হাদিস নং: ১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ابو عوانة، عن سماك بن حرب، ح وحدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن اسراىيل، عن سماك، عن مصعب بن سعد، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " لا تقبل صلاة بغير طهور ولا صدقة من غلول " . قال هناد في حديثه " الا بطهور " . قال ابو عيسى هذا الحديث اصح شيء في هذا الباب واحسن . وفي الباب عن ابي المليح عن ابيه وابي هريرة وانس . وابو المليح بن اسامة اسمه عامر ويقال زيد بن اسامة بن عمير الهذلي .
১. কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও হান্নাদ (রহঃ) ... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তাহারাত ছাড়া সালাত কবূল হয় না আর খিয়ানতের মাল থেকে [1] সা’দকা (কবুল) হয় না। (ইমাম তিরমিযী রাবী হান্নাদ -এর সূত্রেও হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। হান্নাদ بغير طهور এর স্থলে الا بطهور উল্লেখ করেছেন।)
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে উক্ত হাদীছটই হল সর্বপেক্ষা সহীহ এবং হাসান। এই বিষয়ে আবূল মালীহ তাঁর পিতার বরাতে এবং আবূ হুরাযরা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। এই আবূল মলীহ হলেন উসামার পুত্র। তাঁর নাম আমির। ভিন্ন মতে তিনি হলেন যায়দ ইবনু উসামা ইবনু উমায়র আল-হুযালী। - ইবনু মাজাহ -২৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে উক্ত হাদীছটই হল সর্বপেক্ষা সহীহ এবং হাসান। এই বিষয়ে আবূল মালীহ তাঁর পিতার বরাতে এবং আবূ হুরাযরা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। এই আবূল মলীহ হলেন উসামার পুত্র। তাঁর নাম আমির। ভিন্ন মতে তিনি হলেন যায়দ ইবনু উসামা ইবনু উমায়র আল-হুযালী। - ইবনু মাজাহ -২৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
নোট: 1. غلول খিয়ানত করা, গণীমতের মালে খিয়ানত করা,গনীমতের মাল চুরি করে রাখা। যদিও এ হাদীছে কেবল গনীমতের মালের উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু যাবতীয় হারাম মালের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য।
হাদিস নং: ২
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن بن عيسى القزاز، حدثنا مالك بن انس، ح وحدثنا قتيبة، عن مالك، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا توضا العبد المسلم او المومن فغسل وجهه خرجت من وجهه كل خطيىة نظر اليها بعينيه مع الماء او مع اخر قطر الماء او نحو هذا واذا غسل يديه خرجت من يديه كل خطيىة بطشتها يداه مع الماء او مع اخر قطر الماء حتى يخرج نقيا من الذنوب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وهو حديث مالك عن سهيل عن ابيه عن ابي هريرة . وابو صالح والد سهيل هو ابو صالح السمان واسمه ذكوان . وابو هريرة اختلف في اسمه فقالوا عبد شمس وقالوا عبد الله بن عمرو وهكذا قال محمد بن اسماعيل وهو الاصح . قال ابو عيسى وفي الباب عن عثمان بن عفان وثوبان والصنابحي وعمرو بن عبسة وسلمان وعبد الله بن عمرو . والصنابحي الذي روى عن ابي بكر الصديق ليس له سماع من رسول الله صلى الله عليه وسلم واسمه عبد الرحمن بن عسيلة ويكنى ابا عبد الله رحل الى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقبض النبي صلى الله عليه وسلم وهو في الطريق وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم احاديث . والصنابح بن الاعسر الاحمسي صاحب النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يقال له الصنابحي ايضا وانما حديثه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اني مكاثر بكم الامم فلا تقتتلن بعدي " .
২. ইসাহাক ইাবন মূসা আনসারী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যখন কোন মুসলিম অথবা মু’মিন বান্দা উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে আর সে তার মুখ ধোয় তখন উযূর পানি অথবা উযূর পানির শেষ ফোটার সাথে সাথে তার চেহারা থেকে সব গুনাহ বের হয়ে যায় যা সে তার দু’চোখ দিয়ে দেখে ছিল; যখন সে তার দু’হাত ধোয় তখন উযূর পানি বা উযূর পানির শেষ ফোটার সাথে সাথে তার উভয় হাত থেকে সকল গুনাহ বের হয়ে যায় যা সে হাত দিয়ে ধরে ছিল; এমনি কি শেষ পর্যন্ত সে তার গুনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। - আত তা’লিকুর রাগীব ১/৯৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি ’’হাসান’’।
এই রিওয়ায়াতটি হল মালিক-সুহাইল-সুহাইলের পিতা আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত। সুহাইলের পিতা আবূ সালিহ হচ্ছেন আবূ সালিহ আস্-সম্মান। তাঁর নাম হল যাকওয়ান। আবূ হুরায়রা (রা ) এর প্রকৃত নাম সম্পর্কে মত বিরোধ বিদ্যামান। কেউ কেউ বলেন, আবদ শামস; আবার কেউ কেউ বলেন, আবূল্লাহ ইবনু আমর। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীও এইরূপ বলেছেন। আর এটই অধিকতর শুদ্ধ।
এই বিষয়ে ইছমান, ছারবান, সুনাবিহী, আমর ইবনু আবাসা, সালমান এবং আবদুলুাহ ইাবন আমর (রা ) থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। যে সুনাবিহী তাহারাতের ফযীলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীছ বর্ণনা করেছেন ইনি হলেন আবদুল্লাহ সুনাবিহী। আর আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে যে সুনাবিহী রিওয়ায়াত করেন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু শোনার সুযোগ পানটি। তাঁর নাম হল আবদুর রহমান ইবনু উসায়লা। উপনাম হল আবূ আবদিল্লাহ। ইনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। কিন্তু যখন মদ্বীনার পথে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তেকাল হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তিনি কিছু সংখ্যক হাদীছ (অন্যের সূত্রে) রিওয়াত করেছেন। সুনাবিহ ইবনুল আ’সার আল-আহমাসী ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী তাঁকেও সুনাবিহী বলা হয়। তাঁর বর্ণিত হাদীছটি হল, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে,তিনি ইরশাদ করেন, তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মতের সামনে গৌরব করব। সুতরাং তোমরা আমার পরে পরস্পরে খুন-খারাবী করো না।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীছটি ’’হাসান’’।
এই রিওয়ায়াতটি হল মালিক-সুহাইল-সুহাইলের পিতা আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত। সুহাইলের পিতা আবূ সালিহ হচ্ছেন আবূ সালিহ আস্-সম্মান। তাঁর নাম হল যাকওয়ান। আবূ হুরায়রা (রা ) এর প্রকৃত নাম সম্পর্কে মত বিরোধ বিদ্যামান। কেউ কেউ বলেন, আবদ শামস; আবার কেউ কেউ বলেন, আবূল্লাহ ইবনু আমর। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীও এইরূপ বলেছেন। আর এটই অধিকতর শুদ্ধ।
এই বিষয়ে ইছমান, ছারবান, সুনাবিহী, আমর ইবনু আবাসা, সালমান এবং আবদুলুাহ ইাবন আমর (রা ) থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। যে সুনাবিহী তাহারাতের ফযীলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীছ বর্ণনা করেছেন ইনি হলেন আবদুল্লাহ সুনাবিহী। আর আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে যে সুনাবিহী রিওয়ায়াত করেন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু শোনার সুযোগ পানটি। তাঁর নাম হল আবদুর রহমান ইবনু উসায়লা। উপনাম হল আবূ আবদিল্লাহ। ইনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। কিন্তু যখন মদ্বীনার পথে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তেকাল হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তিনি কিছু সংখ্যক হাদীছ (অন্যের সূত্রে) রিওয়াত করেছেন। সুনাবিহ ইবনুল আ’সার আল-আহমাসী ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী তাঁকেও সুনাবিহী বলা হয়। তাঁর বর্ণিত হাদীছটি হল, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে,তিনি ইরশাদ করেন, তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মতের সামনে গৌরব করব। সুতরাং তোমরা আমার পরে পরস্পরে খুন-খারাবী করো না।
হাদিস নং: ৩
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، وهناد، ومحمود بن غيلان، قالوا حدثنا وكيع، عن سفيان، ح وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن محمد ابن الحنفية، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " مفتاح الصلاة الطهور وتحريمها التكبير وتحليلها التسليم " . قال ابو عيسى هذا الحديث اصح شيء في هذا الباب واحسن . وعبد الله بن محمد بن عقيل هو صدوق وقد تكلم فيه بعض اهل العلم من قبل حفظه . قال ابو عيسى وسمعت محمد بن اسماعيل يقول كان احمد بن حنبل واسحاق بن ابراهيم والحميدي يحتجون بحديث عبد الله بن محمد بن عقيل . قال محمد وهو مقارب الحديث . قال ابو عيسى وفي الباب عن جابر وابي سعيد .
