবে। এ হলো ইমাম ছাওরী ও কুফাবাসী আলিমদের অভিমত। ইবনু মুবারক (রহঃ) এর বরাতে উল্লেখ করা হয় যে, তিনি বলেন, সালাতুল জানাযায় ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরবে না। কতক আলিম বলেন, সালাতের মধ্যে যেমন ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরা হয় তেমনি সালাতুল জানাযায়ও ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরা হবে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সালাতুল জানাযায়ও (ডান হাত দিয়ে বাম হাত) ধরা আমার নিকট অধিক প্রিয়।
হাদিস নং: ১০৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو اسامة، عن زكريا بن ابي زاىدة، عن سعد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نفس المومن معلقة بدينه حتى يقضى عنه " .
১০৭৮. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত মু’মিনের রূহ্ ঋণের সাথে লটকানো থাকে। - ইবনু মাজাহ ২৪১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। এই রিওয়ায়াতটি প্রথমটির তুলনায় অধিক সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। এই রিওয়ায়াতটি প্রথমটির তুলনায় অধিক সহীহ।
হাদিস নং: ১০৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن عمر بن ابي سلمة، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " نفس المومن معلقة بدينه حتى يقضى عنه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن وهو اصح من الاول .
১০৭৯. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত মুমিনের রূহ ঋণের সাথে লটকানো থাকে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান। এই রিওয়ায়াতটি প্রথমটির তুলনায় অধিক সহিহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান। এই রিওয়ায়াতটি প্রথমটির তুলনায় অধিক সহিহ।