হাদিস নং: ২১
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا علي بن حجر، واحمد بن محمد بن موسى، مردويه قالا اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن معمر، عن اشعث بن عبد الله، عن الحسن، عن عبد الله بن مغفل، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى ان يبول الرجل في مستحمه . وقال " ان عامة الوسواس منه " . قال وفي الباب عن رجل من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا الا من حديث اشعث بن عبد الله ويقال له اشعث الاعمى . وقد كره قوم من اهل العلم البول في المغتسل وقالوا عامة الوسواس منه . ورخص فيه بعض اهل العلم منهم ابن سيرين وقيل له انه يقال ان عامة الوسواس منه فقال ربنا الله لا شريك له . وقال ابن المبارك قد وسع في البول في المغتسل اذا جرى فيه الماء . قال ابو عيسى حدثنا بذلك احمد بن عبدة الاملي عن حبان عن عبد الله بن المبارك .
২১. আলী ইবনু হুজর ও আহমদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মূসা (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসলখানায় পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, সাধারণতঃ এ থেকেই ওয়াসওয়ার সৃষ্টি হয়ে থাকে। - প্রথম অংশ সহিহ দ্বিতীয় অংশ যইফ। ইবনু মাজাহ ৩০৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে অপর এক সাহাবী থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি গরীব। আশ’আছ ইবনু আবদিল্লাহর সূত্র ব্যতীত মারফূ’ হিসাবে এটি রিওয়ায়াত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। আশ্’আছ ইবনু আবদুল্লাহকে আশআছ আল-আ’মা বলেও অভিহিত করা হয়। আলিমগণের এক দল গোসলখানায় পেশাব করা অপছন্দ করেছেন। তাদের মতে সাধারণত এ থেকেই ওয়াস-ওয়াসার সৃষ্টি হয়। কোন কোন আলিম ফকীহ অবশ্য এই ব্যপারে অনুমতি দিয়েছেন। এদের মধ্যে ইবনু সীরীন (রহঃ) অন্যতম। তাঁকে বলা হয়েছিল যে, সাধারণতঃ এ থেকেই ওয়াসওয়াসার সৃষ্টি হয়ে থাকে। তিনি বললেন, আল্লাহই আমাদের রব। তাঁর সাথে আমরা কাউকে শরীক করি না। ইবনুল মুবারক বলেন, পানি যদি স্থির না থেকে বেয়ে সরে যায় তবে সেইরূপ গোসলখানায় পেশাব করাতে ক্ষতি নেই। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, আহমদ ইবনু আবদাতা আল-আমুলী স্বীয় সনদে ইবনুল মুবারক থেকে উক্ত কথাটি বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে অপর এক সাহাবী থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি গরীব। আশ’আছ ইবনু আবদিল্লাহর সূত্র ব্যতীত মারফূ’ হিসাবে এটি রিওয়ায়াত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। আশ্’আছ ইবনু আবদুল্লাহকে আশআছ আল-আ’মা বলেও অভিহিত করা হয়। আলিমগণের এক দল গোসলখানায় পেশাব করা অপছন্দ করেছেন। তাদের মতে সাধারণত এ থেকেই ওয়াস-ওয়াসার সৃষ্টি হয়। কোন কোন আলিম ফকীহ অবশ্য এই ব্যপারে অনুমতি দিয়েছেন। এদের মধ্যে ইবনু সীরীন (রহঃ) অন্যতম। তাঁকে বলা হয়েছিল যে, সাধারণতঃ এ থেকেই ওয়াসওয়াসার সৃষ্টি হয়ে থাকে। তিনি বললেন, আল্লাহই আমাদের রব। তাঁর সাথে আমরা কাউকে শরীক করি না। ইবনুল মুবারক বলেন, পানি যদি স্থির না থেকে বেয়ে সরে যায় তবে সেইরূপ গোসলখানায় পেশাব করাতে ক্ষতি নেই। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, আহমদ ইবনু আবদাতা আল-আমুলী স্বীয় সনদে ইবনুল মুবারক থেকে উক্ত কথাটি বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لولا ان اشق على امتي لامرتهم بالسواك عند كل صلاة " . قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث محمد بن اسحاق عن محمد بن ابراهيم عن ابي سلمة عن زيد بن خالد عن النبي صلى الله عليه وسلم . وحديث ابي سلمة عن ابي هريرة وزيد بن خالد عن النبي صلى الله عليه وسلم كلاهما عندي صحيح لانه قد روي من غير وجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم هذا الحديث . وحديث ابي هريرة انما صح لانه قد روي من غير وجه . واما محمد بن اسماعيل فزعم ان حديث ابي سلمة عن زيد بن خالد اصح . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي بكر الصديق وعلي وعاىشة وابن عباس وحذيفة وزيد بن خالد وانس وعبد الله بن عمرو وابن عمر وام حبيبة وابي امامة وابي ايوب وتمام بن عباس وعبد الله بن حنظلة وام سلمة وواثلة بن الاسقع وابي موسى .