৩. কুতায়বা, হান্নাদ ও মাহমূদ ইাবন গায়লান (রহঃ) .... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ সালাতের চাবি হল তাহারাত, তাকবীরে তাহরীমা (সালাতের পরিপন্থী সকল কাজকে হারাম করে আর সালাম তা হালাল করে)। - ইবনু মাজাহ - ২৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে উল্লেখিত হাদীছটি হল সবচেয়ে সহীহ এবং সবচেয়ে উত্তম। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীল সত্যভাষী। তবে হাদীছ বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ তাঁর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেন। আবূ ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি যে, ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আল-হুমাইদী প্রমুখ হাদীছ বিশারদগণ আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীলের রিওয়ায়াত দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন। মুহম্মাদ আল বুখারী (রহঃ) বলেন, ইনি মুকারিবুল হদীছ তাঁর হাদীছ গ্রহণগোয্যতার নিকটবর্তী। এই বিষয়ে জাবির ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে উল্লেখিত হাদীছটি হল সবচেয়ে সহীহ এবং সবচেয়ে উত্তম। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীল সত্যভাষী। তবে হাদীছ বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ তাঁর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেন। আবূ ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি যে, ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আল-হুমাইদী প্রমুখ হাদীছ বিশারদগণ আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীলের রিওয়ায়াত দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন। মুহম্মাদ আল বুখারী (রহঃ) বলেন, ইনি মুকারিবুল হদীছ তাঁর হাদীছ গ্রহণগোয্যতার নিকটবর্তী। এই বিষয়ে জাবির ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৪
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا ابو بكر، محمد بن زنجويه البغدادي وغير واحد قال حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا سليمان بن قرم، عن ابي يحيى القتات، عن مجاهد، عن جابر بن عبد الله، رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مفتاح الجنة الصلاة ومفتاح الصلاة الوضوء " .
৪. আবূ বকর, মুহাম্মাদ ইাবন যানযাওয়ায়ই আল বাগদাদী (রহঃ) এবং আরো একধিক রাবী .... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ জান্নাতের চাবি হল সালাত আর সালাতের চাবি হল উযূ (ওজু/অজু/অযু)। - মিশকাত (২৯৪), তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটির প্রথম অংশ যঈফ (অর্থাৎ জান্নাতের চাবি হল সালাত)। দ্বিতীয় অংশ সহীহ (সালাতের চাবি হল উযূ (ওজু/অজু/অযু)।), পূর্বের হাদিসের অংশ হওয়ার কারনে।
হাদিসটির প্রথম অংশ যঈফ (অর্থাৎ জান্নাতের চাবি হল সালাত)। দ্বিতীয় অংশ সহীহ (সালাতের চাবি হল উযূ (ওজু/অজু/অযু)।), পূর্বের হাদিসের অংশ হওয়ার কারনে।
হাদিস নং: ৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، وهناد، قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا دخل الخلاء قال " اللهم اني اعوذ بك قال شعبة وقد قال مرة اخرى اعوذ بك من الخبث والخبيث او الخبث والخباىث " . قال ابو عيسى وفي الباب عن علي وزيد بن ارقم وجابر وابن مسعود . قال ابو عيسى حديث انس اصح شيء في هذا الباب واحسن . وحديث زيد بن ارقم في اسناده اضطراب روى هشام الدستواىي وسعيد بن ابي عروبة عن قتادة فقال سعيد عن القاسم بن عوف الشيباني عن زيد بن ارقم . وقال هشام الدستواىي عن قتادة عن زيد بن ارقم . ورواه شعبة ومعمر عن قتادة عن النضر بن انس فقال شعبة عن زيد بن ارقم . وقال معمر عن النضر بن انس عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى سالت محمدا عن هذا فقال يحتمل ان يكون قتادة روى عنهما جميعا .