২২. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে এই অশংকা যদি না হত তা হলে আমি প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করতে তাদের নির্দেশ দিতাম। - ইবনু মাজাহ ২৮৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) আবূ সালমার সূত্রে যায়দ ইবনু খালিদ থেকে এই হাদীছটি বর্ণিত হয়েছ। আবূ সালামার সূত্রে আবূ হুরায়রা ও যায়দ ইবনু খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত উভয় হাদীছই আমার জানা মতে সহীহ। কেননা, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদীছটি আরো বহু সূত্রে বর্ণিত রয়েছে। তবে মুহাম্মাদ (রহঃ) আবূ সালামার সূত্রে যায়দ ইবনু খালিদ বর্ণিত হাদীছটি অধিকতর সহীহ বলে ধারণা পোষণ করেন। এই বিষয়ে আবূ বকর সিদ্দীক, আলী, আয়িশা, ইবনু আব্বাস, হুযায়ফা, যায়দ ইবনু খালিদ, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, ইবনু উমর, উম্মু হবীবা, আবূ উমামা, আবূ আইয়্যূব, তাম্মাম ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা, উম্মু সালমা, ওয়াছিলা ইবনুল আসকা এবং আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) আবূ সালমার সূত্রে যায়দ ইবনু খালিদ থেকে এই হাদীছটি বর্ণিত হয়েছ। আবূ সালামার সূত্রে আবূ হুরায়রা ও যায়দ ইবনু খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত উভয় হাদীছই আমার জানা মতে সহীহ। কেননা, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদীছটি আরো বহু সূত্রে বর্ণিত রয়েছে। তবে মুহাম্মাদ (রহঃ) আবূ সালামার সূত্রে যায়দ ইবনু খালিদ বর্ণিত হাদীছটি অধিকতর সহীহ বলে ধারণা পোষণ করেন। এই বিষয়ে আবূ বকর সিদ্দীক, আলী, আয়িশা, ইবনু আব্বাস, হুযায়ফা, যায়দ ইবনু খালিদ, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, ইবনু উমর, উম্মু হবীবা, আবূ উমামা, আবূ আইয়্যূব, তাম্মাম ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা, উম্মু সালমা, ওয়াছিলা ইবনুল আসকা এবং আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن محمد بن اسحاق، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن زيد بن خالد الجهني، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لولا ان اشق على امتي لامرتهم بالسواك عند كل صلاة ولاخرت صلاة العشاء الى ثلث الليل " . قال فكان زيد بن خالد يشهد الصلوات في المسجد وسواكه على اذنه موضع القلم من اذن الكاتب لا يقوم الى الصلاة الا استن ثم رده الى موضعه " .
২৩. হান্নাদ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু খালিদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে এই আশংকা যদি না হত তাহলে প্রতি সালাতের সময় তাদের আমি মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম আর রাত্রের এক তৃতীয়াংশ সময় পর্যন্ত ইশার সালাত পিছিয়ে নিতাম। রাবী বলেন, লিপিকার তার কলম কানের যে স্থানে গুঁজে রাখে তেমনি যায়দ ইবনু খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু কানে মিসওয়াক গুঁজে রেখে সালাতের জন্য মসজিদে হাযির হতেন। সালাতে দাঁড়ানোর সময় তিনি মিসওয়াক করে নিতেন এবং পুনরায় তা স্ব-স্থানে রেখে দিতেন। - সহিহ আবু দাউদ ৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ।
হাদিস নং: ২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، احمد بن بكار الدمشقي - يقال هو من ولد بسر بن ارطاة صاحب النبي صلى الله عليه وسلم حدثنا الوليد بن مسلم عن الاوزاعي عن الزهري عن سعيد بن المسيب وابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا استيقظ احدكم من الليل فلا يدخل يده في الاناء حتى يفرغ عليها مرتين او ثلاثا فانه لا يدري اين باتت يده " . وفي الباب عن ابن عمر وجابر وعاىشة . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح . قال الشافعي واحب لكل من استيقظ من النوم قاىلة كانت او غيرها ان لا يدخل يده في وضوىه حتى يغسلها فان ادخل يده قبل ان يغسلها كرهت ذلك له ولم يفسد ذلك الماء اذا لم يكن على يده نجاسة . وقال احمد بن حنبل اذا استيقظ من النوم من الليل فادخل يده في وضوىه قبل ان يغسلها فاعجب الى ان يهريق الماء . وقال اسحاق اذا استيقظ من النوم بالليل او بالنهار فلا يدخل يده في وضوىه حتى يغسلها .
২৪. আবূল ওয়ালীদ আহমদ ইবনু বাক্কার আদ্-দিমাশকী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন তোমাদের কেউ যদি রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠে তবে সে হাতে দুই বা তিন বার পানি না ঢেলে তা পাত্রে ঢুকাবে না। কারণ, সে জানেনা তার হাত কোন কোন স্থানে রাত কাটিয়েছে। - ইবনু মাজাহ ৩৯৩, বুখারি ও মুসলিম, বুখারিতে সংখ্যার উল্লেখ নেই, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর, জাবির ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতেও হাদীছ বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি হাসান ও সহীহ। ইমাম শাফিঈ বলেন, আমি ভাল মনে করি, দিনে হোক বা রাতে হোক ঘুম থেকে জেগে উঠে কেউ যেন হাত না ধুয়ে তা উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পাত্রে প্রবেশ না করায়। অধৌত হাত পাত্রে প্রবেশ করানো আমি মাকরূহ মনে করি। কিন্তু হাতে কোন নাপাকী না থাকলে তাতে পানি ফাসিদ বা বিনষ্ট হবে না। ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বাল বলেন, যদি রাতে কেউ জাগরিত হয় আর সে হাত না ধুযে তা উযূর পানি রাখা পাত্রে ঢুকিয়ে দেয় তবে সে পানি ফেলে দেওয়াই আমার নিকট উত্তম। ইসহাক (রহঃ) বলেন, রাতে বা দিনে যে কোন সময় ঘুম থেকে জাগরিত হলে হাত না ধুয়ে তা উযূর বরতনে ঢুকাবে না।
এই বিষয়ে ইবনু উমর, জাবির ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতেও হাদীছ বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি হাসান ও সহীহ। ইমাম শাফিঈ বলেন, আমি ভাল মনে করি, দিনে হোক বা রাতে হোক ঘুম থেকে জেগে উঠে কেউ যেন হাত না ধুয়ে তা উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পাত্রে প্রবেশ না করায়। অধৌত হাত পাত্রে প্রবেশ করানো আমি মাকরূহ মনে করি। কিন্তু হাতে কোন নাপাকী না থাকলে তাতে পানি ফাসিদ বা বিনষ্ট হবে না। ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বাল বলেন, যদি রাতে কেউ জাগরিত হয় আর সে হাত না ধুযে তা উযূর পানি রাখা পাত্রে ঢুকিয়ে দেয় তবে সে পানি ফেলে দেওয়াই আমার নিকট উত্তম। ইসহাক (রহঃ) বলেন, রাতে বা দিনে যে কোন সময় ঘুম থেকে জাগরিত হলে হাত না ধুয়ে তা উযূর বরতনে ঢুকাবে না।
হাদিস নং: ২৫
হাসান (Hasan)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، وبشر بن معاذ العقدي، قالا حدثنا بشر بن المفضل، عن عبد الرحمن بن حرملة، عن ابي ثفال المري، عن رباح بن عبد الرحمن بن ابي سفيان بن حويطب، عن جدته، عن ابيها، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا وضوء لمن لم يذكر اسم الله عليه " . قال وفي الباب عن عاىشة وابي سعيد وابي هريرة وسهل بن سعد وانس . قال ابو عيسى قال احمد بن حنبل لا اعلم في هذا الباب حديثا له اسناد جيد . وقال اسحاق ان ترك التسمية عامدا اعاد الوضوء وان كان ناسيا او متاولا اجزاه . قال محمد بن اسماعيل احسن شيء في هذا الباب حديث رباح بن عبد الرحمن . قال ابو عيسى ورباح بن عبد الرحمن عن جدته عن ابيها . وابوها سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل . وابو ثفال المري اسمه ثمامة بن حصين . ورباح بن عبد الرحمن هو ابو بكر بن حويطب . منهم من روى هذا الحديث فقال عن ابي بكر بن حويطب فنسبه الى جده .
২৫. নাসর ইবনু আলী ও বিশর ইবনু মু’আয আল-আকাদী (রহঃ) ..... রাবাহ ইবন আবদির রাহমান ইবনু আবী সুফইয়ান ইবনু হুওয়ায়তিব (রহঃ) তাঁর পিতামহী থেকে বর্ণনা করেন। আমার পিতা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম নিবে না, তার উযূ (ওজু/অজু/অযু) হবে না। - ইবনু মাজাহ ৩৯৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, আবূ হুরায়রা, আবূ সঈদ খুদরী, সাহল ইবনু সা’দ ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ইমাম আহমদ বলেছেন, এই বিষয়ে এমন কোন হাদিস আমার জানা নেই যে হাদিসটির সনদ জায়্যিদ বা উত্তম বলা যেতে পারে। ইমাম ইসহাক (রহঃ) বলেন, ইচ্ছাপূর্বক ’’বিসমিল্লাহ’’ বলা পরিত্যাগ করলে পুনরায় উযূ করতে হবে। ভুলক্রমে কিংবা ভিন্ন কোন ব্যাখ্যার আলোকে বিসমিল্লাহ পরিত্যাগ করলে পুনরায় উযূর দরকার হবে না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে রাবাহ ইবনু আবদির রাহমান বর্ণিত হাদিসটই অধিক উত্তম।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন রাবাহ ইবনু আবদির রাহমানের পিতামহীর পিতা হলেন সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফায়ল। রাবী আবূ ছিকাল আল-মুররীর নাম হল ছুমামা ইবনু হুসায়ন। রাবাহ ইবনু আবদির রাহমানই হচ্ছেন আবূ বকর ইবনু হুওয়ায়তিব। রাবীদের কেউ কেউ এই হদীছের বর্ণনায় পিতাম হুয়ায়াতিবের প্রতি সম্পর্কিত করে আবূ বকর ইবনু হুওয়ায়াতির রূপে তাঁকে উল্লেখ করেছেন।
এই বিষয়ে আয়িশা, আবূ হুরায়রা, আবূ সঈদ খুদরী, সাহল ইবনু সা’দ ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ইমাম আহমদ বলেছেন, এই বিষয়ে এমন কোন হাদিস আমার জানা নেই যে হাদিসটির সনদ জায়্যিদ বা উত্তম বলা যেতে পারে। ইমাম ইসহাক (রহঃ) বলেন, ইচ্ছাপূর্বক ’’বিসমিল্লাহ’’ বলা পরিত্যাগ করলে পুনরায় উযূ করতে হবে। ভুলক্রমে কিংবা ভিন্ন কোন ব্যাখ্যার আলোকে বিসমিল্লাহ পরিত্যাগ করলে পুনরায় উযূর দরকার হবে না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে রাবাহ ইবনু আবদির রাহমান বর্ণিত হাদিসটই অধিক উত্তম।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন রাবাহ ইবনু আবদির রাহমানের পিতামহীর পিতা হলেন সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফায়ল। রাবী আবূ ছিকাল আল-মুররীর নাম হল ছুমামা ইবনু হুসায়ন। রাবাহ ইবনু আবদির রাহমানই হচ্ছেন আবূ বকর ইবনু হুওয়ায়তিব। রাবীদের কেউ কেউ এই হদীছের বর্ণনায় পিতাম হুয়ায়াতিবের প্রতি সম্পর্কিত করে আবূ বকর ইবনু হুওয়ায়াতির রূপে তাঁকে উল্লেখ করেছেন।