৫. কুবায়বা ও হান্নাদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় প্রবেশের কালে বলতেনঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
হে আল্লাহ! শয়তান,জ্বিন ও সকল কষ্টদায়ক প্রাণী থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি।
الخبث والبيث এর স্থলে الخبث والخبا ئث ও বর্ণিত আছে। এই হাদীছটির অন্যমত রাবী শু’বা বলেন, তাঁর উস্তাদ আবদুল আযীয ইবনু সুহাইাব اعوذبك এর স্থলে এক সময় اعوذ بالله ও রিওয়ায়াত করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২৯৮, বুখারি ও মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, যায়দ ইবনু আরকাম, জাবির এবং ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিজী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদছিটি সর্বাপেক্ষা সহীহ ও হাসান। যায়াদ ইবনু আরকাম বর্ণিত হাদীছটির সনদে ইযতিরাব বিদ্যামন। হাদীছটি হিশাম আদ-দাসতায়াঈ ও সাঈদ ইবনু আবী আরূবা কাতাদা থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। সাঈদ তাঁর সনদে কাসিম ইবনু আওফ আশ শায়বানীর মাধ্যমে যায়দ ইবনুু আরকাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন আর হিশাম উল্লেখ করেন যে, তিনি কাতাদর মাধ্যমে যায়দ ইবনু আরকাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি কাসিমের উল্লেখ করেননি।
শু’বা ও মা’মারও কাতাদার সূত্রে এই হাদছিটি নাযর ইবনু আনাস থোকে রিওয়ায়াত করেছেন। শু’[বা তাঁর রিওয়ায়াতে যায়দ ইবনু আরকাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন। আর মা’মার নাযর ইবনু আনাস তাঁর পিতা আনাস থেকে হাদীছটি বর্ণিত বলে উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমযযী (রহঃ) বলেন মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে আমি এই ইযিতিরাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ যায়দ ইবনু আরকাম ও নাযর ইবনু আনাস উভয় থেকেই কাতাদার রিওয়ায়াতের সম্ভাবনা রয়েছে।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
হে আল্লাহ! শয়তান,জ্বিন ও সকল কষ্টদায়ক প্রাণী থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি।
الخبث والبيث এর স্থলে الخبث والخبا ئث ও বর্ণিত আছে। এই হাদীছটির অন্যমত রাবী শু’বা বলেন, তাঁর উস্তাদ আবদুল আযীয ইবনু সুহাইাব اعوذبك এর স্থলে এক সময় اعوذ بالله ও রিওয়ায়াত করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২৯৮, বুখারি ও মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, যায়দ ইবনু আরকাম, জাবির এবং ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিজী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদছিটি সর্বাপেক্ষা সহীহ ও হাসান। যায়াদ ইবনু আরকাম বর্ণিত হাদীছটির সনদে ইযতিরাব বিদ্যামন। হাদীছটি হিশাম আদ-দাসতায়াঈ ও সাঈদ ইবনু আবী আরূবা কাতাদা থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। সাঈদ তাঁর সনদে কাসিম ইবনু আওফ আশ শায়বানীর মাধ্যমে যায়দ ইবনুু আরকাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন আর হিশাম উল্লেখ করেন যে, তিনি কাতাদর মাধ্যমে যায়দ ইবনু আরকাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি কাসিমের উল্লেখ করেননি।
শু’বা ও মা’মারও কাতাদার সূত্রে এই হাদছিটি নাযর ইবনু আনাস থোকে রিওয়ায়াত করেছেন। শু’[বা তাঁর রিওয়ায়াতে যায়দ ইবনু আরকাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন। আর মা’মার নাযর ইবনু আনাস তাঁর পিতা আনাস থেকে হাদীছটি বর্ণিত বলে উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমযযী (রহঃ) বলেন মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে আমি এই ইযিতিরাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ যায়দ ইবনু আরকাম ও নাযর ইবনু আনাস উভয় থেকেই কাতাদার রিওয়ায়াতের সম্ভাবনা রয়েছে।
হাদিস নং: ৬
সহিহ (Sahih)
اخبرنا احمد بن عبدة الضبي البصري، حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا دخل الخلاء قال " اللهم اني اعوذ بك من الخبث والخباىث " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৬. আহমদ ইবনু আদা আযযাব্বী ...... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় প্রবেশ কালে বলতেনঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেনঃ এই রিওয়ায়াতটি হাসান ও সহীহ। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেনঃ এই রিওয়ায়াতটি হাসান ও সহীহ। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا مالك بن اسماعيل، عن اسراىيل بن يونس، عن يوسف بن ابي بردة، عن ابيه، عن عاىشة، رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا خرج من الخلاء قال " غفرانك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث اسراىيل عن يوسف بن ابي بردة . وابو بردة بن ابي موسى اسمه عامر بن عبد الله بن قيس الاشعري . ولا نعرف في هذا الباب الا حديث عاىشة رضى الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم .
৭. মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ..... আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানা থেকে বের হওয়ার সময় বলতেনঃ غُفْرَانَكَ হে আল্লাহ, তোমার কাছে ক্ষমা চাই। - ইবনু মাজাহ ৩০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদছিটি ’হাসান গরীব’ অর্থাৎ উত্তম তবে অপ্রসিদ্ধ। ইসারাঈল ইউসুফ ইবনু আবূ বুরদা এর সনদ ব্যতীত অন্য কোন সনদে হাদীছটি বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। আবূ বুরদা ইবনু আবী মূসা, তাঁর আসল নাম হল আমির ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু কায়স আল আশআরী। এই বিষয়ে আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর হাদছিটি ব্যতীত অন্য কোন রিওয়য়াত তেমন পরিচিত নয়।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদছিটি ’হাসান গরীব’ অর্থাৎ উত্তম তবে অপ্রসিদ্ধ। ইসারাঈল ইউসুফ ইবনু আবূ বুরদা এর সনদ ব্যতীত অন্য কোন সনদে হাদীছটি বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। আবূ বুরদা ইবনু আবী মূসা, তাঁর আসল নাম হল আমির ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু কায়স আল আশআরী। এই বিষয়ে আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর হাদছিটি ব্যতীত অন্য কোন রিওয়য়াত তেমন পরিচিত নয়।
হাদিস নং: ৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن ابي ايوب الانصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اتيتم الغاىط فلا تستقبلوا القبلة بغاىط ولا بول ولا تستدبروها ولكن شرقوا او غربوا " . فقال ابو ايوب فقدمنا الشام فوجدنا مراحيض قد بنيت مستقبل القبلة فننحرف عنها ونستغفر الله . قال ابو عيسى وفي الباب عن عبد الله بن الحارث بن جزء الزبيدي ومعقل بن ابي الهيثم ويقال معقل بن ابي معقل وابي امامة وابي هريرة وسهل بن حنيف . قال ابو عيسى حديث ابي ايوب احسن شيء في هذا الباب واصح . وابو ايوب اسمه خالد بن زيد . والزهري اسمه محمد بن مسلم بن عبيد الله بن شهاب الزهري وكنيته ابو بكر . قال ابو الوليد المكي قال ابو عبد الله محمد بن ادريس الشافعي انما معنى قول النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم " لا تستقبلوا القبلة بغاىط ولا ببول ولا تستدبروها " . انما هذا في الفيافي واما في الكنف المبنية له رخصة في ان يستقبلها . وهكذا قال اسحاق بن ابراهيم . وقال احمد بن حنبل رحمه الله انما الرخصة من النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم في استدبار القبلة بغاىط او بول واما استقبال القبلة فلا يستقبلها . كانه لم ير في الصحراء ولا في الكنف ان يستقبل القبلة .