হাদিস নং: ২৬
হাসান (Hasan)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا يزيد بن هارون، عن يزيد بن عياض، عن ابي ثفال المري، عن رباح بن عبد الرحمن بن ابي سفيان بن حويطب، عن جدته بنت سعيد بن زيد، عن ابيها، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
২৬. হাসান ইবনু আলী আল-হুলওয়ানী (রহঃ) ...... সাঈদ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনূরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد بن زيد، وجرير، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن سلمة بن قيس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا توضات فانتثر واذا استجمرت فاوتر " . قال وفي الباب عن عثمان ولقيط بن صبرة وابن عباس والمقدام بن معديكرب وواىل بن حجر وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث سلمة بن قيس حديث حسن صحيح . واختلف اهل العلم فيمن ترك المضمضة والاستنشاق فقالت طاىفة منهم اذا تركهما في الوضوء حتى صلى اعاد الصلاة وراوا ذلك في الوضوء والجنابة سواء . وبه يقول ابن ابي ليلى وعبد الله بن المبارك واحمد واسحاق . وقال احمد الاستنشاق اوكد من المضمضة . قال ابو عيسى وقالت طاىفة من اهل العلم يعيد في الجنابة ولا يعيد في الوضوء وهو قول سفيان الثوري وبعض اهل الكوفة . وقالت طاىفة لا يعيد في الوضوء ولا في الجنابة لانهما سنة من النبي صلى الله عليه وسلم فلا تجب الاعادة على من تركهما في الوضوء ولا في الجنابة . وهو قول مالك والشافعي في اخرة .
২৭. কুতায়বা (রহঃ) ..... সালমা ইবনু কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, যখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে তখন নাকে পানি ঢেলে তা ঝেড়ে ফেলবে। আর কুলুখ ব্যবহার করলে তা বেজোড় সংখ্যায় করবে। - ইবনু মাজাহ ৪০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ’উছমান, লাকীত ইবনু সাবিরা, ইবনু ’আব্বাস, মিকদাম ইবনু মা’দী কারিব, ওয়াইল ইবনু হুজর ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, সালমা ইবনু কায়স বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান এবং সহীহ। নাকে পানি দেওয়া ও কুলি করা ছেড়ে দিলে তার বিধান সম্পর্কে আলিমগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের একদল বলেন , কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া ছেড়ে দিয়ে কেউ যদি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে এবং সে উযূ (ওজু/অজু/অযু) দিয়ে সালাত আদায় করে তবে তাকে সালাত পূনরায় আদায় করতে হবে। উযূ ও ফরয গোসল উভয়ক্ষেত্রে বিধান একই। ইবনু আবী লায়লা, ’আবদুল্লাহ ইবনু ইবনু মুবারক, আহমদ, ইসহাক এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আহমদ বলেন, কুলি করা অপেক্ষা নাকি পানি দেয়ার বিষয়টি অধিকতর তাকীদপূর্ণ। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ’আলিমদের অপর একদল বলেন, এমতাস্থায় ফরয গোসল পুনারায় করতে হবে; উযূ পুনারায় করতে হবে না। সুফইয়ান ছাওরী এবং কূফাবাসী আলিমগণের কারো মত অনুরূপ। অপর একদল ’আলিম বলেন উযূ ও ফরয গোসল কোনটাই পুনরায় করতে হবে না। এ হল ইমাম মালিক ও শাফি’ঈ এর অভিমত।
এই বিষয়ে ’উছমান, লাকীত ইবনু সাবিরা, ইবনু ’আব্বাস, মিকদাম ইবনু মা’দী কারিব, ওয়াইল ইবনু হুজর ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, সালমা ইবনু কায়স বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান এবং সহীহ। নাকে পানি দেওয়া ও কুলি করা ছেড়ে দিলে তার বিধান সম্পর্কে আলিমগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের একদল বলেন , কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া ছেড়ে দিয়ে কেউ যদি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে এবং সে উযূ (ওজু/অজু/অযু) দিয়ে সালাত আদায় করে তবে তাকে সালাত পূনরায় আদায় করতে হবে। উযূ ও ফরয গোসল উভয়ক্ষেত্রে বিধান একই। ইবনু আবী লায়লা, ’আবদুল্লাহ ইবনু ইবনু মুবারক, আহমদ, ইসহাক এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আহমদ বলেন, কুলি করা অপেক্ষা নাকি পানি দেয়ার বিষয়টি অধিকতর তাকীদপূর্ণ। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ’আলিমদের অপর একদল বলেন, এমতাস্থায় ফরয গোসল পুনারায় করতে হবে; উযূ পুনারায় করতে হবে না। সুফইয়ান ছাওরী এবং কূফাবাসী আলিমগণের কারো মত অনুরূপ। অপর একদল ’আলিম বলেন উযূ ও ফরয গোসল কোনটাই পুনরায় করতে হবে না। এ হল ইমাম মালিক ও শাফি’ঈ এর অভিমত।
হাদিস নং: ২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا ابراهيم بن موسى الرازي، حدثنا خالد بن عبد الله، عن عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم مضمض واستنشق من كف واحد فعل ذلك ثلاثا . قال ابو عيسى وفي الباب عن عبد الله بن عباس . قال ابو عيسى وحديث عبد الله بن زيد حسن غريب . وقد روى مالك وابن عيينة وغير واحد هذا الحديث عن عمرو بن يحيى ولم يذكروا هذا الحرف ان النبي صلى الله عليه وسلم مضمض واستنشق من كف واحد . وانما ذكره خالد بن عبد الله . وخالد بن عبد الله ثقة حافظ عند اهل الحديث . وقال بعض اهل العلم المضمضة والاستنشاق من كف واحد يجزى وقال بعضهم تفريقهما احب الينا . وقال الشافعي ان جمعهما في كف واحد فهو جاىز وان فرقهما فهو احب الينا .