৮. সাঈদ ইবনু আবদির রাহমান আল মাখযামী ...... আবূ আইয়্যুব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ তোমরা পেশাব বা পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ করবে না এবং সে দিকে পিছনও দিবে না বরং পূর্ব বা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবূ আইয়্যুবা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ পরে আমরা যখন শামে এলাম তখন সেখানকার পায়খানাগুলো কিবলার দিকে মুখ করে নির্মিত দেখতে পেলাম। সুতরাং আমরা এ থেকে ফিরে বসতাম আর আল্লাহর কাছে ইস্থিগফার করতাম। - ইবনু মাজাহ ৩১৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনুল হারিছ, মা’কিল ইবনু আবীল হায়ছাম, ইনি মাকিল ইবনু আবী মাকিল নামেও পরিচিত, আবূ উমামা, ইবূ হুরায়রা ইবনু হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদছিটি এই বিষয়ে সর্বাপেক্ষা উত্তম ও বিশুদ্ধ। আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নাম হল খালিদ ইনব যায়দ। রাবী আয-যুহরীর নাম হল মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু উবায়দিল্লাহ ইবনু শিহাব আয-যুহরী। তাঁর উপনাম আবূ বকর। আবূল ওয়ালীদ মক্কী বলেন আবূ আবূদল্লাহ আশ শাফিঈ (রহঃ) বলেছেন, ’’হাদীছের হুকুম মাঠ বা খোলা জায়গার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। নির্মিত পেশাব পায়খানায় কিবলার দিকে পেছন ফিরে বসার অনুমতি আছে।’’ ইমাম ইসহাককের বক্তব্যও অনুরূপ। আহমদ ইবনু হাম্মল (রহঃ) বলেনঃ পেশাব পায়খানার বেলায় কিবলার দিকে পেছন ফিরে বসার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু কিবলামুখী হয়ে বসার কোন অনুমতি নাই। অর্থাৎ তিনি খোলাস্থান বা নির্মিত পেশাব পায়খানার কোথায়ও কিবলামুখী হয়ে বসা জায়েয বলে মনে করেন না।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনুল হারিছ, মা’কিল ইবনু আবীল হায়ছাম, ইনি মাকিল ইবনু আবী মাকিল নামেও পরিচিত, আবূ উমামা, ইবূ হুরায়রা ইবনু হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদছিটি এই বিষয়ে সর্বাপেক্ষা উত্তম ও বিশুদ্ধ। আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নাম হল খালিদ ইনব যায়দ। রাবী আয-যুহরীর নাম হল মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু উবায়দিল্লাহ ইবনু শিহাব আয-যুহরী। তাঁর উপনাম আবূ বকর। আবূল ওয়ালীদ মক্কী বলেন আবূ আবূদল্লাহ আশ শাফিঈ (রহঃ) বলেছেন, ’’হাদীছের হুকুম মাঠ বা খোলা জায়গার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। নির্মিত পেশাব পায়খানায় কিবলার দিকে পেছন ফিরে বসার অনুমতি আছে।’’ ইমাম ইসহাককের বক্তব্যও অনুরূপ। আহমদ ইবনু হাম্মল (রহঃ) বলেনঃ পেশাব পায়খানার বেলায় কিবলার দিকে পেছন ফিরে বসার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু কিবলামুখী হয়ে বসার কোন অনুমতি নাই। অর্থাৎ তিনি খোলাস্থান বা নির্মিত পেশাব পায়খানার কোথায়ও কিবলামুখী হয়ে বসা জায়েয বলে মনে করেন না।
হাদিস নং: ৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي، عن محمد بن اسحاق، عن ابان بن صالح، عن مجاهد، عن جابر بن عبد الله، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان نستقبل القبلة ببول فرايته قبل ان يقبض بعام يستقبلها . وفي الباب عن ابي قتادة وعاىشة وعمار بن ياسر . قال ابو عيسى حديث جابر في هذا الباب حديث حسن غريب .
وقد روى هذا الحديث ابن لهيعة، عن ابي الزبير، عن جابر، عن ابي قتادة، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم يبول مستقبل القبلة . حدثنا بذلك قتيبة حدثنا ابن لهيعة . وحديث جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم اصح من حديث ابن لهيعة . وابن لهيعة ضعيف عند اهل الحديث ضعفه يحيى بن سعيد القطان وغيره من قبل حفظه .
وقد روى هذا الحديث ابن لهيعة، عن ابي الزبير، عن جابر، عن ابي قتادة، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم يبول مستقبل القبلة . حدثنا بذلك قتيبة حدثنا ابن لهيعة . وحديث جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم اصح من حديث ابن لهيعة . وابن لهيعة ضعيف عند اهل الحديث ضعفه يحيى بن سعيد القطان وغيره من قبل حفظه .
৯. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার ও মুহাম্মাদ ইবনু মুছন্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, পেশাবের সময় কিবলামুখী হয়ে বসতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছিলেন; কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের এক বছর পূর্বে তাঁকে আমি ঐ অবস্থায় কিবলামুখি হতে দেখেছি। - ইবনু মাজাহ ৩২৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ কাতাদা, আইশা, আম্মার (রাঃ) থেকেও হাদীছ বর্ণিত রয়েছে। ইমাম তিরমযযী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণিত হাদীছটি হাসান গরীব অর্থাৎ উত্তম তবে অপ্রসিদ্ধ।
এই বিষয়ে আবূ কাতাদা, আইশা, আম্মার (রাঃ) থেকেও হাদীছ বর্ণিত রয়েছে। ইমাম তিরমযযী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণিত হাদীছটি হাসান গরীব অর্থাৎ উত্তম তবে অপ্রসিদ্ধ।
হাদিস নং: ১০
যঈফ (Dai'f)
وقد روى هذا الحديث ابن لهيعة، عن ابي الزبير، عن جابر، عن ابي قتادة، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم يبول مستقبل القبلة . حدثنا بذلك قتيبة حدثنا ابن لهيعة . وحديث جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم اصح من حديث ابن لهيعة . وابن لهيعة ضعيف عند اهل الحديث ضعفه يحيى بن سعيد القطان وغيره من قبل حفظه .
১০. ইবনু লাহী’আ .... আবূ কাতাদা সূত্রে বর্ণনা করেন, আবূ কাতাদা বলেছেন যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কিবলামুখী হয়ে পেশাব করতে দেখেছেন। ইবনু লাহীআর এই রিওয়ায়াতটির তুলনায় জাবির সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে রিওয়ায়াতটি (৯নং) করেছেন সেটি অধিকতর সহীহ। হাদীছবেত্তাগণের নিকট ইবনু লাহী’আ যঈফ বলে গণ্য। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান প্রমুখ ইবনু লাহী’আকে তাঁর স্মৃতি শক্তির দিক থেকে যঈফ বলে বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن عبيد الله بن عمر، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن عمه، واسع بن حبان، عن ابن عمر، قال رقيت يوما على بيت حفصة فرايت النبي صلى الله عليه وسلم على حاجته مستقبل الشام مستدبر الكعبة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১১. হান্নাদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ আমি একদিন হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহার ঘরের ছাদে উঠেছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবার দিকে পিছন দিয়ে এবং শামের দিকে মুখ করে তাঁর হাজত পূরণ (ইস্তিঞ্জাহ) করছেন। - ইবনু মাজাহ ৩২২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীছটি হাসান সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীছটি হাসান সহীহ।
হাদিস নং: ১২
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن المقدام بن شريح، عن ابيه، عن عاىشة، قالت من حدثكم ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يبول قاىما فلا تصدقوه ما كان يبول الا قاعدا . قال وفي الباب عن عمر وبريدة وعبد الرحمن بن حسنة . قال ابو عيسى حديث عاىشة احسن شيء في هذا الباب واصح . وحديث عمر انما روي من حديث عبد الكريم بن ابي المخارق عن نافع عن ابن عمر عن عمر قال راني النبي صلى الله عليه وسلم وانا ابول قاىما فقال " يا عمر لا تبل قاىما " . فما بلت قاىما بعد . قال ابو عيسى وانما رفع هذا الحديث عبد الكريم بن ابي المخارق وهو ضعيف عند اهل الحديث ضعفه ايوب السختياني وتكلم فيه . وروى عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال قال عمر رضى الله عنه ما بلت قاىما منذ اسلمت . وهذا اصح من حديث عبد الكريم وحديث بريدة في هذا غير محفوظ . ومعنى النهى عن البول قاىما على التاديب لا على التحريم . وقد روي عن عبد الله بن مسعود قال ان من الجفاء ان تبول وانت قاىم .