২৮. ইয়াহ্য়া ইবনু মূসা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু যায়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, একই কোষে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কুলি করতে ও নাকে পানি দিতে দেখেছি। তিনি এরূপ তিনাবর করেছেন। - সহিহ আবু দাউদ ১১০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, ’আবূ আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান গরীব। ’আমর ইবনুু ইয়াহইয়ার সূত্রে মালিক ও ইবনু ’উয়ায়না এবং আরো একাধিক রাবী এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু ’’রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই কোষে কুলি করেছেন ও নাকে পানি দিয়েছেন’’ বাক্যটি তারা উল্লেখ করেননি। কেবলমাত্র খালিদ ইবনু আবদিল্লাহ্ এটির উল্লেখ করেছেন। মুহাদ্দিছগণের নিকট খালিদ নির্ভরযোগ্য ও হাফিজুল হাদিস হিসাবে স্বীকৃত। ’আলিমগণের কেউ কেউ বলেনঃ একই কোষে কুলি করলে ও নাকে পানি দিলে তা যথেষ্ট বলে গণ্য হবে। অপর এক দল বলেনঃ আমাদের নিকট পৃথক পৃথক কোষে কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয় অধিক পছন্দনীয়। ইমাম শাফিঈ বলেনঃ একই কোষে তা করা জায়েয হবে বটে; কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে করাই আমার নিকট উত্তম।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, ’আবূ আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান গরীব। ’আমর ইবনুু ইয়াহইয়ার সূত্রে মালিক ও ইবনু ’উয়ায়না এবং আরো একাধিক রাবী এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু ’’রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই কোষে কুলি করেছেন ও নাকে পানি দিয়েছেন’’ বাক্যটি তারা উল্লেখ করেননি। কেবলমাত্র খালিদ ইবনু আবদিল্লাহ্ এটির উল্লেখ করেছেন। মুহাদ্দিছগণের নিকট খালিদ নির্ভরযোগ্য ও হাফিজুল হাদিস হিসাবে স্বীকৃত। ’আলিমগণের কেউ কেউ বলেনঃ একই কোষে কুলি করলে ও নাকে পানি দিলে তা যথেষ্ট বলে গণ্য হবে। অপর এক দল বলেনঃ আমাদের নিকট পৃথক পৃথক কোষে কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয় অধিক পছন্দনীয়। ইমাম শাফিঈ বলেনঃ একই কোষে তা করা জায়েয হবে বটে; কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে করাই আমার নিকট উত্তম।
হাদিস নং: ২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد الكريم بن ابي المخارق ابي امية، عن حسان بن بلال، قال رايت عمار بن ياسر توضا فخلل لحيته فقيل له او قال فقلت له اتخلل لحيتك قال وما يمنعني ولقد رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يخلل لحيته .
২৯. ইবনু আবী উমর (রহঃ) ..... হাসসান ইবনু বিলাল (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, আম্মার ইবনু ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহু কে দেখলাম তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করছেন। সে সময় তিনি দাড়ি খিলাল করলেন। আমি তাঁকে বললাম (বর্ণনান্তরে তাঁকে বলা হল), আপনি দাড়ি খিলাল করছেন? তিনি বললেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি দাড়ি খিলাল করতে দেখেছি। সূতরাং আমি তা থেকে বিরত থাকব কেন? - ইবনু মাজাহ ৪২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن حسان بن بلال، عن عمار، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال ابو عيسى وفي الباب عن عثمان وعاىشة وام سلمة وانس وابن ابي اوفى وابي ايوب . قال ابو عيسى وسمعت اسحاق بن منصور يقول قال احمد بن حنبل قال ابن عيينة لم يسمع عبد الكريم من حسان بن بلال حديث التخليل . وقال محمد بن اسماعيل اصح شيء في هذا الباب حديث عامر بن شقيق عن ابي واىل عن عثمان . قال ابو عيسى وقال بهذا اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم راوا تخليل اللحية . وبه يقول الشافعي . وقال احمد ان سها عن تخليل اللحية فهو جاىز . وقال اسحاق ان تركه ناسيا او متاولا اجزاه وان تركه عامدا اعاد .