১২. আলী ইবনু হুজর ..... আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেনঃ কেউ যদি তোমাদের বলে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে পেশাব করতেন তবে তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস করো না। তিনি বসা ছাড়া পেশাব করতেন না। - ইবনু মাজাহ ৩০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমর, বুরায়দা ও আবদুর রহমান ইবনু হাসানহ (রাঃ) থেকে হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেনঃ এই বিষযে আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীছটই সর্বাপেক্ষা সহীহ এবং উত্তম। আবদুল করীম ...... উমর রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দাঁড়িয়ে পেশাব করাতে দেখে বললেনঃ হে উমর! দাঁড়িয়ে পেশাব করো না। এরপর আমি আর কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করিনি।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এ হাদীছটি কেবলমাত্র রাবী আবদুল করীম-ই মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি হাদীছবেত্তাগণের নিকট যঈফ বলে গণ্য। আয়্যুব আর সাখতিয়ানী তাঁকে যইফ বলেছেন এবং তাঁর সমালোচনা করেছেন। উবায়দুল্লাহ (রহঃ) উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন ইসলাম গ্রহণের পর আমি কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করি নাই। আবদুল করীম বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে এই রিওয়ায়াতটি অধিক বিশুদ্ধ। এই বিষয়ে বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীছটি মাহফুজ (সংরক্ষেত) নয়। দঁড়িয়ে পেশাব করা হারাম বলে নয় বরং আদব ও শিষ্টাচারের দৃষ্টিকোন থেকে তা নিষেধ করা হয়েছে। ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, তিনি বলেছেনঃ দাড়িয়ে পেশাব করা শিষ্টাচার বিরোধী।
এই বিষয়ে উমর, বুরায়দা ও আবদুর রহমান ইবনু হাসানহ (রাঃ) থেকে হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেনঃ এই বিষযে আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীছটই সর্বাপেক্ষা সহীহ এবং উত্তম। আবদুল করীম ...... উমর রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দাঁড়িয়ে পেশাব করাতে দেখে বললেনঃ হে উমর! দাঁড়িয়ে পেশাব করো না। এরপর আমি আর কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করিনি।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এ হাদীছটি কেবলমাত্র রাবী আবদুল করীম-ই মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি হাদীছবেত্তাগণের নিকট যঈফ বলে গণ্য। আয়্যুব আর সাখতিয়ানী তাঁকে যইফ বলেছেন এবং তাঁর সমালোচনা করেছেন। উবায়দুল্লাহ (রহঃ) উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন ইসলাম গ্রহণের পর আমি কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করি নাই। আবদুল করীম বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে এই রিওয়ায়াতটি অধিক বিশুদ্ধ। এই বিষয়ে বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীছটি মাহফুজ (সংরক্ষেত) নয়। দঁড়িয়ে পেশাব করা হারাম বলে নয় বরং আদব ও শিষ্টাচারের দৃষ্টিকোন থেকে তা নিষেধ করা হয়েছে। ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, তিনি বলেছেনঃ দাড়িয়ে পেশাব করা শিষ্টাচার বিরোধী।
হাদিস নং: ১৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن الاعمش، عن ابي واىل، عن حذيفة، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتى سباطة قوم فبال عليها قاىما فاتيته بوضوء فذهبت لاتاخر عنه فدعاني حتى كنت عند عقبيه فتوضا ومسح على خفيه .
قال ابو عيسى وسمعت الجارود يقول سمعت وكيعا يحدث بهذا الحديث عن الاعمش . ثم قال وكيع هذا اصح حديث روي عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم في المسح . وسمعت ابا عمار الحسين بن حريث يقول سمعت وكيعا فذكر نحوه . قال ابو عيسى وهكذا روى منصور وعبيدة الضبي عن ابي واىل عن حذيفة مثل رواية الاعمش . وروى حماد بن ابي سليمان وعاصم بن بهدلة عن ابي واىل عن المغيرة بن شعبة عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وحديث ابي واىل عن حذيفة اصح . .
قال ابو عيسى وسمعت الجارود يقول سمعت وكيعا يحدث بهذا الحديث عن الاعمش . ثم قال وكيع هذا اصح حديث روي عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم في المسح . وسمعت ابا عمار الحسين بن حريث يقول سمعت وكيعا فذكر نحوه . قال ابو عيسى وهكذا روى منصور وعبيدة الضبي عن ابي واىل عن حذيفة مثل رواية الاعمش . وروى حماد بن ابي سليمان وعاصم بن بهدلة عن ابي واىل عن المغيرة بن شعبة عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وحديث ابي واىل عن حذيفة اصح . .
১৩. হান্নাদ (রহঃ) ..... হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি আস্তাকুঁড়ের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছিলেন। আমি তাঁর উযূর পানি নিযে আসলাম। আমি সরে যেতে চাইলে তিনি আমাকে (ইশারায়) ডাকলেন। আমি তাঁর পিছনে এসে দাঁড়ালাম। তারপর তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন এবং চামড়ার মোজায় মাসেহ (মাসেহ) করলেন। - ইবনু মাজাহ ৩০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মানসূর এবং বায়দা আয-যাববী ও হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই ধরনের হাদীছ বর্ণনা করেছেন। আর হাম্মাদ ইবনু আবী সুলায়মান মূগীরা ইাবন শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই বিষয়ে আরেকটি হাদীছ রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ ওয়াইলেন বরাতে হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু’র রিওয়ায়াতটই অধিকতর শুদ্ধ।
ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মানসূর এবং বায়দা আয-যাববী ও হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই ধরনের হাদীছ বর্ণনা করেছেন। আর হাম্মাদ ইবনু আবী সুলায়মান মূগীরা ইাবন শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই বিষয়ে আরেকটি হাদীছ রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ ওয়াইলেন বরাতে হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু’র রিওয়ায়াতটই অধিকতর শুদ্ধ।
হাদিস নং: ১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد السلام بن حرب الملاىي، عن الاعمش، عن انس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اراد الحاجة لم يرفع ثوبه حتى يدنو من الارض . قال ابو عيسى هكذا روى محمد بن ربيعة عن الاعمش عن انس هذا الحديث . وروى وكيع وابو يحيى الحماني عن الاعمش قال قال ابن عمر كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اراد الحاجة لم يرفع ثوبه حتى يدنو من الارض . وكلا الحديثين مرسل . ويقال لم يسمع الاعمش من انس ولا من احد من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وقد نظر الى انس بن مالك قال رايته يصلي . فذكر عنه حكاية في الصلاة . والاعمش اسمه سليمان بن مهران ابو محمد الكاهلي وهو مولى لهم . قال الاعمش كان ابي حميلا فورثه مسروق .
১৪. কুবায়বা (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, পেশাব-পায়খানার সময় ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাপড় তুলতেন না। - আবু দাউদ ১১, সহিহাহ ১০৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু রাবী’আও আমাশু এর সনদে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণা করেছেন। ওয়াকী ও আবূ ইয়াহইয়া আল-হিম্মানী (রহঃ) ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে , পেশাব-পায়খানার সময় ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় তুলতেন না।
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত উপরের দুটো হাদীছই মুরসাল। কারণ উভয় হাদীছই আ’মাশ এর সনদে বর্ণিত হয়েছে। আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বা অপর কোন সাহাবী থেকে আ’মাশ এর হাদীছ শোনার সুযোগ হয়নি। তবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কে তিনি দেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি আনাসকে সালাতরত অবস্থায় দেখেছি। অতঃপর তিনি আনস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে সালাতের বিবরণ দেন। আ’মাশ এর পূর্ণ নাম সুলায়মান ইবনু মিহরান আবূ মুহাম্মাদ আল-কাহিলী। তিনি আল-কাহিল গোত্রের আযাদকৃত দাস ছিলেন। আ’মাশ বলেনঃ আমার পিতাকে শৈশবে দারূল হারব থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল পরবর্তীকালে ইমাম মাসরূক তাকে বৈধ উত্তরাধিকরী বলে রায় দিয়েছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু রাবী’আও আমাশু এর সনদে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণা করেছেন। ওয়াকী ও আবূ ইয়াহইয়া আল-হিম্মানী (রহঃ) ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে , পেশাব-পায়খানার সময় ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় তুলতেন না।
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত উপরের দুটো হাদীছই মুরসাল। কারণ উভয় হাদীছই আ’মাশ এর সনদে বর্ণিত হয়েছে। আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বা অপর কোন সাহাবী থেকে আ’মাশ এর হাদীছ শোনার সুযোগ হয়নি। তবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কে তিনি দেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি আনাসকে সালাতরত অবস্থায় দেখেছি। অতঃপর তিনি আনস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে সালাতের বিবরণ দেন। আ’মাশ এর পূর্ণ নাম সুলায়মান ইবনু মিহরান আবূ মুহাম্মাদ আল-কাহিলী। তিনি আল-কাহিল গোত্রের আযাদকৃত দাস ছিলেন। আ’মাশ বলেনঃ আমার পিতাকে শৈশবে দারূল হারব থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল পরবর্তীকালে ইমাম মাসরূক তাকে বৈধ উত্তরাধিকরী বলে রায় দিয়েছেন।
হাদিস নং: ১৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي عمر المكي، حدثنا سفيان بن عيينة، عن معمر، عن يحيى بن ابي كثير، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى ان يمس الرجل ذكره بيمينه . وفي هذا الباب عن عاىشة وسلمان وابي هريرة وسهل بن حنيف . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو قتادة الانصاري اسمه الحارث بن ربعي . والعمل على هذا عند عامة اهل العلم كرهوا الاستنجاء باليمين .
১৫. মুহাম্মদ ইবনু আবী উমর মাক্কী (রহঃ) ..... আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেনঃ ডান হাতে লজ্জাস্থান স্পর্শ করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৩১০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আইশা, সালমান, আবূ হুরায়রা এবং সাহল ইবনু হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উক্ত হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। আবূ কাতাদার আসল নাম আল-হারিছ ইবনু রিবাঈ। ফকীহ ও আলিমগণ এই হাদীছ আনুসারে আমল করে থাকেন এবং তাঁরা ডান হাতে শৌচকর্ম করা মাকরুহ মনে করেন।
এই বিষয়ে আইশা, সালমান, আবূ হুরায়রা এবং সাহল ইবনু হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উক্ত হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। আবূ কাতাদার আসল নাম আল-হারিছ ইবনু রিবাঈ। ফকীহ ও আলিমগণ এই হাদীছ আনুসারে আমল করে থাকেন এবং তাঁরা ডান হাতে শৌচকর্ম করা মাকরুহ মনে করেন।
হাদিস নং: ১৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال قيل لسلمان قد علمكم نبيكم صلى الله عليه وسلم كل شيء حتى الخراءة فقال سلمان اجل نهانا ان نستقبل القبلة بغاىط او بول وان نستنجي باليمين او ان يستنجي احدنا باقل من ثلاثة احجار او ان نستنجي برجيع او بعظم . قال ابو عيسى وفي الباب عن عاىشة وخزيمة بن ثابت وجابر وخلاد بن الساىب عن ابيه . قال ابو عيسى وحديث سلمان في هذا الباب حديث حسن صحيح . وهو قول اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم راوا ان الاستنجاء بالحجارة يجزى وان لم يستنج بالماء اذا انقى اثر الغاىط والبول وبه يقول الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق .
১৬. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলা হল, আপনাদের নবী আপনাদের সবকিছুই শিখান এমনকি দেখা যায় ইস্তিঞ্জায় কেমন করে বসতে হবে তাও শিখিয়ে থাকেন। সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হ্যাঁ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে পেশাব-পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ করতে, ডান হাতে ইস্তিঞ্জা করতে, তিনটির কম পাথর দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে এবং পশুর মল ও হাড্ডী দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৩১৬, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আইশা, খুযাইমা ইবনু ছাবিত, জাবির (রাঃ) এবং খাল্লাদ ইবনুুস সাইব থেকে তাঁর পিতার বরাতেও এই বিষয়ে হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীছটি উত্তম এবং বিশুদ্ধ। এ হচ্ছে অধিকাংশ সাহাবী ও তৎপরবর্তী যুগের আলিম ও ফকীহগণের অভিমত। পেশাব ও পায়খানার পর যদি ভালভাবে পরিস্কার হয়ে যায় তা হলে পানি ব্যবহারে না করে কেবল মাত্র ঢিলা ব্যবহার করা যথেষ্ট হবে বলে তাঁরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম ছাওরী, ইবনু মুবারাক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমদ, ইমাম ইসহাক (রহঃ)-ও এ মত প্রকাশ করেছেন।
আইশা, খুযাইমা ইবনু ছাবিত, জাবির (রাঃ) এবং খাল্লাদ ইবনুুস সাইব থেকে তাঁর পিতার বরাতেও এই বিষয়ে হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীছটি উত্তম এবং বিশুদ্ধ। এ হচ্ছে অধিকাংশ সাহাবী ও তৎপরবর্তী যুগের আলিম ও ফকীহগণের অভিমত। পেশাব ও পায়খানার পর যদি ভালভাবে পরিস্কার হয়ে যায় তা হলে পানি ব্যবহারে না করে কেবল মাত্র ঢিলা ব্যবহার করা যথেষ্ট হবে বলে তাঁরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম ছাওরী, ইবনু মুবারাক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমদ, ইমাম ইসহাক (রহঃ)-ও এ মত প্রকাশ করেছেন।
হাদিস নং: ১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، وقتيبة، قالا حدثنا وكيع، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، عن ابي عبيدة، عن عبد الله، قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم لحاجته فقال " التمس لي ثلاثة احجار " . قال فاتيته بحجرين وروثة فاخذ الحجرين والقى الروثة وقال " انها ركس " . قال ابو عيسى وهكذا روى قيس بن الربيع هذا الحديث عن ابي اسحاق عن ابي عبيدة عن عبد الله نحو حديث اسراىيل . وروى معمر وعمار بن رزيق عن ابي اسحاق عن علقمة عن عبد الله . وروى زهير عن ابي اسحاق عن عبد الرحمن بن الاسود عن ابيه الاسود بن يزيد عن عبد الله . وروى زكريا بن ابي زاىدة عن ابي اسحاق عن عبد الرحمن بن يزيد عن الاسود بن يزيد عن عبد الله . وهذا حديث فيه اضطراب . حدثنا محمد بن بشار العبدي حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة قال سالت ابا عبيدة بن عبد الله هل تذكر من عبد الله شيىا قال لا .