৩০. ইবনু আবী ওমর (রহঃ) ....... সুফইয়ান সাঈদ ইবনু আবী আরুবা কাতাদা হাসসান ইবনু বিলাল (রহঃ) সূত্রেও হাদিসটির অনূরূপ রিওয়াত করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বিষয়ে উছমান, আয়িশা, উম্মু ছালাম, আনাস ইবনু আবী আওফা ও আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ইবনু উয়ায়না থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন হাসসান ইবনু বিলাল থেকে আবদুল করীম (রহঃ) খিলাল সম্পর্কিত হাদিসটি শুনেননি।
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী বলেন, এই বিষয়ে বর্ণিত হাদিস সমূহের মধ্যে আমির ইবনু শাকীক-আবু ওয়াইল উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, সাহাবী ও পরবর্তী যুগের অধিকাংশ আলিম দাড়ি খিলালের বিধান দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈও এই অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম আহমদ বলেন কেউ যদি দাড়ি খিলাল ভুলে যায় তবে তাতে অসুবিধা নেই, তা যায়েয। ইমাম ইসহাক বলেন, কেউ যদি ভুলে বা কোন ব্যাখার প্রেক্ষেিতে তা ছেড়ে দেয় তবে তাতে উযূ হয়ে যাবে। কিন্তু স্বেচ্ছায় যদি তা পরিত্যাগ করে তবে পুনারায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে।
আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বিষয়ে উছমান, আয়িশা, উম্মু ছালাম, আনাস ইবনু আবী আওফা ও আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ইবনু উয়ায়না থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন হাসসান ইবনু বিলাল থেকে আবদুল করীম (রহঃ) খিলাল সম্পর্কিত হাদিসটি শুনেননি।
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী বলেন, এই বিষয়ে বর্ণিত হাদিস সমূহের মধ্যে আমির ইবনু শাকীক-আবু ওয়াইল উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, সাহাবী ও পরবর্তী যুগের অধিকাংশ আলিম দাড়ি খিলালের বিধান দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈও এই অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম আহমদ বলেন কেউ যদি দাড়ি খিলাল ভুলে যায় তবে তাতে অসুবিধা নেই, তা যায়েয। ইমাম ইসহাক বলেন, কেউ যদি ভুলে বা কোন ব্যাখার প্রেক্ষেিতে তা ছেড়ে দেয় তবে তাতে উযূ হয়ে যাবে। কিন্তু স্বেচ্ছায় যদি তা পরিত্যাগ করে তবে পুনারায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে।
হাদিস নং: ৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، عن اسراىيل، عن عامر بن شقيق، عن ابي واىل، عن عثمان بن عفان، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يخلل لحيته . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১. ইয়হইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ..... উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাড়ি খিলাল করতেন। - ইবনু মাজাহ ৪৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن بن عيسى القزاز، حدثنا مالك بن انس، عن عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مسح راسه بيديه فاقبل بهما وادبر بدا بمقدم راسه ثم ذهب بهما الى قفاه ثم ردهما حتى رجع الى المكان الذي بدا منه ثم غسل رجليه . قال ابو عيسى وفي الباب عن معاوية والمقدام بن معديكرب وعاىشة . قال ابو عيسى حديث عبد الله بن زيد اصح شيء في هذا الباب واحسن وبه يقول الشافعي واحمد واسحاق .
৩২. ইসহাক ইবনু মূসা আল-আনসারী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাতে মাথা মাসেহ করেছেন। উভয় হাতকে সামনে ও পিছনে নিয়েছেন। মাথার সম্মুখ ভাগ থেকে শুরু করে হাত দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে গেছেন। এরপর হাত দুটি আবার যে স্থান থেকে শুরু করেছিলেন সেস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তারপর তাঁর দুই পা ধুয়েছেন। - ইবনু মাজাহ ৪৩৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে মু’আবিয়া, মিকদাম ইবনু মা’দীকারিব ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বলেন এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ ও উত্তম। ইমাম শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে মু’আবিয়া, মিকদাম ইবনু মা’দীকারিব ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বলেন এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ ও উত্তম। ইমাম শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৩
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بشر بن المفضل، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الربيع بنت معوذ بن عفراء، ان النبي صلى الله عليه وسلم مسح براسه مرتين بدا بموخر راسه ثم بمقدمه وباذنيه كلتيهما ظهورهما وبطونهما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن وحديث عبد الله بن زيد اصح من هذا واجود اسنادا . وقد ذهب بعض اهل الكوفة الى هذا الحديث منهم وكيع بن الجراح .
৩৩. কুতায়বা (রহঃ) ..... রুবায়্যি বিনত মু’আববিয ইবনু ’আফরা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা দুইবার মাসেহ করেন। তিনি মাথার পিছন থেকে শুরু করেন পরে সম্মুখ ভাগে তা শেষ করেন এবং কানের সম্মুখ ও পিছন উভয় ভাগও মাসেহ করেন। - ইবনু মাজাহ ৩৯০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান। এর তুলনায় আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি অধিক সহীহ ও উত্তম। ওয়াকী’ ইবনুল জাররাহ এর মত কূফাবাসী আলেমদের কেউ কেউ এই হাদিস অনুসারে অভিমত ব্যাক্ত করে থাকেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান। এর তুলনায় আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি অধিক সহীহ ও উত্তম। ওয়াকী’ ইবনুল জাররাহ এর মত কূফাবাসী আলেমদের কেউ কেউ এই হাদিস অনুসারে অভিমত ব্যাক্ত করে থাকেন।
হাদিস নং: ৩৪
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا بكر بن مضر، عن ابن عجلان، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الربيع بنت معوذ بن عفراء، انها رات النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا قالت مسح راسه ومسح ما اقبل منه وما ادبر وصدغيه واذنيه مرة واحدة " . قال وفي الباب عن علي وجد طلحة بن مصرف بن عمرو . قال ابو عيسى وحديث الربيع حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن النبي صلى الله عليه وسلم انه مسح براسه مرة . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم . وبه يقول جعفر بن محمد وسفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق راوا مسح الراس مرة واحدة . حدثنا محمد بن منصور المكي قال سمعت سفيان بن عيينة يقول سالت جعفر بن محمد عن مسح الراس ايجزى مرة فقال اي والله .