১৭. হান্নাদ ও কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার ইস্তিঞ্জার উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং বললেন, আমার জন্য তিনটি পাথর তালাশ করে নিয়ে আস। আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি দুটি পাথর ও এক টুকরা গোবর নিয়ে এলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাথর দুটি গ্রহণ করলেন এবং গোবর ফেলে দিলেন, বললেনঃ এটি নোংরা। - বুখারি ১৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ কায়স ইবনুুর রাবী ইসরাঈলের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মা’মার এবং আম্মার ইবনু যুরাইক ও আবূ ইসহাক - আলকামা - আবদুল্লাহ - এর সূত্রে আর যুহাইর আবূ ইসহাক - আবদুর রাহমান ইবনুল আসওয়াদ - আসওয়াদ ইাবন ইয়াযীদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে হাদীছাটি রিওয়ায়াত করেছেন। যাকরিয়া ইবনু আবী যাইদাও আবূ ইসহাক - আবদুর হরমান ইবনু উয়াযীদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এ হাদীছাটি বর্ণনা করেছেন। হাদীছটির সনদ ইযতিরাব বিশিষ্ট। ইমাম আবূ ঈসা তিরমযী (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রাহমানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আবূ ইসহাকের বরাতে করা বর্ণনাটি অধিকতর সহীহ? তিনি এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত প্রদান করেননি।
মুহাম্মাদ আল বুখারীকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনিও কোনরূপ সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেননি। তবে তাঁর আচরণে মনে হয় যে, তিনি যুহাইর-আবূ ইসহাক - আবদুর রাহমান ইবনুল আসওয়াদ-তাঁর পিতা আল-আসওয়াদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রটি অধিক গ্রহণযোগ্য মনে করেন। তিনি এই সূত্রে বর্ণিত হাদীছটিকে তাঁর জামি’ সহীহ (বুখারী শরীফ)- তে স্থান দিয়েছেন। আমার মতে ইসরাঈল এবং কায়স-আবূ ইসহাক-আবূ উবাউদা আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রটি অধিক সহীহ। কেননা, আবূ ইসাহক থেকে হাদীছ বর্ণনার বিষয়ে এদের সবার চেয়ে ইসরাঈল অধিক নির্ভরযোগ্য এবং স্মৃতিধর। তদুপরি কায়স ইবনুুর রাবীও এই হাদীছটির বর্ণনায় ইসরাঈলের সহযোগী।
আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্নাকে বলতে শুনেছে যে, আবদুর রহমান ইবনু মাহদী বলেনঃ ইসরাঈলের উপর ভরসা করেই সুফইয়ান ছাওরীর সূত্রে আবূ ইসাহাকের বর্ণিত হাদীছসমূহ আমি স্মরণ করিনি। কেননা, ইসরাঈল ঐ হাদীছসমূহ যথাযথ এবং পুরাপুরি ভাবে বর্ণনা করে থাকেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ ইসহাক থেকে হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে যুহাইার তেমন বির্ভরযোগ্য নন। কেননা তিনি আবূ ইসহাকের শেষ বয়সে তাঁর হাদীছ শুনেছেন। আহমদ ইবনুল হাসান আত-তিরমিযীকে বলতে শুনেছি যে, আহমদ ইবনু হাম্বাল বলেন, যাইদা এবং যুহাইর থেকে কোন হাদীছ শুনতে পেলে অন্য কারো কাছ থেকে তা শুনলে কখনও এর পরওয়া করবে না। তবে আবূ ইসহাক থেকে বর্ণিত তাদের হাদীছের ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। আবূ সিহাকের নাম হল আমর ইবনু আবূদল্লাহ আশ-শাবীঈ আল-হামদানী।
আবূ উবাইদা ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীছ শুনেননি। তাঁর নাম তত প্রসিদ্ধ নয়। মুহাম্মাদ ইবান বাশশার এর সূত্রে আমর ইবনু মুররা থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আবূ উবাইদা ইাবন আবদুল্লাহকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আপনি (আপনার পিতা) আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) থেকে কোন হাদীছ বর্ণনা স্মরণ রেখেছেন কি? তিনি উত্তরে বললেন না।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ কায়স ইবনুুর রাবী ইসরাঈলের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মা’মার এবং আম্মার ইবনু যুরাইক ও আবূ ইসহাক - আলকামা - আবদুল্লাহ - এর সূত্রে আর যুহাইর আবূ ইসহাক - আবদুর রাহমান ইবনুল আসওয়াদ - আসওয়াদ ইাবন ইয়াযীদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে হাদীছাটি রিওয়ায়াত করেছেন। যাকরিয়া ইবনু আবী যাইদাও আবূ ইসহাক - আবদুর হরমান ইবনু উয়াযীদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এ হাদীছাটি বর্ণনা করেছেন। হাদীছটির সনদ ইযতিরাব বিশিষ্ট। ইমাম আবূ ঈসা তিরমযী (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রাহমানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আবূ ইসহাকের বরাতে করা বর্ণনাটি অধিকতর সহীহ? তিনি এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত প্রদান করেননি।
মুহাম্মাদ আল বুখারীকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনিও কোনরূপ সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেননি। তবে তাঁর আচরণে মনে হয় যে, তিনি যুহাইর-আবূ ইসহাক - আবদুর রাহমান ইবনুল আসওয়াদ-তাঁর পিতা আল-আসওয়াদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রটি অধিক গ্রহণযোগ্য মনে করেন। তিনি এই সূত্রে বর্ণিত হাদীছটিকে তাঁর জামি’ সহীহ (বুখারী শরীফ)- তে স্থান দিয়েছেন। আমার মতে ইসরাঈল এবং কায়স-আবূ ইসহাক-আবূ উবাউদা আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রটি অধিক সহীহ। কেননা, আবূ ইসাহক থেকে হাদীছ বর্ণনার বিষয়ে এদের সবার চেয়ে ইসরাঈল অধিক নির্ভরযোগ্য এবং স্মৃতিধর। তদুপরি কায়স ইবনুুর রাবীও এই হাদীছটির বর্ণনায় ইসরাঈলের সহযোগী।
আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্নাকে বলতে শুনেছে যে, আবদুর রহমান ইবনু মাহদী বলেনঃ ইসরাঈলের উপর ভরসা করেই সুফইয়ান ছাওরীর সূত্রে আবূ ইসাহাকের বর্ণিত হাদীছসমূহ আমি স্মরণ করিনি। কেননা, ইসরাঈল ঐ হাদীছসমূহ যথাযথ এবং পুরাপুরি ভাবে বর্ণনা করে থাকেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ ইসহাক থেকে হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে যুহাইার তেমন বির্ভরযোগ্য নন। কেননা তিনি আবূ ইসহাকের শেষ বয়সে তাঁর হাদীছ শুনেছেন। আহমদ ইবনুল হাসান আত-তিরমিযীকে বলতে শুনেছি যে, আহমদ ইবনু হাম্বাল বলেন, যাইদা এবং যুহাইর থেকে কোন হাদীছ শুনতে পেলে অন্য কারো কাছ থেকে তা শুনলে কখনও এর পরওয়া করবে না। তবে আবূ ইসহাক থেকে বর্ণিত তাদের হাদীছের ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। আবূ সিহাকের নাম হল আমর ইবনু আবূদল্লাহ আশ-শাবীঈ আল-হামদানী।
আবূ উবাইদা ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীছ শুনেননি। তাঁর নাম তত প্রসিদ্ধ নয়। মুহাম্মাদ ইবান বাশশার এর সূত্রে আমর ইবনু মুররা থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আবূ উবাইদা ইাবন আবদুল্লাহকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আপনি (আপনার পিতা) আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) থেকে কোন হাদীছ বর্ণনা স্মরণ রেখেছেন কি? তিনি উত্তরে বললেন না।
হাদিস নং: ১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا حفص بن غياث، عن داود بن ابي هند، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تستنجوا بالروث ولا بالعظام فانه زاد اخوانكم من الجن " . وفي الباب عن ابي هريرة وسلمان وجابر وابن عمر . قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث اسماعيل بن ابراهيم وغيره عن داود بن ابي هند عن الشعبي عن علقمة عن عبد الله انه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ليلة الجن - الحديث بطوله - فقال الشعبي ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تستنجوا بالروث ولا بالعظام فانه زاد اخوانكم من الجن " . وكان رواية اسماعيل اصح من رواية حفص بن غياث . والعمل على هذا الحديث عند اهل العلم . وفي الباب عن جابر وابن عمر رضى الله عنهما .