৩৪. কুতায়বা (রহঃ) ..... রুবায়্যি’ বিনত মুআববিয ইবনু ’আফরা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখেছেন। রুবায়্য’ বলেন, তিনি তাঁর মাথার সম্মুখ ভাগ ও পশ্চাৎ,কানপট্টি এবং তাঁর দুইকান একবার মাসেহ করলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ’আলী এবং তালহা ইবনু মূসাররিফ ইবনু আমরের পিতামহ থেকেও হাদিস বার্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন রুবায়্যি’ বর্ণিত হাদিসটি হাসান এবং সহীহ। একধিক ভাবে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা একবার মাসেহ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও পরবর্তী আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে মত ব্যক্ত করেছন। ইমাম জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদ, সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক ও মাথা মাসহ(মাসেহ) একবার করার মত পোষণ করেন। মুহাম্মদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মাসসূর (রহঃ) বলেন যে, আমি শুনেছি সুফইয়ান ইবনু উয়ায়না বলেন, আমি জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, একবার মাথা মাসেহ করলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম।
এই বিষয়ে ’আলী এবং তালহা ইবনু মূসাররিফ ইবনু আমরের পিতামহ থেকেও হাদিস বার্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন রুবায়্যি’ বর্ণিত হাদিসটি হাসান এবং সহীহ। একধিক ভাবে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা একবার মাসেহ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও পরবর্তী আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে মত ব্যক্ত করেছন। ইমাম জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদ, সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক ও মাথা মাসহ(মাসেহ) একবার করার মত পোষণ করেন। মুহাম্মদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মাসসূর (রহঃ) বলেন যে, আমি শুনেছি সুফইয়ান ইবনু উয়ায়না বলেন, আমি জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, একবার মাথা মাসেহ করলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম।
হাদিস নং: ৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، عن حبان بن واسع، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم توضا وانه مسح راسه بماء غير فضل يديه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروى ابن لهيعة هذا الحديث عن حبان بن واسع عن ابيه عن عبد الله بن زيد ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا وانه مسح راسه بماء غبر من فضل يديه " . ورواية عمرو بن الحارث عن حبان اصح لانه قد روي من غير وجه هذا الحديث عن عبد الله بن زيد وغيره ان النبي صلى الله عليه وسلم اخذ لراسه ماء جديدا . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم راوا ان ياخذ لراسه ماء جديدا .
৩৫. ’আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে লেগে থাকা পানি ছাড়াও অন্য পানি নিয়ে সে সময় তাঁর মাথা মাসেহ করলেন। - সহিহ আবু দাউদ ১১১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান ও সহিহ। ইবনু লাহী’আ ও হাববান এর সনদে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে থাকা পানি দিয়ে মাসেহ করে উযূ করেছেন। হাব্বানের সূত্রে ’আমর ইবনু হারিছ বর্ণিত হাদিসটি (যা এই অনুচ্ছেদের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে) অধিকতর সহীহ। কেননা, একধিক সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ প্রমুখ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি নিয়েছেন। অধিকাংশ আলিম এই হাদিস অনুসারে মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি গ্রহণের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান ও সহিহ। ইবনু লাহী’আ ও হাববান এর সনদে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে থাকা পানি দিয়ে মাসেহ করে উযূ করেছেন। হাব্বানের সূত্রে ’আমর ইবনু হারিছ বর্ণিত হাদিসটি (যা এই অনুচ্ছেদের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে) অধিকতর সহীহ। কেননা, একধিক সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ প্রমুখ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি নিয়েছেন। অধিকাংশ আলিম এই হাদিস অনুসারে মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি গ্রহণের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৬
হাসান (Hasan)
حدثنا هناد، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم مسح براسه واذنيه ظاهرهما وباطنهما . قال ابو عيسى وفي الباب عن الربيع . قال ابو عيسى وحديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم يرون مسح الاذنين ظهورهما وبطونهما .
৩৬. হান্নাদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা এবং পশ্চাৎ ও সম্মুখ ভাগসহ কান মাসেহ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৪৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে রুবায়্যি’ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে ওহাদিস বার্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে কানের সম্মুখ ও পিছন ভাগ মাসেহ করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে রুবায়্যি’ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে ওহাদিস বার্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে কানের সম্মুখ ও পিছন ভাগ মাসেহ করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن سنان بن ربيعة، عن شهر بن حوشب، عن ابي امامة، قال توضا النبي صلى الله عليه وسلم فغسل وجهه ثلاثا ويديه ثلاثا ومسح براسه وقال " الاذنان من الراس " . قال ابو عيسى قال قتيبة قال حماد لا ادري هذا من قول النبي صلى الله عليه وسلم او من قول ابي امامة . قال وفي الباب عن انس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن ليس اسناده بذاك القاىم . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم ان الاذنين من الراس . وبه يقول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق . وقال بعض اهل العلم ما اقبل من الاذنين فمن الوجه وما ادبر فمن الراس . قال اسحاق واختار ان يمسح مقدمهما مع الوجه وموخرهما مع راسه . وقال الشافعي هما سنة على حيالهما يمسحهما بماء جديد .
৩৭. কুতায়াবা (রহঃ) ..... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার সময় তাঁর চেহারা ও হাত তিনবার ধৌত করলেন মাথা মাসেহ করলেন। পরে বললেন, কানের সম্পর্ক মাথার সাথে। - ইবনু মাজাহ ৪৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, কুতায়বা রিওয়ায়াত করেন যে, হাম্মাদ বলেনছেন, ’’কানের সম্পর্ক মাথার সাথে’’ এই কথাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি না আবূ উমামার উক্তি তা আমি জানি না। এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসের সনদটি তেমন প্রতিষ্ঠিত নয়। সাহাবী ও পরবর্তীদের অধিকাংশই এই হাদিসটির অনুসরণে অভিমত দিয়েছেন যে, কানের সম্পর্ক মাথার সাথে। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকারে বক্তব্যও এ-ই। আলিমদের কেউ কেউ বলেছেন, কানের সামনের অংশের হল চেহারার সাথে আর পিছনের অংশের সম্বন্ধ হল মাথার সাথে। ইসাহাক বলেন, কানের সামনের অংশ চেহারার সথে এবং পিছনের অংশ মাথার সাথে মাসহ(মাসেহ) করা আমার নিকট পছন্দনীয়। ইমাম শাফি’ঈ (রহঃ) বলেন এ হল তাদের অবস্থান অনুসারে স্বতন্ত্র সুন্নত। নতুন করে পানি নিয়ে এ দুটোর মাসেহ করা হবে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, কুতায়বা রিওয়ায়াত করেন যে, হাম্মাদ বলেনছেন, ’’কানের সম্পর্ক মাথার সাথে’’ এই কথাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি না আবূ উমামার উক্তি তা আমি জানি না। এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসের সনদটি তেমন প্রতিষ্ঠিত নয়। সাহাবী ও পরবর্তীদের অধিকাংশই এই হাদিসটির অনুসরণে অভিমত দিয়েছেন যে, কানের সম্পর্ক মাথার সাথে। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকারে বক্তব্যও এ-ই। আলিমদের কেউ কেউ বলেছেন, কানের সামনের অংশের হল চেহারার সাথে আর পিছনের অংশের সম্বন্ধ হল মাথার সাথে। ইসাহাক বলেন, কানের সামনের অংশ চেহারার সথে এবং পিছনের অংশ মাথার সাথে মাসহ(মাসেহ) করা আমার নিকট পছন্দনীয়। ইমাম শাফি’ঈ (রহঃ) বলেন এ হল তাদের অবস্থান অনুসারে স্বতন্ত্র সুন্নত। নতুন করে পানি নিয়ে এ দুটোর মাসেহ করা হবে।
হাদিস নং: ৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، وهناد، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ابي هاشم، عن عاصم بن لقيط بن صبرة، عن ابيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا توضات فخلل الاصابع " . قال وفي الباب عن ابن عباس والمستورد وهو ابن شداد الفهري وابي ايوب الانصاري . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم انه يخلل اصابع رجليه في الوضوء . وبه يقول احمد واسحاق . وقال اسحاق يخلل اصابع يديه ورجليه في الوضوء . وابو هاشم اسمه اسماعيل بن كثير المكي .
৩৮. কুতায়বা ও হান্নাদ (রহঃ) ..... লাকীত ইবনু সবিরা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে অঙ্গুলী খিলাল করবে। - ইবনু মাজাহ ৪৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, মুস্তাওরিদ (তিনি হলেন, ইবনু শাদ্দাদ আল-ফিহরী) এবং আবূ আয়্যূব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে উযূর সময় পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করার বিধান দিয়েছেন। আহমদ, ইসহাকও এই অভিমত পোষণ করেন। ইসহাক বলেন, উযূর সময় হাত ও পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করা হবে। রাবী আবূ হাশিমের নাম ইসমাঈল ইবনু কাছীর আল-মাক্কী।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, মুস্তাওরিদ (তিনি হলেন, ইবনু শাদ্দাদ আল-ফিহরী) এবং আবূ আয়্যূব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে উযূর সময় পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করার বিধান দিয়েছেন। আহমদ, ইসহাকও এই অভিমত পোষণ করেন। ইসহাক বলেন, উযূর সময় হাত ও পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করা হবে। রাবী আবূ হাশিমের নাম ইসমাঈল ইবনু কাছীর আল-মাক্কী।
হাদিস নং: ৩৯
হাসান (Hasan)
حدثنا ابراهيم بن سعيد، هو الجوهري حدثنا سعد بن عبد الحميد بن جعفر، حدثنا عبد الرحمن بن ابي الزناد، عن موسى بن عقبة، عن صالح، مولى التوامة عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا توضات فخلل بين اصابع يديك ورجليك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৩৯. ইবরাহীম ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার সময় তোমার হাত ও পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করবে। - ইবনু মাজাহ ৪৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইামাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান ও গরীব।
ইামাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান ও গরীব।
হাদিস নং: ৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابن لهيعة، عن يزيد بن عمرو، عن ابي عبد الرحمن الحبلي، عن المستورد بن شداد الفهري، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم اذا توضا دلك اصابع رجليه بخنصره . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ابن لهيعة .
৪০. কুতায়বা (রহঃ) ..... মুসতাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ ফিহরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার সময় কনিষ্ঠ অঙ্গুলী দিয়ে পায়ের অঙ্গুলী মলতে দেখেছি। - ইবনু মাজাহ ৪৪৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু লাহী’আ ছাড়া আর কারো সনদে হাদিসটি পরিচিত নয়।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু লাহী’আ ছাড়া আর কারো সনদে হাদিসটি পরিচিত নয়।