১৮. হান্নাদ ..... তাঁর উস্তাদ হাফস ইবনু গিয়াছের সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, তোমরা গোবর এবং হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করবে না। কারণ এগুলো তোমাদের ভাই জ্বীনদের খাবার। - আল ইরওয়া ৪৬, মিশকাত ৩৫০, যইফা ১০৩৮ এর অধীনে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, সলামান, জাবির এবং ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম এবং অপর কতিপয় রাবীও এই হাদীছটি দাঊদ ইবনু আবী হিনদ-শা’বী আলকামা-আবদুল্লাহ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে উল্লেখ আছে যে, লাইলাতুল জ্বীন বা জ্বীন সম্পর্কিত ঘটনার রাতে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলেন। শা’বী বলেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, তোমরা গোবর এবং হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করো না। কেননা, এ হলো তোমাদের ভাই জ্বীনদের খাবার। হাফস ইবনু গিয়াসের বর্ণনার তুলনায় ইসমাঈলের বর্ণনা অধিকতর শুদ্ধ। ফকীহ আলিমগণ এই হাদীছের বক্তব্য অনুসারে আমল করেন। জাবির ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও এ বিষয়ে হাদীছ বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, সলামান, জাবির এবং ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম এবং অপর কতিপয় রাবীও এই হাদীছটি দাঊদ ইবনু আবী হিনদ-শা’বী আলকামা-আবদুল্লাহ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে উল্লেখ আছে যে, লাইলাতুল জ্বীন বা জ্বীন সম্পর্কিত ঘটনার রাতে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলেন। শা’বী বলেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, তোমরা গোবর এবং হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করো না। কেননা, এ হলো তোমাদের ভাই জ্বীনদের খাবার। হাফস ইবনু গিয়াসের বর্ণনার তুলনায় ইসমাঈলের বর্ণনা অধিকতর শুদ্ধ। ফকীহ আলিমগণ এই হাদীছের বক্তব্য অনুসারে আমল করেন। জাবির ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও এ বিষয়ে হাদীছ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، ومحمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب البصري، قالا حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن معاذة، عن عاىشة، قالت مرن ازواجكن ان يستطيبوا، بالماء فاني استحييهم فان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعله " . وفي الباب عن جرير بن عبد الله البجلي وانس وابي هريرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وعليه العمل عند اهل العلم يختارون الاستنجاء بالماء وان كان الاستنجاء بالحجارة يجزى عندهم فانهم استحبوا الاستنجاء بالماء وراوه افضل . وبه يقول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق .
১৯. কুতায়বা এবং মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল মালিক ইবনু আবিশ শাওয়ারিব (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা কারেন যে, তিনি বলেছে তোমরা তোমাদের স্বামীদের পানির সাহয্যে শৌচ ক্রিয়া সম্পাদন করতে নির্দেশ দিবে, আমি নিজে তাদের সে কথা বলতে লজ্জাবোধ করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এইরূপ করতেন। - ইরওয়া ৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জারীর ইবনু আবদিল্লাহ্ আল-বাজালী, আনাস এবং আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। ফকীহ আলিমগণ এই ধরনের আমল করেন। পাথর বা ঢিলার সাহায্য ইস্তিঞ্জা যথেষ্ট হলেও পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করাকে তাঁরা পছন্দনীয় ও উত্তম বলে মত ব্যক্ত করেছেন। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসাহাকও অনুরূপ মত পোষণ করেন।
এই বিষয়ে জারীর ইবনু আবদিল্লাহ্ আল-বাজালী, আনাস এবং আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। ফকীহ আলিমগণ এই ধরনের আমল করেন। পাথর বা ঢিলার সাহায্য ইস্তিঞ্জা যথেষ্ট হলেও পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করাকে তাঁরা পছন্দনীয় ও উত্তম বলে মত ব্যক্ত করেছেন। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসাহাকও অনুরূপ মত পোষণ করেন।
হাদিস নং: ২০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن المغيرة بن شعبة، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم في سفر فاتى النبي صلى الله عليه وسلم حاجته فابعد في المذهب . قال وفي الباب عن عبد الرحمن بن ابي قراد وابي قتادة وجابر ويحيى بن عبيد عن ابيه وابي موسى وابن عباس وبلال بن الحارث . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . ويروى عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم انه كان يرتاد لبوله مكانا كما يرتاد منزلا . وابو سلمة اسمه عبد الله بن عبد الرحمن بن عوف الزهري .
২০. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুগীরা ইবনু শু’বা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, মুগীরা বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমি এক সফরে ছিলাম। তিনি তাঁর ইস্তিঞ্জার প্রয়োজনে অনেক দূর চলে গেলেন। - ইবনু মাজাহ ৩৩০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুর রহমান ইবন আবী কুরাদ, আবূ কাতাদা, জাবির, উবায়দ, আবূ মূসা, ইবনু আব্বাস ও বিলাল ইবনুল হারিছ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি অবস্থানের জন্য যেমন পছন্দসই জায়গা তালাশ করে নিতেন তেমনি পেশাবের জন্যও নরম স্থান তালাশ করে নিতেন। আবূ সালমার পূর্ণ নাম হল, আবদুল্লাহ ইবনু আবদির রাহামান ইবনু আওফ আয-যুহরী।
এই বিষয়ে আবদুর রহমান ইবন আবী কুরাদ, আবূ কাতাদা, জাবির, উবায়দ, আবূ মূসা, ইবনু আব্বাস ও বিলাল ইবনুল হারিছ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি অবস্থানের জন্য যেমন পছন্দসই জায়গা তালাশ করে নিতেন তেমনি পেশাবের জন্যও নরম স্থান তালাশ করে নিতেন। আবূ সালমার পূর্ণ নাম হল, আবদুল্লাহ ইবনু আবদির রাহামান ইবনু আওফ আয-যুহরী।